📘 সুদ পরিষ্কার বিদ্রোহ > 📄 সুদ জায়েয হওয়ার ভ্রান্ত দলিল

📄 সুদ জায়েয হওয়ার ভ্রান্ত দলিল


যারা সুদকে জায়েয ও বৈধ লেনদেন বলে দাবি করছে, তারা পবিত্র কুরআনের এই আয়াতটি দ্বারা দলিল উপস্থাপন করে থাকে। আল্লাহপাক বলেছেন:
أَحَلَّ اللَّهُ الْبَيْعَ وَحَرَّمَ الرِّبَوا
'আল্লাহ ক্রয়-বিক্রয়কে হালাল করেছেন আর সুদকে হারাম করেছেন।' (সূরা বাকারা, ২৭৫ আয়াত)
এই আয়াতটি উপস্থাপন করে তারা বলছে, এখানে সুদ বোঝাতে আল্লাহপাক الرِّبوا )'আর-রিবা') শব্দটি ব্যবহার করেছেন। শুরুতে আলিফ লাম যুক্ত করে শব্দটিকে নির্দিষ্ট করে দেওয়া হয়েছে।
কাজেই এখানে 'রিবা' বলতে সেই রিবাকে বোঝানো হয়েছে, জাহেলি যুগে ও আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের শুরু যুগে যার প্রচলন ছিল। আর সে যুগে সুদ বলতে শুধু 'সাফি ঋণের সুদে'রই প্রচলন ছিল। 'বাণিজ্যিক ঋণের সুদ'-এর প্রচলন সে যুগে ছিল না। কাজেই একথাটি বলে বোঝানোর আবশ্যকতা নেই যে, একটি যুগে যার প্রচলন থাকে না, তাকে হারাম বা অবৈধ ঘোষণা করার কোনো মানে হয় না। কাজেই পবিত্র কুরআন যে সুদকে হারাম ঘোষণা করেছে, সেটি সেই সুদ, যার প্রচলন সে যুগে ছিল। আর তা হলো, একান্ত ব্যক্তি পর্যায়ের ঋণের সুদ। অর্থাৎ-'সাফি ঋণে'র উপর সুদ। 'বাণিজ্যিক ঋণে'র উপর সুদ হারাম হবে না।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00