📄 তাকওয়ার শিক্ষা একাই যথেষ্ট
৭২৩. এক ব্যক্তির সূত্রে সুফিয়ান বর্ণনা করেন, যাহহাক বলেছেন: "আমি আমার সঙ্গীদের কেবল আল্লাহভীরুতার শিক্ষা অর্জন করতে দেখেছি।”[৪৯১]
টিকাঃ
[৪৯১] ইবনু আবী শাইবা, আল কিতাবুল মুসান্নাফ, ১৩/৪২৬。
📄 যুহদের প্রথম স্তর তাকওয়া
৭২৪. আহমাদ ইবনু আবীল হাওয়ারি বলেন, "আবূ সুলাইমানকে বলতে শুনেছি: 'আল্লাহভীরুতা হলো দুনিয়াবিমুখতার প্রথম স্তর। যেমনভাবে অল্পে তুষ্টি হলো আল্লাহর ফায়সালায় সন্তুষ্টির একটি অংশ।”
৭২৫. উসমান ইবনু উমারা থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম ইবনু আদহাম বলেছেন: “আল্লাহভীরুতা মানুষকে দুনিয়াবিমুখতা পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। আর দুনিয়াবিমুখতা তাকে আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।”
৭২৬. আবূ উসমান আল হান্নাত বলেন, “আমি যুননুনকে বলতে শুনেছি: 'মুরিদের জন্য আবশ্যক হচ্ছে প্রথমে গোড়া আয়ত্ত করা। এরপর শাখা-প্রশাখার বিষয়গুলো অনুসন্ধান করা। আল্লাহভীরুতা অর্জন না করে কীভাবে সে দুনিয়াবিমুখতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে পারে? বলা হয়, আল্লাহভীরুতা হলো তাওবা করা। আমি এমন বহু মানুষকে দেখেছি, যারা জানেই না আল্লাহর আনুগত্য কী জিনিস। তবুও আবার আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে।”
📄 তাকওয়ার পূর্ণতা
৭২৭. ইবরাহীম ইবনু বাশশার থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম ইবনু আদহামকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, “কীসের মাধ্যমে আল্লাহভীরুতা পূর্ণতা লাভ করে?” তিনি উত্তরে বলেন, “সৃষ্টির সকলেই তোমার অন্তরে সমান হয়ে যাওয়া, নিজের দোষত্রুটির প্রতি নজর দেওয়া, আর অন্যের দোষত্রুটি না দেখা, অনুগত অন্তরে মহান রবের যিকর করা এবং নিজ প্রতিপালক ব্যতীত অন্য কারও থেকে কোনো ধরনের আশা না রাখা।”[৪৯২]
টিকাঃ
[৪৯২] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৮/১৬。
📄 ইলম ও তাকওয়া পরিপূরক
৭২৮. ইবরাহীম ইবনু শাইবান বলেন, "আমার পিতা আমাকে বলেছেন : 'বাবা, বাহ্যিক শিষ্টাচারের জন্য জ্ঞান অর্জন করবে। আর অভ্যন্তরীণ শিষ্টাচারের জন্য অবলম্বন করবে আল্লাহভীরুতা। সাবধান, কোনো ব্যস্ততা যেন তোমাকে আল্লাহ থেকে বিমুখ না করে দেয়। এমন মানুষ খুব কমই আছে, যারা আল্লাহর থেকে বিমুখ হয়ে পরে তাঁর নিকট ফিরে এসেছে।”[৪৯৩]
টিকাঃ
[৪৯৩] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ৪০৪。