📘 সুদ হারাম কর্জে হাসানা একটি সমাধান > 📄 পরিচালনা ব্যয়

📄 পরিচালনা ব্যয়


পরিচালনা ব্যয় বলতে কর্মচারীর বেতন, অফিস ভাড়া, কারেন্ট বিল ইত্যাদি বোঝায়। গড়পড়তা কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠানের পরিচর্যা ব্যয় সামান্য। তবে কাঠামো ভেদে এর তারতম্য হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো সুদ-মুক্ত ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে যদি আমরা টাকায় কর্জ লেনদেন করি তাহলে প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ব্যয় নেই। এমনকি অনলাইনেও টাকা লেনদেন করা সম্ভব। কেবল যেই ব্যক্তি দায়িত্ব নিয়ে কাজটি করছেন তার পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু অর্থের জোগান থাকতে হবে।

ব্যাংকব্যবস্থা এড়াতে চাইলে আমরা ঘরের আলমারি ব্যবহার করতে পারি। একজন স্বেচ্ছাসেবী নিজ দায়িত্বে কার্য পরিচালনা করতে রাজি হলে এবং পাওনাদারের থেকে টাকা আদায় করার সক্ষমতা রাখলে পরিচালনা ব্যয় প্রায় শূন্যই থাকছে।

দোকান চুক্তির ক্ষেত্রেও আলাদা করে পরিচালনা ব্যয় নেই। একটি ব্যতিক্রম হচ্ছে লকার। এক্ষেত্রে যেহেতু সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা আছে, পরিচালনা ব্যয় অনেক বেশি হবে। অবশ্য লকার নিরাপত্তা প্রদানের বিনিময়ে সেবা মূল্য নিতে পারে তাই এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান যদি নিজস্ব অফিসে কার্যক্রম চালাতে চায় তাহলে শহরে ভাড়া বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা ব্যয় করতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে পরিচালনা খরচ কমাবার জন্য কারো বাসায় বা ছাদে অতিরিক্ত জায়গা থাকলে সেখানে সপ্তাহের একদিন সবাই বসতে পারে। সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে ফোনে যোগাযোগ করে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে সেবা গ্রহণ করা যায়। তবে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বড় হলে একজন দক্ষ পরিচালক নিয়োগ দিতে হবে এবং স্থায়ী অফিসের প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে কীভাবে ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হবে সেই আলোচনা পরবর্তীতে করা হবে।

পরিচালনা ব্যয় বলতে কর্মচারীর বেতন, অফিস ভাড়া, কারেন্ট বিল ইত্যাদি বোঝায়। গড়পড়তা কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠানের পরিচর্যা ব্যয় সামান্য। তবে কাঠামো ভেদে এর তারতম্য হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, কোনো সুদ-মুক্ত ব্যাংকের অ্যাকাউন্টে যদি আমরা টাকায় কর্জ লেনদেন করি তাহলে প্রতিষ্ঠানের পরিচালনা ব্যয় নেই। এমনকি অনলাইনেও টাকা লেনদেন করা সম্ভব। কেবল যেই ব্যক্তি দায়িত্ব নিয়ে কাজটি করছেন তার পারিশ্রমিক হিসেবে কিছু অর্থের জোগান থাকতে হবে।

ব্যাংকব্যবস্থা এড়াতে চাইলে আমরা ঘরের আলমারি ব্যবহার করতে পারি। একজন স্বেচ্ছাসেবী নিজ দায়িত্বে কার্য পরিচালনা করতে রাজি হলে এবং পাওনাদারের থেকে টাকা আদায় করার সক্ষমতা রাখলে পরিচালনা ব্যয় প্রায় শূন্যই থাকছে।

দোকান চুক্তির ক্ষেত্রেও আলাদা করে পরিচালনা ব্যয় নেই। একটি ব্যতিক্রম হচ্ছে লকার। এক্ষেত্রে যেহেতু সার্বক্ষণিক নিরাপত্তা প্রদানের প্রয়োজনীয়তা আছে, পরিচালনা ব্যয় অনেক বেশি হবে। অবশ্য লকার নিরাপত্তা প্রদানের বিনিময়ে সেবা মূল্য নিতে পারে তাই এ নিয়ে চিন্তার কিছু নেই।

কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান যদি নিজস্ব অফিসে কার্যক্রম চালাতে চায় তাহলে শহরে ভাড়া বাবদ মোটা অঙ্কের টাকা ব্যয় করতে হবে। প্রাথমিক পর্যায়ে পরিচালনা খরচ কমাবার জন্য কারো বাসায় বা ছাদে অতিরিক্ত জায়গা থাকলে সেখানে সপ্তাহের একদিন সবাই বসতে পারে। সপ্তাহের বাকি দিনগুলোতে ফোনে যোগাযোগ করে ব্যক্তিগতভাবে দেখা করে সেবা গ্রহণ করা যায়। তবে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বড় হলে একজন দক্ষ পরিচালক নিয়োগ দিতে হবে এবং স্থায়ী অফিসের প্রয়োজন হবে। সেক্ষেত্রে কীভাবে ব্যয়ভার বহন করা সম্ভব হবে সেই আলোচনা পরবর্তীতে করা হবে।

📘 সুদ হারাম কর্জে হাসানা একটি সমাধান > 📄 ঋণ খেলাপী

📄 ঋণ খেলাপী


ব্যয় হিসেবে ঋণখেলাপি কতটা গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক তা নির্ভর করে কাঠামোর উপর।
• কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান যদি দাতা-পক্ষের কাছ থেকে কর্জে হাসানা নিয়ে অপর কাউকে কর্জ দেয়, তাহলে কর্জ ফেরত আনার দায়িত্ব প্রতিষ্ঠানের কাছে। প্রতিষ্ঠান কর্জ ফেরত আনতে না পারলে, মূল কর্জদাতাকে সময়মত পরিশোধ করতে পারবে না। ফলে, প্রতিষ্ঠান নিজেই কর্জে হাসানা-গ্রহীতা হিসেবে ব্যর্থ হবে।
• কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান যদি দাতার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং বাকিতে বিক্রি করে দেয়ার দায়িত্ব নেয়। তাহলেও প্রতিষ্ঠানকে সেই বাকিতে বিক্রির টাকা ফেরত আনার সকল প্রচেষ্টা করতে হবে। নাহলে, সে এজেন্ট হিসেবেও ব্যর্থ হবে এবং সার্ভিস ফিও হারাবে।
• কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান যদি একটা তালিকা মেইনটেইন করে যেখানে একদল দাতা কি কর্জ দিতে চায় ও একদল গ্রহীতা কি কর্জ নিতে চায় সেটা লিপিবদ্ধ থাকে এবং প্রতিষ্ঠান শুধু ম্যাচ-মেকিং এর মতো কর্জ দাতা ও কর্জ গ্রহীতাকে মিলিয়ে দেয়ার কাজ করে, তাহলে কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠানের কোনো ঝুঁকি থাকে না। কারণ, এখানে কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান কারো কাছ থেকে কর্জ নেয়নি কিংবা কারো জিনিস বাকিতে বিক্রি করার দায়িত্ব নেয়নি। তবে, এখানে একটা বাড়তি দায়িত্ব থাকে কর্জ দাতা ও কর্জ গ্রহীতাকে ভালোভাবে চেক করে নেয়ার। মুখের কথায় ভরসা করলে বহু কর্জ-দাতা তাদের মূল্যবান অর্থ ও সামগ্রী হারাতে পারেন। এক্ষেত্রে সিকিউরিটির জন্য নির্ধারিত কিছু তথ্য ও বিস্তারিত খোঁজখবর নেয়ার পন্থা তৈরি করা যেতে পারে এবং এই সিকিউরিটি চেক আপের খরচ জোগানোর জন্য রেজিস্ট্রেশন-প্রত্যাশীদের কাছ থেকে যথাযথ সিকিউরিটি চেক-আপ ফি নেয়া যেতে পারে।
• কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান যদি সফলভাবে পরিচালনা করা যায়, তবে সেই সুনাম প্রতিষ্ঠানকে সুপ্রতিষ্ঠিত হতে বাড়তি সহায়তা করবে। যারা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কর্জ দিয়েছে তারা যদি দেখে তাদের প্রদত্ত কর্জ খুব সুন্দর করে যোগ্য ব্যক্তির হাতে তুলে খুব সুন্দর করে ফিরিয়ে আনছে তাহলে সবাই চাইবে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কর্জ দিতে।
• বড় অঙ্কের অনুদান নিয়ে খুব মজুত কাঠামোর কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। সেখানে খুব শক্তিশালী চুক্তি ও ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করার মাধ্যমে কর্জ দাতাদের কাছ থেকে সব ধরনের অর্থ ও সম্পদ কর্জে হাসানা হিসেবে নেয়া হবে এবং সব ধরনের কর্জ প্রার্থীদের যার যার চাহিদা ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাস্টম-মেড অ্যারেঞ্জমেন্টে কর্জ দেয়া হবে। কর্জ আদায়ের সকল সুবন্দোবস্ত থাকবে এবং থাকবে নিজস্ব ফান্ড কিংবা জাকাত ফান্ড থেকে বেইল আউট সিস্টেম। মূল কাজ কর্জে হাসানা লেনদেনের সাথে আয়ের উৎস হিসেবে থাকবে লকার সার্ভিস, বৈদেশিক মুদ্রার হালাল ট্রেড এবং জাকাত-উশর-সদকা-ওয়াক্ফ ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস। পুরো কাঠামোটা পরিচালনা করবে ইসলামি ফাইন্যান্সে সুদক্ষ কর্মকর্তারা।

ব্যয় হিসেবে ঋণখেলাপি কতটা গুরুত্বপূর্ণ নিয়ামক তা নির্ভর করে কাঠামোর উপর।
• কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান যদি দাতা-পক্ষের কাছ থেকে কর্জে হাসানা নিয়ে অপর কাউকে কর্জ দেয়, তাহলে কর্জ ফেরত আনার দায়িত্ব প্রতিষ্ঠানের কাছে। প্রতিষ্ঠান কর্জ ফেরত আনতে না পারলে, মূল কর্জদাতাকে সময়মত পরিশোধ করতে পারবে না। ফলে, প্রতিষ্ঠান নিজেই কর্জে হাসানা-গ্রহীতা হিসেবে ব্যর্থ হবে।
• কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান যদি দাতার এজেন্ট হিসেবে কাজ করে এবং বাকিতে বিক্রি করে দেয়ার দায়িত্ব নেয়। তাহলেও প্রতিষ্ঠানকে সেই বাকিতে বিক্রির টাকা ফেরত আনার সকল প্রচেষ্টা করতে হবে। নাহলে, সে এজেন্ট হিসেবেও ব্যর্থ হবে এবং সার্ভিস ফিও হারাবে।
• কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান যদি একটা তালিকা মেইনটেইন করে যেখানে একদল দাতা কি কর্জ দিতে চায় ও একদল গ্রহীতা কি কর্জ নিতে চায় সেটা লিপিবদ্ধ থাকে এবং প্রতিষ্ঠান শুধু ম্যাচ-মেকিং এর মতো কর্জ দাতা ও কর্জ গ্রহীতাকে মিলিয়ে দেয়ার কাজ করে, তাহলে কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠানের কোনো ঝুঁকি থাকে না। কারণ, এখানে কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান কারো কাছ থেকে কর্জ নেয়নি কিংবা কারো জিনিস বাকিতে বিক্রি করার দায়িত্ব নেয়নি। তবে, এখানে একটা বাড়তি দায়িত্ব থাকে কর্জ দাতা ও কর্জ গ্রহীতাকে ভালোভাবে চেক করে নেয়ার। মুখের কথায় ভরসা করলে বহু কর্জ-দাতা তাদের মূল্যবান অর্থ ও সামগ্রী হারাতে পারেন। এক্ষেত্রে সিকিউরিটির জন্য নির্ধারিত কিছু তথ্য ও বিস্তারিত খোঁজখবর নেয়ার পন্থা তৈরি করা যেতে পারে এবং এই সিকিউরিটি চেক আপের খরচ জোগানোর জন্য রেজিস্ট্রেশন-প্রত্যাশীদের কাছ থেকে যথাযথ সিকিউরিটি চেক-আপ ফি নেয়া যেতে পারে।
• কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠান যদি সফলভাবে পরিচালনা করা যায়, তবে সেই সুনাম প্রতিষ্ঠানকে সুপ্রতিষ্ঠিত হতে বাড়তি সহায়তা করবে। যারা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কর্জ দিয়েছে তারা যদি দেখে তাদের প্রদত্ত কর্জ খুব সুন্দর করে যোগ্য ব্যক্তির হাতে তুলে খুব সুন্দর করে ফিরিয়ে আনছে তাহলে সবাই চাইবে প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে কর্জ দিতে।
• বড় অঙ্কের অনুদান নিয়ে খুব মজুত কাঠামোর কর্জে হাসানা প্রতিষ্ঠা করা যেতে পারে। সেখানে খুব শক্তিশালী চুক্তি ও ব্যাকগ্রাউন্ড চেক করার মাধ্যমে কর্জ দাতাদের কাছ থেকে সব ধরনের অর্থ ও সম্পদ কর্জে হাসানা হিসেবে নেয়া হবে এবং সব ধরনের কর্জ প্রার্থীদের যার যার চাহিদা ও যোগ্যতা অনুযায়ী কাস্টম-মেড অ্যারেঞ্জমেন্টে কর্জ দেয়া হবে। কর্জ আদায়ের সকল সুবন্দোবস্ত থাকবে এবং থাকবে নিজস্ব ফান্ড কিংবা জাকাত ফান্ড থেকে বেইল আউট সিস্টেম। মূল কাজ কর্জে হাসানা লেনদেনের সাথে আয়ের উৎস হিসেবে থাকবে লকার সার্ভিস, বৈদেশিক মুদ্রার হালাল ট্রেড এবং জাকাত-উশর-সদকা-ওয়াক্ফ ম্যানেজমেন্ট সার্ভিস। পুরো কাঠামোটা পরিচালনা করবে ইসলামি ফাইন্যান্সে সুদক্ষ কর্মকর্তারা।

📘 সুদ হারাম কর্জে হাসানা একটি সমাধান > 📄 জাকাত

📄 জাকাত


প্রতিষ্ঠান যদি কেবল কর্জ রাখে এবং দেয়, প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সম্পত্তির মধ্যে এগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে না। যেমন- লকারে কেউ অলংকার জমা/আমানত রাখলে, এর মালিক হচ্ছে জমাকারী। জমাকারী এর বিপরীতে জাকাত দিবে। কিন্তু যে কর্জ পেল, সে যখন এই মাল বিক্রয় করবে তখন যার কাছে বিক্রি করা হয়েছে সেই নতুন মালিকও জাকাত দিতে থাকবে। যেমন: মালেকা বানু জাহাঙ্গির সাহেবকে একটি সোনার হার কর্জ দিল। জাহাঙ্গির সাহেব বাজারে গিয়ে এই হার কমলা বিবির কাছে বিক্রয় করে দিল। কমলা বিবি হারের মালিক, তিনি জাকাত দিতে থাকবেন। আবার মালেকা বানুও একটি হারের মালিক, সে ও জাকাত দিতে থাকবে। জাহাঙ্গির সাহেব এই হারের উপর কোনো জাকাত দিবেন না বা তার জাকাতে এই হারের কোনো হিসাব আসবে না।

যারা প্রতিষ্ঠানকে কর্জ দিবেন তারা নিজেরা নিজেদের জাকাত আলাদাভাবে দিতে পারেন অথবা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই জাকাত বিলি করতে পারে। প্রতিষ্ঠান এই কাজটি করতে পারলে খুব ভালো হয়। প্রতিষ্ঠানের হাতে কিছু জাকাতের টাকা থাকলে কর্জ ফেরত দিতে একেবারেই অপারগ গ্রাহকদের মধ্যে যারা জাকাত গ্রহণের যোগ্য, তাদেরকে জাকাত দিয়ে খেলাপি কর্জ পূরণের ব্যবস্থা করতে পারে।

প্রতিষ্ঠান যদি কেবল কর্জ রাখে এবং দেয়, প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব সম্পত্তির মধ্যে এগুলো অন্তর্ভুক্ত হবে না। যেমন- লকারে কেউ অলংকার জমা/আমানত রাখলে, এর মালিক হচ্ছে জমাকারী। জমাকারী এর বিপরীতে জাকাত দিবে। কিন্তু যে কর্জ পেল, সে যখন এই মাল বিক্রয় করবে তখন যার কাছে বিক্রি করা হয়েছে সেই নতুন মালিকও জাকাত দিতে থাকবে। যেমন: মালেকা বানু জাহাঙ্গির সাহেবকে একটি সোনার হার কর্জ দিল। জাহাঙ্গির সাহেব বাজারে গিয়ে এই হার কমলা বিবির কাছে বিক্রয় করে দিল। কমলা বিবি হারের মালিক, তিনি জাকাত দিতে থাকবেন। আবার মালেকা বানুও একটি হারের মালিক, সে ও জাকাত দিতে থাকবে। জাহাঙ্গির সাহেব এই হারের উপর কোনো জাকাত দিবেন না বা তার জাকাতে এই হারের কোনো হিসাব আসবে না।

যারা প্রতিষ্ঠানকে কর্জ দিবেন তারা নিজেরা নিজেদের জাকাত আলাদাভাবে দিতে পারেন অথবা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে এই জাকাত বিলি করতে পারে। প্রতিষ্ঠান এই কাজটি করতে পারলে খুব ভালো হয়। প্রতিষ্ঠানের হাতে কিছু জাকাতের টাকা থাকলে কর্জ ফেরত দিতে একেবারেই অপারগ গ্রাহকদের মধ্যে যারা জাকাত গ্রহণের যোগ্য, তাদেরকে জাকাত দিয়ে খেলাপি কর্জ পূরণের ব্যবস্থা করতে পারে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00