📄 তাকওয়ার কিছু বৈশিষ্ট্য
৮০৫. মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ আল ফাররা থেকে বর্ণিত, আবূ হাফস বলেছেন : "তাকওয়া হলো নিরেট হালাল বিষয়।”
৮০৬. আবুল হুসাইন আল ফারিসি বলেন, “ইবনু আতাকে বলতে শুনেছি : 'তাকওয়ার একটি বাহ্যিক এবং একটি অভ্যন্তরীণ দিক রয়েছে। বাহ্যিক দিক হলো আল্লাহর সীমারেখা অনুসরণ করে চলা। আর অভ্যন্তরীণ দিক হলো বিশুদ্ধ নিয়ত ও ইখলাস。
৮০৭. আবূল হুসাইন আল ফারিসি বলেন, “আমি আবুল হাসান ইবনু আলিকে বলতে শুনেছি: 'তাকওয়ার ওপর তাকওয়া হলো তাকওয়ার ওপর ধৈর্য ধারণ করা। তথা সবসময় তাকওয়ার ওপর বহাল থাকা।”
৮০৮. আবুল হুসাইন আল ফারিসি বলেন, "আমি আবুল হাসান ইবনু আলিকে বলতে শুনেছি : 'তাকওয়া হলো মুত্তাকীদের পর্যবেক্ষক আর ঈমান হলো মুমিনের পর্যবেক্ষক। ইলম হলো আলিমের পর্যবেক্ষক আর ইহসান হলো মুহসিনের পর্যবেক্ষক।”
📄 পরিমাণ নয়, মান বিবেচ্য
৮০৯. আলি ইবনু আবদিল হামীদ গাযায়িরি বলেন, "সিররি সাকতিকে বলতে শুনেছি : 'বিদআত-মিশ্রিত আধিক্যের চেয়ে সুন্নাত-সম্মত সামান্য অর্জনই উত্তম। তাকওয়ার সাথে কৃত আমল যত কমই হোক, ফেলনা নয়।'”[৫৪১]
টিকাঃ
[৫৪১] ইবনু মানযুর, মুখতাসারু তারিখি দিমাশক, ৯/২২১。
📄 তিন প্রকারের জিনিস ও সেসবের করণীয়
৮১০. আলি ইবনু আবদিল হামীদ গাযায়িরি থেকে বর্ণিত, সিররি সাকতি বলেছেন: “তিন ধরনের জিনিস আছে। একটা হলো, যা স্পষ্টত সঠিক। সেটার অনুসরণ করে যাবে। দ্বিতীয়টা হলো, যা স্পষ্টত ভুল। সেটা পরিহার করে চলবে। আর তৃতীয়টা হলো, অস্পষ্ট বিষয়। তা থেকে বিরত থেকো। আল্লাহর ওপর ন্যস্ত করে দিয়ো সেটা। আল্লাহ তাআলাকে পথপ্রদর্শনকারী বানাবে। নিজের দারিদ্র্য তাঁর কাছে ন্যস্ত করলে অন্য সবার থেকে অমুখাপেক্ষী হতে পারবে।”
📄 কম কথা ও অধিক ভাবনা তাকওয়ার অংশ
৮১১. আবূ আবদির রহমান থেকে বর্ণিত, উমার ইবনু আবদিল আযীয বলেছেন: “মুত্তাকী হলো ওই ব্যক্তি, যার মুখে লাগাম পরিয়ে দেওয়া হয়েছে।”[৫৪২]
৮১২. বিশর ইবনুল হারিস বলেন, "উমারকে বলতে শুনেছি: 'মুমিন সকল বিষয়েই প্রথমে চিন্তাভাবনা করে নেয়। কল্যাণকর হলে তা বাস্তবায়ন করে। আর অকল্যাণকর হলে তা থেকে বিরত থাকে।”
৮১৩. বিশর ইবনুল হারিস থেকে বর্ণিত, উমার ইবনু আবদিল আযীয বলেছেন: "মুমিনের মুখে লাগাম পরিয়ে দেওয়া হয়েছে।"
টিকাঃ
[৫৪২] ইবনু সাদ, আত তাবাকাতুল কুবরা, ৫/৩৭৪。