📄 ইলম ও তাকওয়া পরিপূরক
৭২৮. ইবরাহীম ইবনু শাইবান বলেন, "আমার পিতা আমাকে বলেছেন : 'বাবা, বাহ্যিক শিষ্টাচারের জন্য জ্ঞান অর্জন করবে। আর অভ্যন্তরীণ শিষ্টাচারের জন্য অবলম্বন করবে আল্লাহভীরুতা। সাবধান, কোনো ব্যস্ততা যেন তোমাকে আল্লাহ থেকে বিমুখ না করে দেয়। এমন মানুষ খুব কমই আছে, যারা আল্লাহর থেকে বিমুখ হয়ে পরে তাঁর নিকট ফিরে এসেছে।”[৪৯৩]
টিকাঃ
[৪৯৩] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ৪০৪。
📄 জিবে দয়া করার মাধ্যমে তাকওয়া অর্জন
৭২৯. ইসহাক বলেন, "বাবাকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, 'আল্লাহভীরুতা অর্জন করব কীভাবে?' তিনি উত্তরে বলেন, 'হালাল খাদ্য গ্রহণ এবং ফকিরদের সেবা করার মাধ্যমে।' জিজ্ঞেস করি, 'ফকির কারা?' তিনি বলেন, 'সৃষ্টির সকলেই ফকির। তাই যে সৃষ্টিরই সেবা করার সুযোগ পাও, সুযোগ হারিয়ো না। খেয়াল রেখো যে, তারাই তোমার ওপর বেশি মর্যাদাবান।” [৪৯৪]
টিকাঃ
[৪৯৪] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ৪০৪, ৪০৫。
📄 শারীয়াত-বহির্ভূত কিছুই তাকওয়া নয়
৭৩০. আবূ আবদির রহমান মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন থেকে বর্ণিত আছে, আবু উসমান আল মাগরিবিকে আবদুল্লাহ আল মুআল্লিম জিজ্ঞেস করেছিলেন, “আল্লাহভীরুতার মূল বিষয় কী?” তিনি উত্তরে বলেন, "তা হলো শারীয়াত; যা ভালো কাজের আদেশ করে এবং অসৎ কাজ থেকে নিষেধ করে। আল্লাহভীরু ব্যক্তি এ শারীয়াতেরই অনুসরণ করে, এর কোনো বিরুদ্ধাচরণ করে না।” [৪৯৫]
টিকাঃ
[৪৯৫] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ৪৮২。
📄 তাকওয়ার চূড়ান্ত স্তর
৭৩১. আবদুল্লাহ ইবনু সিন্ধি থেকে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি ইউনুস ইবনু উবাইদকে জিজ্ঞেস করে, “আপনি কি ইউনুস ইবনু উবাইদ?” তিনি বলেন, “হ্যাঁ।”
লোকটি তখন বলে, "সকল প্রশংসা আল্লাহর, যিনি আমার মৃত্যুর আগেই আপনার সাথে সাক্ষাৎ করালেন।"
"আচ্ছা। কী প্রয়োজনে এসেছেন?"
"আপনাকে একটি বিষয় জিজ্ঞেস করতে এসেছি।”
"বলুন।”
“আল্লাহভীরুতার চূড়ান্ত স্তর কী?”
"চোখের প্রতিটি পলকে অন্তরের হিসাব গ্রহণ করা এবং সকল সন্দেহ-সংশয় থেকে মুক্ত থাকা।”
"তাহলে যুহদের চূড়ান্ত স্তর?”
তিনি বলেন, "আরাম-আয়েশ পরিত্যাগ করা।”