📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 ইসলাম-যুহদের ফল তাকওয়া

📄 ইসলাম-যুহদের ফল তাকওয়া


৭১৯. ইবনু তাউস তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন: "ইসলাম যেন এক বৃক্ষের মতো, যার গোড়া হলো শাহাদাত। কাণ্ড হলো এমন (তিনি কোনো একটি বিষয় উল্লেখ করেন) আর তার ফল হলো আল্লাহভীরুতা। যে গাছের ফল নেই, তার কোনো কল্যাণ নেই। যার মধ্যে আল্লাহভীরুতা নেই, সেই ব্যক্তির মধ্যে কল্যাণ নেই।”[৪৮৮]

টিকাঃ
[৪৮৮] আবদুর রাযযাক সানআনি, আল মুসান্নাফ, ১১/১৬১。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 আমলের আধিক্যের চেয়ে তাকওয়ার গুরুত্ব বেশি

📄 আমলের আধিক্যের চেয়ে তাকওয়ার গুরুত্ব বেশি


৭২০. কাতাদা বলেন, "আবদুল্লাহ ইবনু মুতাররিফ বলেছেন: 'এক ধরনের মানুষ অধিক পরিমাণে সালাত-সাওম পালন করে। আরেক ধরনের মানুষ অতটা সালাত-সাওম পালন না করলেও আল্লাহর সাথে তার দূরত্ব বেশি নয়।'[৪৮১] আমি তখন জিজ্ঞেস করি, 'এটা কীভাবে সম্ভব, আবূ জুযি?' তিনি বলেন, 'আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়গুলোর ব্যাপারে অনেক বেশি আল্লাহভীরুতা অবলম্বন করায় এমন হয়।”

৭২১. মালিক থেকে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িবকে বলে, “আবূ মুহাম্মাদ! তারা যে বিষয়গুলো পালন করে, আমরা তো তা পারি না।” তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “কী পালন করে তারা?” লোকটি বলে, "তারা যুহর থেকে আসর পর্যন্ত অব্যাহতভাবে সালাত আদায় করে।” তিনি তখন বলেন, "ইবাদাত তো হলো আল্লাহর বিষয় নিয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা করা এবং দ্বীন পালনে আল্লাহভীরুতা অবলম্বন করা।”

৭২২. জাবির ইবনু আবদিল্লাহ থেকে বর্ণিত আছে, নবি -এর কাছে এক ব্যক্তির বেশি করে ইবাদাত করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। আরেক ব্যক্তির আল্লাহভীরুতার কথা বলা হয়। তখন তিনি বলেন, "তা (অধিক পরিমাণে ইবাদাত) আল্লাহভীরুতার সমকক্ষ হতে পারে না।”[৪৯০]

টিকাঃ
[৪৮৯] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আয যুহদ, ২৪০, ২৪১。
[৪৯০] তিরমিযি, আস সুনান, অধ্যায়: কিয়ামাতের বিবরণ, পরিচ্ছেদ: হাউজের পাত্রসমূহের বর্ণনা。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 তাকওয়ার শিক্ষা একাই যথেষ্ট

📄 তাকওয়ার শিক্ষা একাই যথেষ্ট


৭২৩. এক ব্যক্তির সূত্রে সুফিয়ান বর্ণনা করেন, যাহহাক বলেছেন: "আমি আমার সঙ্গীদের কেবল আল্লাহভীরুতার শিক্ষা অর্জন করতে দেখেছি।”[৪৯১]

টিকাঃ
[৪৯১] ইবনু আবী শাইবা, আল কিতাবুল মুসান্নাফ, ১৩/৪২৬。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 যুহদের প্রথম স্তর তাকওয়া

📄 যুহদের প্রথম স্তর তাকওয়া


৭২৪. আহমাদ ইবনু আবীল হাওয়ারি বলেন, "আবূ সুলাইমানকে বলতে শুনেছি: 'আল্লাহভীরুতা হলো দুনিয়াবিমুখতার প্রথম স্তর। যেমনভাবে অল্পে তুষ্টি হলো আল্লাহর ফায়সালায় সন্তুষ্টির একটি অংশ।”

৭২৫. উসমান ইবনু উমারা থেকে বর্ণিত, ইবরাহীম ইবনু আদহাম বলেছেন: “আল্লাহভীরুতা মানুষকে দুনিয়াবিমুখতা পর্যন্ত পৌঁছে দেয়। আর দুনিয়াবিমুখতা তাকে আল্লাহ তাআলার ভালোবাসা পর্যন্ত পৌঁছে দেয়।”

৭২৬. আবূ উসমান আল হান্নাত বলেন, “আমি যুননুনকে বলতে শুনেছি: 'মুরিদের জন্য আবশ্যক হচ্ছে প্রথমে গোড়া আয়ত্ত করা। এরপর শাখা-প্রশাখার বিষয়গুলো অনুসন্ধান করা। আল্লাহভীরুতা অর্জন না করে কীভাবে সে দুনিয়াবিমুখতা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতে পারে? বলা হয়, আল্লাহভীরুতা হলো তাওবা করা। আমি এমন বহু মানুষকে দেখেছি, যারা জানেই না আল্লাহর আনুগত্য কী জিনিস। তবুও আবার আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে।”

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00