📘 সুদ পরিষ্কার বিদ্রোহ > 📄 মজার একটি কৌতুক

📄 মজার একটি কৌতুক


হিন্দুস্তানে এক গায়ক ছিল। একবার সে হজে গেল। হজ সমাপনের পর মক্কা থেকে মদীনার উদ্দেশ্যে রওনা হলো। পথে এক মনযিলে যাত্রাবিরতি করল। সেযুগে চলার পথে বিভিন্ন মনযিল থাকত। মানুষ সেসব মনযিলে রাতযাপন করত এবং পরদিন সকালে সম্মুখপানে রওনা হতো। নিয়ম অনুযায়ী হিন্দুস্তানি গায়ক রাতযাপনের জন্য এক মনযিলে অবস্থান গ্রহণ করল। উক্ত মনযিলে এক আরব গায়কও গিয়ে উপস্থিত হলো এবং ওখানে বসে আরবিতে গান গাইতে শুরু করল। আরব গায়কের কণ্ঠ ছিল খানিক কর্কশ ও কাঠখোট্টা। হিন্দুস্তানি গায়কের কাছে তার গান খুব বিশ্রী ও বিরক্তিকর ঠেকল। তাই সে বলে উঠল, আজ আমার বুঝে এসেছে, আমাদের নবীজি গান-বাজনাকে কেন হারাম সাব্যস্ত করেছিলেন।
তার কারণ হলো, তিনি বেদুঈনদের বেসুরো ও কর্কশ গান শুনেছিলেন। তাই তিনি গানকে হারাম সাব্যস্ত করেছেন। তিনি যদি আমার গান শুনতেন, তা হলে গান-বাজনাকে তিনি হারাম ঘোষণা করতেন না।

📘 সুদ পরিষ্কার বিদ্রোহ > 📄 তাহলে তো শূকরও হালাল হওয়া দরকার!

📄 তাহলে তো শূকরও হালাল হওয়া দরকার!


আজকাল মেজাজ তৈরি হয়ে গেছে, যে কোনো বিষয়ে মানুষ হুট করে বলে ফেলে, জনাব, নবীজির আমলে তো এই আমলটি এভাবে হতো আর সেজন্য তিনি তাকে হারাম সাব্যস্ত করেছিলেন। বর্তমানে যেহেতু আমলটি সেভাবে হয় না, তাই সেটি হারাম নয়। যারা এ ধরনের যুক্তির অবতারণা করে, তারা এমনও বলে থাকে যে, শূকরকে এজন্য হারাম সাব্যস্ত করা হয়েছিল যে, সেযুগে এই জন্তুটি নোংরা পরিবেশে পড়ে থাকত, আবর্জনা খেত এবং নোংরা পরিবেশে প্রতিপালিত হতো। কিন্তু শূকর এখন অত্যন্ত পরিচ্ছন্ন পরিবেশে প্রতিপালিত হচ্ছে এবং তাদের জন্য উন্নতমানের ফার্ম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। কাজেই এখন শূকর হারাম হওয়ার কোনোই কারণ নেই। ঠিক অনুরূপ সুদের ব্যাপারেও একথাটি-ই বলা হচ্ছে যে, এই বাণিজ্যিক সুদ ও এই বাণিজ্যিক ঋণ নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর যুগে ছিল না। বরং সে যুগে ব্যক্তিগত ব্যয় ও ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য ঋণ নেওয়া হতো। কাজেই পবিত্র কুরআন সেই সুদকে কী করে হারাম ঘোষণা করতে পারে, সে যুগে যার অস্তিত্বই ছিল না। এই যুক্তির উপর নির্ভর করে কেউ-কেউ বলে থাকেন, পবিত্র কুরআন যে সুদকে হারাম সাব্যস্ত করেছে, সেটি গরিব-অসহায় জনগোষ্ঠী সম্পর্কিত সুদ ছিল। আমাদের এই কারবারি সুদ হারাম নয়।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00