📄 আমাদের এ বক্তব্যের উদ্দেশ্য দু’টি
১. مسلمانوں বিভিন্ন দল ও সরকারসমূহকে এদিকে আকৃষ্ট করা। কেননা, তারাই এ কাজ যথার্থভাবে করতে পারে এবং তাদের উদ্যোগ শুধু মুলমানদেরকেই নয়, সারা বিশ্বকেই সুদের অভিশাপ থেকে মুক্তি দিতে পারে।
২. কমপক্ষে সবার জ্ঞান বিশুদ্ধ হোক এবং তারা রোগকে সত্যিকারভাবেই রোগ মনে করুক। কেননা, হারামকে হালাল মনে করা আরেকটি গোনাহ্। এটা সুদের গোনাহ্র চাইতেও বড় ও মারাত্মক। তারা কমপক্ষে এ গোনাহে লিপ্ত না হোক। গোনাহে কিছু-না-কিছু বাহ্যিক উপকারও আছে। কিন্তু যেটা জ্ঞানগত ও বিশ্বাসগত গোনাহ্ অর্থাৎ হারামকে হালাল প্রমাণিত করার চেষ্টা করা, এ প্রথম গোনাহ্ চাইতেও মারাত্মক এবং নিরর্থক। কেননা সুদকে হারাম মনে করা এবং স্বীয় গোনাহ্ স্বীকার করার মধ্যে কোন আর্থিক ক্ষতিও হয় না। এবং এর ফলে ব্যবসা-বাণিজ্যও বন্ধ হয়ে যায়। হ্যাঁ, অপরাধ স্বীকার করার ফল এটা অবশ্যই যে, কোন সময় তাওবা করার তাওফীক হলে সুদ থেকে আত্মরক্ষার উপায় চিন্তা করা যাবে।
এ উদ্দেশ্যের পরিপ্রেক্ষিতেই উপসংহারে কয়েকটি হাদীস উদ্ধৃত করছি। এগুলো সুদ সম্পর্কিত আলোচ্য আয়াতসমূহেরই ব্যাখ্যা। উদ্দেশ্য, গোনাহ্ যে গোনাহ্-এ অনুভূতি জাগ্রত হোক, এ থেকে বেঁচে থাকার চিন্তা হোক, কমপক্ষে হারামকে হালাল করে এক গোনাহৰ্কে দুই গোনাহ্ না করুক। বড় বড় নেককার ও দ্বীনদার মুসলমান রাত্রিবেলা তাহাজ্জুদ ও যিকিরে অতিবাহিত করে। সকাল বেলায় যখন তারা দোকানে কিংবা কারখানায় পৌঁছে, তখন এ কল্পনাও তাদের মনে জাগে না যে, তারা সুদ ও জুয়ার কাজ-কারবারে লিপ্ত হয়ে মারাত্মক কিছু গোনাহ্ করে চলছে।