📄 কাঁটাভরা পথে সাবধানে চলার উপমা
৮৪৩. সুহাইল ইবনু আবী সালিহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি আবূ হুরায়রা -কে জিজ্ঞেস করে, “তাকওয়া কী?” আবূ হুরায়রা তাকে বলেন, “কখনো কাঁটা-বিছানো-রাস্তায় হেঁটেছ?” লোকটি বলে, “হ্যাঁ।” তিনি তখন বলেন, “তখন পথ চলেছ কীভাবে?” সে উত্তরে বলে, "কাঁটা থেকে দূরে দূরে হেঁটেছি কিংবা নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি।” আবূ হুরায়রা বলেন, “এটাই তাকওয়া।”
📄 নফসের আধিক্যের চেয়ে হালাল-হারাম ঠিক রাখা বেশি জরুরি
৮৪৪. আবদুর রহমান ইবনু মাইসারা আল হাদরামি থেকে বর্ণিত, উমার ইবনু আবদিল আযীয বলেছেন: “দিনে সাওম থাকা এবং রাতে লম্বা সময় সালাত আদায় করা আর এর মধ্যবর্তী সময়ে নিজেকে হালাল-হারام কাজে একাকার করে ফেলার নাম তাকওয়া নয়। বরং তাকওয়া হলো আল্লাহ যা হারাম করেছেন, তা পরিত্যাগ করা। আর তিনি যা আবশ্যক করেছেন, তা আদায় করা। এরপর যদি কাউকে অর্থ-সম্পদ প্রদান করা হয়, তাহলে সেটা তো সোনায়-সোহাগা।”[৫৬১]
টিকাঃ
[৫৬১] ইবনুল জাওযী, সীরাতু উমার ইবনু আবদিল আযীয, ২৩৯。
📄 যুদ্ধকালীন নিরাপত্তা তাকওয়া
৮৪৫. আসিম আল আহওয়াল থেকে বর্ণিত, একবার গৃহযুদ্ধ শুরু হলে তালক ইবনু হাবিব বলেন, “তাকওয়ার মাধ্যমে এ ফিতনা থেকে বেঁচে থাকো।” তখন বকর ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, “যদি সংক্ষেপে একটু তাকওয়ার ব্যাখ্যা করতেন!” তিনি উত্তরে বলেন, "তাকওয়া হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে নূরের ভিত্তিতে তাঁর রহমত পাওয়ার আশায় তাঁর আনুগত্য করে যাওয়া। তাকওয়া হলো আল্লাহর পক্ষ থেকে নূরের ভিত্তিতে আল্লাহর আযাবের ভয়ে গুনাহ ও পাপাচার পরিত্যাগ করা।"
📄 আল্লাহভীরুতার তিন প্রমাণ
৮৪৬. আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক থেকে বর্ণিত, দাউদ একদিন তাঁর ছেলে সুলাইমান-কে বলেন: “তিনটি বিষয় আল্লাহভীরুতার প্রমান বহণ করে: এক. আপতিত বিপদাপদে উত্তমভাবে আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করা। দুই. আল্লাহ তাআলা যা দিয়েছেন, উত্তমভাবে তাতে সন্তুষ্ট থাকা। তিন. অপেক্ষমান বিষয়ে উত্তমরূপে ধৈর্য ধারণ করা।”