📘 সুদ পরিষ্কার বিদ্রোহ > 📄 মুফাসসির আবু হাইয়্যানের বক্তব্য

📄 মুফাসসির আবু হাইয়্যানের বক্তব্য


স্পেনের খ্যাতনামা তাফসীরবিদ আবু হাইয়্যান গারনাতী রচিত 'তাফসীরে বাহরে মুহীত'-এও জাহিলিয়াত আমলে প্রচলিত রিবার সংজ্ঞা ও প্রকৃতি এরূপই বর্ণিত হয়েছে। অর্থাৎ, তারা অর্থ লগ্নি করে মুনাফা গ্রহণ করতো এবং ঋণের মেয়াদ যতই বেড়ে যেতো, ততই সুদ বাড়িয়ে দেওয়া হতো। এরাই বলতো যে, ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে মুনাফা নেওয়া যেমন জায়েয, তেমনি অর্থ ঋণ দিয়ে মুনাফা নেওয়াও জায়েয হওয়া উচিৎ। কুরআন পাক একে হারাম করেছে এবং ক্রয়-বিক্রয় ও রিবার মধ্যে পার্থক্য বর্ণনা করেছে। এ বিষয়বস্তুই তাফসীরে ইবনে কাসীর, তাফসীরে কাবীর ও রূহুল- মা'আনী প্রভৃতি বিশিষ্ট তাফসীর গ্রন্থে নির্ভরযোগ্য রেওয়ায়েতের মাধ্যমে বর্ণিত রয়েছে।

📘 সুদ পরিষ্কার বিদ্রোহ > 📄 ইবনে আরাবী রহ.-এর বক্তব্য

📄 ইবনে আরাবী রহ.-এর বক্তব্য


ইবনে আরাবী রহ. আহকামুল কুরআনে বলেছেনঃ الرِّبُوا فِي اللُّغَةِ الرَّبَاوَةُ وَالْمُرَادُ بِهِ فِي الْآيَةِ كُلُّ زِيَادَةٍ لَا يُقَابِلُهَا عِوَضٌ (احکام القران ۲-۱۱۰). অর্থাৎ, অভিধানে রিবা শব্দের অর্থ অতিরিক্ত। আয়াতে রিবা বলতে প্রত্যেক এমন অতিরিক্ত পরিমাণকে বোঝান হয়েছে যার বিপরীতে কোন বিনিময় নেই। (কেবল ঋণ ও তার মেয়াদ আছে।) (আহকামুল কুরআনঃ ২য় খণ্ড: ১০১ পৃ.)

📘 সুদ পরিষ্কার বিদ্রোহ > 📄 ইমাম রাযী রহ.-এর বক্তব্য

📄 ইমাম রাযী রহ.-এর বক্তব্য


ইমাম রাযী স্বীয় তাফসীরে বলেন: 'রিবা' দু'রকম, ক্রয়-বিক্রয়ের রিবা ও ঋণের রিবা। জাহিলিয়াত যুগের আরবে দ্বিতীয় প্রকার রিবাই প্রচলিত ও সুবিদিত ছিল। তারা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য কাউকে অর্থ প্রদান করতো এবং প্রতি মাসে তার মুনাফা আদায় করতো। নির্দিষ্ট মেয়াদে আদায় না হলে সুদের পরিমাণ বাড়িয়ে দেওয়ার শর্তে মেয়াদও বাড়িয়ে দিত। জাহিলিয়াত যুগের সেই রিবাই কুরআন হারাম করেছে।

📘 সুদ পরিষ্কার বিদ্রোহ > 📄 ইমাম আবু বকর জাস্সাস রহ.-এর বক্তব্য

📄 ইমাম আবু বকর জাস্সাস রহ.-এর বক্তব্য


ইমাম জাসসাস রহ. 'আহকামুল কুরআন'-এ রিবার অর্থ বর্ণনা করে বলেন-
هُوَ الْقَرْضُ الْمَشْرُوطُ فِيهِ الْأَجَلُ وَزِيَادَةُ مَالٍ عَلَى الْمُسْتَقْرِضِ.
অর্থাৎ, এ এমন ঋণ, যা নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য এ শর্তে দেওয়া হয় যে, খাতক তাকে মূলধন থেকে কিছু বেশি পরিমাণ অর্থ ফেরত দেবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00