📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 বংশীয় নৈকট্যের চেয়েও বড় যে সম্পর্ক

📄 বংশীয় নৈকট্যের চেয়েও বড় যে সম্পর্ক


৮৩৯. আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, নবি বলেছেন:
أَوْلِيَائِي مِنْكُمْ الْمُتَّقُوْنَ وَإِنْ كَانَ نَسَبٌ أَقْرَبُ مِنْ نَسَبٍ
“আল্লাহভীরু ব্যক্তিরাই আমার বন্ধু। যদিও এক বংশের তুলনায় অন্য বংশ অধিক নিকটবর্তী।”

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 প্রতিবার মিশরে তাকওয়ার আলোচনা করা

📄 প্রতিবার মিশরে তাকওয়ার আলোচনা করা


৮৪০. আয়িশা বলেন, “নবি যতবার মিম্বারে উঠেছেন, প্রত্যেক বারই তাঁকে তিলাওয়াত করতে শুনেছি:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا * يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَن يُطِعْ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا
'হে মুমিনগণ, আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের কার্যাবলী সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহাসফল্য অর্জন করবে। [৫৫৭][৫৫৮]

টিকাঃ
[৫৫৭] সূরা আহযাব, ৩৩: ৭১。
[৫৫৮] সুয়ুতি, আদ দুররুল মানসুর, ৬/৬৬৭。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 পূর্বের আসমানি কিতাবে তাকওয়ার গুরুত্ব

📄 পূর্বের আসমানি কিতাবে তাকওয়ার গুরুত্ব


৮৪১. আমর ইবনুল হুসাইন বলেন, “আমার বাবাকে বলতে শুনেছি: ‘তাওরাতে লেখা রয়েছে, আল্লাহকে খোঁজো, তাহলে তাঁকে পেয়ে যাবে। তাঁকে ভয় করো, তাহলে বেঁচে যাবে। কেবল পান করবে, তাহলেই পরিতৃপ্ত হবে। যে ব্যক্তি পরামর্শ করে না, সে লজ্জিত হয়। দারিদ্র্য হলো লাল মৃত্যু।”[৫৫৯]

৮৪২. সালাম ইবনু মিসকিন থেকে বর্ণিত, কাতাদা বলেছেন, "তাওরাতে লেখা রয়েছে: 'হে বনী আদম, আল্লাহকে ভয় করে তুমি যেখানে খুশি, সেখানে ঘুমিয়ে যেতে পারো। কারণ, তখন আল্লাহ তাআলাই তোমার সাথে থাকবেন। সকল বিপদাপদ থেকে রক্ষা করবেন তোমাকে।' এরপর তিনি বলেন:
إِنَّ اللَّهَ مَعَ الَّذِينَ اتَّقَواْ وَالَّذِينَ هُم تُحْسِنُونَ
'নিশ্চয় আল্লাহ তাদের সঙ্গে আছেন, যারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং যারা সৎকর্মপরায়ণ।”[৫৬০]

টিকাঃ
[৫৫৯] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৪/৪৮; (এতে উল্লিখিত বিষয়টির কিয়দাংশ রয়েছে)。
[৫৬০] সূরা নাহল, ১৬: ১২৮。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 কাঁটাভরা পথে সাবধানে চলার উপমা

📄 কাঁটাভরা পথে সাবধানে চলার উপমা


৮৪৩. সুহাইল ইবনু আবী সালিহ তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, এক ব্যক্তি আবূ হুরায়রা -কে জিজ্ঞেস করে, “তাকওয়া কী?” আবূ হুরায়রা তাকে বলেন, “কখনো কাঁটা-বিছানো-রাস্তায় হেঁটেছ?” লোকটি বলে, “হ্যাঁ।” তিনি তখন বলেন, “তখন পথ চলেছ কীভাবে?” সে উত্তরে বলে, "কাঁটা থেকে দূরে দূরে হেঁটেছি কিংবা নিজেকে গুটিয়ে নিয়েছি।” আবূ হুরায়রা বলেন, “এটাই তাকওয়া।”

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00