📘 সুদ হারাম কর্জে হাসানা একটি সমাধান > 📄 পণ্য থেকে টাকায় ঝাঁপ দেয়া

📄 পণ্য থেকে টাকায় ঝাঁপ দেয়া


ধরুন, আপনার কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠানের ১ লাখ টাকার চাল কেনা আছে এবং এটা কর্জ আকারে মানুষের হাতে হাতে ঘুরছে। আপনি খেয়াল করলেন যে, গত বছরের মতো এই বছরও বাংলাদেশের অর্থনীতিতে গড়পড়তা মূল্যহ্রাস চলছে। মানে চালের দাম ক্রমেই কমছে। তাহলে এটা বলা যাচ্ছে খুব সহজেই যে গত বছরের তুলনায় এই বছর চাল বিক্রি করে আপনি কম টাকা পাবেন। অর্থাৎ আপনার প্রতিষ্ঠানের লোকসান হবে। ঠিক এই সময়ে আপনার প্রতিষ্ঠানের উচিত হবে টাকা দিয়ে কর্জ দেয়ার পন্থায় চলে যাওয়া। অর্থাৎ, যে চালগুলো কর্জ আছে, সেগুলো সময়মত আদায় করার পর বিক্রি করে দিয়ে আর চাল না কেনা এবং লোকসান হওয়ার পরেও যে টাকাটা হাতে আছে সেটা টাকা হিসেবেই কর্জ দেয়া। যতদিন আপনার অর্থনীতিতে মুদ্রাহ্রাস বা গড়ে সব জিনিসের দাম কমার দিকে থাকবে, ততদিন আপনি টাকায় কর্জ দিতে থাকবেন। কারণ, এতে করে এই বিপরীত সময়ে টাকার মূল্য হারাচ্ছে না, বরং বাড়ছে।

📘 সুদ হারাম কর্জে হাসানা একটি সমাধান > 📄 যখন টাকাই যথেষ্ট

📄 যখন টাকাই যথেষ্ট


আধুনিক অর্থনীতি মূল্যস্ফীতি ছাড়া কিছু চিন্তা করতে পারে না। এর মূলে রয়েছে ব্যাংকের দুষ্ট সেই ঋণের চক্র। এজন্য এই পর্যন্ত এত আলোচনা করা হয়েছে মূলত মুদ্রাস্ফীতির প্রভাব থেকে কর্জকে কিছুটা বাঁচানোর জন্য। এবার মনটা ভালো করার জন্য ধরে নেই, আজকে স-ব ব্যাংক বন্ধ এবং অর্থনীতি সুদি ঋণের টাকায় চলছে না। তাই, মূল্যস্ফীতি গায়েব হয়ে গিয়েছে। এই অর্থনীতি, যেটাতে মূল্যস্ফীতি নেই, সেখানে এত কষ্ট করে পণ্য কর্জ দেয়ার দরকার নেই, আরামসে টাকা ব্যবহার করুন। অর্থাৎ মুদ্রাস্ফীতিই যদি না থাকে, হাজারো কৌশল করার প্রয়োজন নেই। টাকায় কর্জ লেনদেন করলেই যথেষ্ট।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00