📄 ‘সরল সুদ’ ও ‘চক্রবৃদ্ধি সুদ’ উভয়ই হারাম
অনেকে প্রশ্ন করেন, পবিত্র কুরআন তো শুধু 'চক্রবৃদ্ধি সুদ'কে হারাম করেছে। কুরআন 'সরল সুদ'কে হারাম করেনি। তারা পবিত্র কুরআনের এই আয়াতটি দ্বারা দলিল দিয়ে থাকে। আল্লাহপাক বলেছেন: يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا الرِّبُوا أَضْعَافًا مُضْعَفَةً 'হে ঈমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সুদ খেয়ো না।' (সূরা আলে ইমরান, ১৩০)
এই আয়াতে 'রিবা'র সঙ্গে 'চক্রবৃদ্ধি'র শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। কাজেই কেবল সেই সুদ হারাম হবে, যাতে সুদের হার মূল অর্থের অন্তত দ্বিগুণ হবে। কিন্তু তাদের এই দলিল প্রদান সঠিক নয়। কারণ, সব যুগের সকল আলেম একমত যে, এই আয়াতে 'চক্রবৃদ্ধি'র শর্ত আরোপ করে একথা বোঝানো হয়নি যে, সকল ক্ষেত্রে সুদ হারাম হওয়ার জন্য চক্রবৃদ্ধি শর্ত। চক্রবৃদ্ধি হলেই কেবল সুদ হারাম হবে; অন্যথায় হারাম হবে না। বরং এখানে বলা হয়েছে, চক্রবৃদ্ধিহারে যে সুদ নেওয়া হয়, সেটি হারাম। আর আল্লাহপাক এই নিষেধাজ্ঞা একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জারি করেছেন, যেখানে চক্রবৃদ্ধির বিষয়টি ছিল।
অনেকে প্রশ্ন করেন, পবিত্র কুরআন তো শুধু 'চক্রবৃদ্ধি সুদ'কে হারাম করেছে। কুরআন 'সরল সুদ'কে হারাম করেনি। তারা পবিত্র কুরআনের এই আয়াতটি দ্বারা দলিল দিয়ে থাকে। আল্লাহপাক বলেছেন: يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا الرِّبُوا أَضْعَافًا مُضْعَفَةً 'হে ঈমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সুদ খেয়ো না।' (সূরা আলে ইমরান, ১৩০)
এই আয়াতে 'রিবা'র সঙ্গে 'চক্রবৃদ্ধি'র শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। কাজেই কেবল সেই সুদ হারাম হবে, যাতে সুদের হার মূল অর্থের অন্তত দ্বিগুণ হবে। কিন্তু তাদের এই দলিল প্রদান সঠিক নয়। কারণ, সব যুগের সকল আলেম একমত যে, এই আয়াতে 'চক্রবৃদ্ধি'র শর্ত আরোপ করে একথা বোঝানো হয়নি যে, সকল ক্ষেত্রে সুদ হারাম হওয়ার জন্য চক্রবৃদ্ধি শর্ত। চক্রবৃদ্ধি হলেই কেবল সুদ হারাম হবে; অন্যথায় হারাম হবে না। বরং এখানে বলা হয়েছে, চক্রবৃদ্ধিহারে যে সুদ নেওয়া হয়, সেটি হারাম। আর আল্লাহপাক এই নিষেধাজ্ঞা একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জারি করেছেন, যেখানে চক্রবৃদ্ধির বিষয়টি ছিল।
অনেকে প্রশ্ন করেন, পবিত্র কুরআন তো শুধু 'চক্রবৃদ্ধি সুদ'কে হারাম করেছে। কুরআন 'সরল সুদ'কে হারাম করেনি। তারা পবিত্র কুরআনের এই আয়াতটি দ্বারা দলিল দিয়ে থাকে। আল্লাহপাক বলেছেন: يَأَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا الرِّبُوا أَضْعَافًا مُضْعَفَةً 'হে ঈমানদারগণ! তোমরা চক্রবৃদ্ধিহারে সুদ খেয়ো না।' (সূরা আলে ইমরান, ১৩০)
এই আয়াতে 'রিবা'র সঙ্গে 'চক্রবৃদ্ধি'র শর্ত যুক্ত করা হয়েছে। কাজেই কেবল সেই সুদ হারাম হবে, যাতে সুদের হার মূল অর্থের অন্তত দ্বিগুণ হবে। কিন্তু তাদের এই দলিল প্রদান সঠিক নয়। কারণ, সব যুগের সকল আলেম একমত যে, এই আয়াতে 'চক্রবৃদ্ধি'র শর্ত আরোপ করে একথা বোঝানো হয়নি যে, সকল ক্ষেত্রে সুদ হারাম হওয়ার জন্য চক্রবৃদ্ধি শর্ত। চক্রবৃদ্ধি হলেই কেবল সুদ হারাম হবে; অন্যথায় হারাম হবে না। বরং এখানে বলা হয়েছে, চক্রবৃদ্ধিহারে যে সুদ নেওয়া হয়, সেটি হারাম। আর আল্লাহপাক এই নিষেধাজ্ঞা একটি বিশেষ ঘটনাকে কেন্দ্র করে জারি করেছেন, যেখানে চক্রবৃদ্ধির বিষয়টি ছিল।