📄 ১০. ঋণগ্রহিতার হাদিয়া নিবে না
(۱۰) عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي يَحْيَى رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ : سَأَلْتُ أَنسَ بْنَ مَالِكٍ فَقُلْتُ يَا أَبَا حَمْزَةً الرَّجُلُ مِنَّا يُقْرِضُ أَخَاهُ الْمَالَ فَيُهْدِي إِلَيْهِ فَقَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : إِذَا أَقْرَضَ أَحَدُكُمْ قَرْضًا فَأَهْدَى إِلَيْهِ طَبَقًا فَلَا يَقْبَلُهُ أَوْ حَمَلَهُ دَابَّةً فَلَا يَرْكَبُهَا إِلَّا أَنْ يَكُونَ بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ قَبْلَ ذَالِكَ السنن الكبري للبيهقي ( ٥ / ٣٥٠)
ইয়াযিদ ইবনে আবু ইয়াহইয়া থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালেক রাযি. কে জিজ্ঞেস করলাম: হে আবু হামযা! আমাদের মধ্যে অনেকে তার ভাইকে কর্জ দেয়। তারপর সে (করজগ্রহণকারী) তাকে কোন কিছু হাদিয়া দিতে চায় (এই হাদিয়া নেওয়া উচিত হবে কি?) তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যখন তোমাদের কেউ কাউকে কর্জ দেয়, তারপর সে (করজগ্রহণকারী) তাকে (খাদ্যভর্তি) থালা হাদিয়া দেয় তখন সে যেন তা গ্রহণ না করে কিংবা যদি তাকে নিজ বাহনে আরোহণ করাতে চায় তো সে যেন তাতে না চড়ে। তবে যদি আগে থেকেই তাদের মধ্যে এ ধরনের সম্পর্ক থাকে সেটা ভিন্ন। -বায়হাকী : ৫: ৩৫০ (সে কর্জের বিনিময়ে হাদিয়া দিতে পারে; এমতাবস্থায় তা সুদ হবে। এ কারণে তার হাদিয়া গ্রহণ করার ব্যাপারেও সাবধান হওয়া উচিত।)'
[বিশেষ জ্ঞাতব্য: সুদের সংজ্ঞা, স্বরূপ ও তার 'পার্থিব ভয়াবহ অনিষ্টকারিতা সম্পর্কে কুরআন মাজীদের আয়াত ও দশখানা হাদীস বর্ণনা করা হয়েছে। চিন্তাশীল ও বুদ্ধিমান মুসলমানের জন্য এটা যথেষ্ট।