📄 দাতব্য প্রতিষ্ঠান
কিছু প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে সম্পূর্ণ কল্যাণমুখী। যেখানে কেউ ফেরত পাবার আশাতে কর্জ দিবেন না বরং দানের উদ্দেশ্যে কর্জ দিবেন। সমাজে যেমন বিভিন্ন রকম ব্যক্তি থাকেন ঠিক তেমনি বিভিন্ন রকম প্রতিষ্ঠান থাকবে। প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য কি তা গ্রাহককে সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণনা করতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো কর্জ-গ্রহীতাকে শক্তভাবে বাছাই করবে না। কারণ, তারা দানের উদ্দেশ্যে কর্জ দিচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ কর্জ তাই স্বাভাবিকভাবেই অনাদায়ি হয়ে দানে রূপ নিতে পারে। তাই, কোনো প্রতিষ্ঠান কোনো উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে সেটা পরিষ্কার না করে হলে কর্জে হাসানার উপর সব দুর্নাম পড়বে এবং সমাজে কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান দাঁড়াতে পারবে না।
সবশেষে, কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান শতভাগ দাতব্য সংস্থা নয়। এটি অপরের সম্পদের সংরক্ষক। আবেগের বশবর্তী হয়ে অন্য ব্যক্তির সম্পদের দায়িত্ব নিয়ে অবহেলা করা যাবে না। একজন ঔষধের দোকানদার যেমন টাকা না থাকলে দরিদ্র অসুস্থ ব্যক্তিকে বা আত্মীয়স্বজনকে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হন, প্রতিষ্ঠান পরিচালক কর্তৃক কর্জ দেবার ব্যাপারটিও তেমন। প্রয়োজনবোধে পরিচালক নিজের পক্ষ থেকে নিজ সম্পদ দান করতে পারেন অথবা জাকাতের ব্যবস্থা করতে পারেন। কিন্তু কর্জ ফেরত দিতে পারবে না এমন অভাবী ব্যক্তিকে কোনো অবস্থাতেই কর্জ দেওয়া যাবে না। যেহেতু একজন পরিচালক প্রতিষ্ঠানের কোষাগারের সম্পত্তির মালিক নয় তার লক্ষ্য থাকবে মালের সম্পদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করা।
কিছু প্রতিষ্ঠান থাকতে পারে সম্পূর্ণ কল্যাণমুখী। যেখানে কেউ ফেরত পাবার আশাতে কর্জ দিবেন না বরং দানের উদ্দেশ্যে কর্জ দিবেন। সমাজে যেমন বিভিন্ন রকম ব্যক্তি থাকেন ঠিক তেমনি বিভিন্ন রকম প্রতিষ্ঠান থাকবে। প্রতিষ্ঠানের উদ্দেশ্য কি তা গ্রাহককে সুস্পষ্ট ভাবে বর্ণনা করতে হবে। এই প্রতিষ্ঠানগুলো কর্জ-গ্রহীতাকে শক্তভাবে বাছাই করবে না। কারণ, তারা দানের উদ্দেশ্যে কর্জ দিচ্ছে। এই প্রতিষ্ঠানের বেশিরভাগ কর্জ তাই স্বাভাবিকভাবেই অনাদায়ি হয়ে দানে রূপ নিতে পারে। তাই, কোনো প্রতিষ্ঠান কোনো উদ্দেশ্যে পরিচালিত হচ্ছে সেটা পরিষ্কার না করে হলে কর্জে হাসানার উপর সব দুর্নাম পড়বে এবং সমাজে কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান দাঁড়াতে পারবে না।
সবশেষে, কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান শতভাগ দাতব্য সংস্থা নয়। এটি অপরের সম্পদের সংরক্ষক। আবেগের বশবর্তী হয়ে অন্য ব্যক্তির সম্পদের দায়িত্ব নিয়ে অবহেলা করা যাবে না। একজন ঔষধের দোকানদার যেমন টাকা না থাকলে দরিদ্র অসুস্থ ব্যক্তিকে বা আত্মীয়স্বজনকে ফিরিয়ে দিতে বাধ্য হন, প্রতিষ্ঠান পরিচালক কর্তৃক কর্জ দেবার ব্যাপারটিও তেমন। প্রয়োজনবোধে পরিচালক নিজের পক্ষ থেকে নিজ সম্পদ দান করতে পারেন অথবা জাকাতের ব্যবস্থা করতে পারেন। কিন্তু কর্জ ফেরত দিতে পারবে না এমন অভাবী ব্যক্তিকে কোনো অবস্থাতেই কর্জ দেওয়া যাবে না। যেহেতু একজন পরিচালক প্রতিষ্ঠানের কোষাগারের সম্পত্তির মালিক নয় তার লক্ষ্য থাকবে মালের সম্পদের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করা।