📄 যিকর ও আমলের ভিত্তি
৭৯০. আবূ আবদির রহমান আস সুলামি বলেন, “আমি আবূ উসমান আল মাগরিবিকে বলতে শুনেছি: 'যে ব্যক্তি তাকওয়া এবং জ্ঞানের ওপর আপন প্রাসাদ নির্মাণ করে, তার যিকর-আযকার এবং আমলগুলো নির্মল এবং স্বচ্ছ হয়ে উঠে। আল্লাহভীতি তার মধ্যে এমনভাবে প্রবেশ করে যে, সে বুঝতেও পারে না।”
📄 তাকওয়া লজ্জার নিজের প্রতিই যথেষ্ট
৭৯১. আবূ আবদির রহমান আস সুলামি বলেন, "আবু উসমান আল মাগরিবিকে বলতে শুনেছি: 'তাকওয়া হলো আল্লাহর নির্ধারিত সীমারেখা অনুসরণ করে চলা, এতে কোনোরূপ ত্রুটি না করা এবং সীমালঙ্ঘন না করা। আল্লাহ তাআলা বলেন:
وَمَن يَتَعَدَّ حُدُودَ اللَّهِ فَقَدْ ظَلَمَ نَفْسَهُ
যে ব্যক্তি আল্লাহর নির্ধারিত সীমা লঙ্ঘন করে, সে নিজের ওপরই যুলুম করে।”[৫৩৪][৫৩৫]
টিকাঃ
[৫৩৪] সূরা তালাক, ৬৫: ১。
[৫৩৫] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ৪৮১。
📄 গুনাহ থেকে বিরতকারী উপাদান
৭৯২. আবুল হাসান ইবনু আলি-কে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, "তাকওয়া কাকে বলে?” তিনি উত্তরে বলেছেন, "হারাম কাজ থেকে বিরত থাকা।” তাকে জিজ্ঞেস করা হয় ")ورع( আল্লাহভীরুতা কাকে বলে?” তিনি উত্তরে বলেন, "সন্দেহ-সংশয় থেকে বেঁচে থাকা।” তিনি আরও বলেন, “আল্লাহভীরুতা হলো যা তোমাকে পাপাচারে লিপ্ত হওয়া থেকে বাধা দিয়ে রাখে।”
এক ব্যক্তি তাকে জিজ্ঞেস করেছিল, "তাকওয়া কাকে বলে?” উত্তরে তিনি বলেছিলেন, "তা হচ্ছে ওলিদের অন্তরে আল্লাহ তাআলার একধরনের পর্যবেক্ষণ।”
📄 তাকওয়ার মাধ্যমে ইয়াকীনের উচ্চতর স্তর অর্জন
৭৯৩. আমি তাকে বলতে শুনেছি, “যে ব্যক্তি কুফর এবং নিফাক তথা কপটতা থেকে বেঁচে থাকে, সে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরনের মারিফাত লাভ করে থাকে, যাকে বলা হয় ইলমুল ইয়াকিন। আর যে ব্যক্তি কবীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে, সে আল্লাহর পক্ষ থেকে আরেক ধরনের মারিফাত লাভ করে, যাকে বলা হয় আইনুল ইয়াকিন। আর যে ব্যক্তি সগীরা গুনাহ থেকে বেঁচে থাকে, সে আল্লাহর পক্ষ থেকে এক ধরনের মারিফাত লাভ করে, যাকে বলা হয় হাক্কুল ইয়াকিন।”