📘 সুদ পরিষ্কার বিদ্রোহ > 📄 এরা কারা?

📄 এরা কারা?


যারা সুদের বৈধতার পক্ষে এই দলিল ও যুক্তি প্রদর্শন করে থাকেন, তারা সাধারণ কোনো মানুষ নন। তারা পড়া-লেখা করা ভালো-ভালো মানুষ। এমনকি মিসরের বর্তমান গ্রান্ড মুফতী পর্যন্ত ব্যাংকগুলোর সুদকে হালাল বলে ফতোয়া প্রদান করেছেন। তার সেই ফতোয়ায় সমগ্র মুসলিম বিশ্বে এক রকম হইচই পড়ে গেছে এবং বিষয়টি আলোচনার বিষয়বস্তুতে পরিণত হয়েছে।
মুসলিম বিশ্বের প্রতিটি অঞ্চলেই এই মতের পক্ষে কিছু-না-কিছু লোক দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। ভারতবর্ষে স্যার সাইয়্যেদ আহমাদ খান এবং আরবে মুফতী আব্দুলুহু ও রশীদ রেজাও এই মতের ধারক ছিলেন। পাকিস্তানে ডক্টর ফযলুর রহমান সাহেবও এই মতের সমর্থক ছিলেন। জাস্টিস কাদীরুদ্দীন খান এর প্রতি সমর্থন ব্যক্ত করে একখানা পুস্তিকাও রচনা করে ফেলেছিলেন। একজন মানুষ যদি গভীরভাবে না দেখে, তা হলে বাহ্যিক দৃষ্টিতে সুদের বৈধতার প্রবক্তাদের দলিল ও যুক্তি-তর্ক হৃদয়ে এই আবেদন জাগায় যে, একজন পুঁজিপতি ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে মুনাফা অর্জন করছে। এমতাবস্থায় যদি তার থেকে সুদ দাবি করা হয়, তা হলে তাতে অবিচারের কী থাকতে পারে? এখানে অন্যায়ের তো কিছু নেই। ফলে সাধারণ শিক্ষিত শ্রেণী এই মতের দ্বারা প্রভাবিত হয়ে এর সমর্থক হয়ে যাচ্ছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00