📄 শিরক পরিহার করা আল্লাহভীতির অংশ
৮৩৮. আনাস ইবনু মালিক বলেন, "আমি নবি-কে তিলাওয়াত করতে শুনেছি:
وَمَا يَذْكُرُونَ إِلَّا أَن يَشَاء اللَّهُ هُوَ أَهْلُ التَّقْوَى وَأَهْلُ الْمَغْفِرَةِ 'আল্লাহর ইচ্ছা ব্যতীত তারা উপদেশ গ্রহণ করবে না। একমাত্র তিনিই ভয়ের যোগ্য এবং ক্ষমার অধিকারী। [৫৫৫]
নবি এরপর বলেন, 'তোমাদের প্রতিপালক বলবেন, আমি হলাম সেই সত্তা, যার সাথে অন্য কাউকে ইলাহ বানানো যায় না। অতএব, যে ব্যক্তি আমার সাথে কাউকে ইলাহ বানানো থেকে বেঁচে থাকবে, সে আমার ক্ষমার উপযুক্ত।”[৫৫৬]
টিকাঃ
[৫৫৫] সূরা মুদ্দাসসির, ৭৪ : ৫৬。
[৫৫৬] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আল মুসনাদ, ৩/ ১৪২, ১৪৩。
📄 বংশীয় নৈকট্যের চেয়েও বড় যে সম্পর্ক
৮৩৯. আবূ হুরায়রা থেকে বর্ণিত, নবি বলেছেন:
أَوْلِيَائِي مِنْكُمْ الْمُتَّقُوْنَ وَإِنْ كَانَ نَسَبٌ أَقْرَبُ مِنْ نَسَبٍ
“আল্লাহভীরু ব্যক্তিরাই আমার বন্ধু। যদিও এক বংশের তুলনায় অন্য বংশ অধিক নিকটবর্তী।”
📄 প্রতিবার মিশরে তাকওয়ার আলোচনা করা
৮৪০. আয়িশা বলেন, “নবি যতবার মিম্বারে উঠেছেন, প্রত্যেক বারই তাঁকে তিলাওয়াত করতে শুনেছি:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اتَّقُوا اللَّهَ وَقُولُوا قَوْلًا سَدِيدًا * يُصْلِحْ لَكُمْ أَعْمَالَكُمْ وَيَغْفِرْ لَكُمْ ذُنُوبَكُمْ وَمَن يُطِعْ اللَّهَ وَرَسُولَهُ فَقَدْ فَازَ فَوْزًا عَظِيمًا
'হে মুমিনগণ, আল্লাহকে ভয় করো এবং সঠিক কথা বলো। তিনি তোমাদের কার্যাবলী সংশোধন করবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করবেন। যে কেউ আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য করে, সে অবশ্যই মহাসফল্য অর্জন করবে। [৫৫৭][৫৫৮]
টিকাঃ
[৫৫৭] সূরা আহযাব, ৩৩: ৭১。
[৫৫৮] সুয়ুতি, আদ দুররুল মানসুর, ৬/৬৬৭。
📄 পূর্বের আসমানি কিতাবে তাকওয়ার গুরুত্ব
৮৪১. আমর ইবনুল হুসাইন বলেন, “আমার বাবাকে বলতে শুনেছি: ‘তাওরাতে লেখা রয়েছে, আল্লাহকে খোঁজো, তাহলে তাঁকে পেয়ে যাবে। তাঁকে ভয় করো, তাহলে বেঁচে যাবে। কেবল পান করবে, তাহলেই পরিতৃপ্ত হবে। যে ব্যক্তি পরামর্শ করে না, সে লজ্জিত হয়। দারিদ্র্য হলো লাল মৃত্যু।”[৫৫৯]
৮৪২. সালাম ইবনু মিসকিন থেকে বর্ণিত, কাতাদা বলেছেন, "তাওরাতে লেখা রয়েছে: 'হে বনী আদম, আল্লাহকে ভয় করে তুমি যেখানে খুশি, সেখানে ঘুমিয়ে যেতে পারো। কারণ, তখন আল্লাহ তাআলাই তোমার সাথে থাকবেন। সকল বিপদাপদ থেকে রক্ষা করবেন তোমাকে।' এরপর তিনি বলেন:
إِنَّ اللَّهَ مَعَ الَّذِينَ اتَّقَواْ وَالَّذِينَ هُم تُحْسِنُونَ
'নিশ্চয় আল্লাহ তাদের সঙ্গে আছেন, যারা তাকওয়া অবলম্বন করে এবং যারা সৎকর্মপরায়ণ।”[৫৬০]
টিকাঃ
[৫৫৯] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৪/৪৮; (এতে উল্লিখিত বিষয়টির কিয়দাংশ রয়েছে)。
[৫৬০] সূরা নাহল, ১৬: ১২৮。