📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 যুহদের পথে চারটি বৈশিষ্ট্য

📄 যুহদের পথে চারটি বৈশিষ্ট্য


৭১৭. আবুল কাসিম বসরি বলেন, “আমি কাত্তানিকে বলতে শুনেছি: 'যারা এই বিরান ভূমিতে প্রবেশ করতে চায়, তাদের জন্য নিজের মধ্যে চারটি বৈশিষ্ট্য ধারণ করা প্রয়োজন। এমন অবস্থা, যা তাকে রক্ষা করবে। এমন জ্ঞান, যা তাকে পরিচালনা করবে। এমন আল্লাহভীতি, যা তাকে পাপাচার থেকে রক্ষা করবে এবং এমন যিকর, যা হবে তার বন্ধু।”

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 ঈমানের চূড়ান্ত স্তর

📄 ঈমানের চূড়ান্ত স্তর


৭১৮. আবূ ওয়ায়িল বলেন, “আমি আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ-কে বলতে শুনেছি: ঈমানের শেষ স্তর হলো আল্লাহভীরুতা। সর্বোত্তম দ্বীন হলো আল্লাহর যিকরের মাধ্যমে সর্বদা উপকৃত হতে থাকা। আল্লাহ তাআলা আসমান থেকে জমিনবাসীর উদ্দেশ্যে যে কিতাব নাযিল করেছেন, তার ওপর সন্তুষ্ট থাকা। তাহলে সে (ইনশাআল্লাহ) জান্নাতে প্রবেশ করবে। আর যে ব্যক্তি সন্দেহাতীতভাবে জান্নাতের প্রত্যাশা করে, সে আল্লাহর বিধিবিধানের ব্যাপারে কোনো নিন্দুকের নিন্দায় ভয় পাবে না।”

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 ইসলাম-যুহদের ফল তাকওয়া

📄 ইসলাম-যুহদের ফল তাকওয়া


৭১৯. ইবনু তাউস তার পিতা থেকে বর্ণনা করেন: "ইসলাম যেন এক বৃক্ষের মতো, যার গোড়া হলো শাহাদাত। কাণ্ড হলো এমন (তিনি কোনো একটি বিষয় উল্লেখ করেন) আর তার ফল হলো আল্লাহভীরুতা। যে গাছের ফল নেই, তার কোনো কল্যাণ নেই। যার মধ্যে আল্লাহভীরুতা নেই, সেই ব্যক্তির মধ্যে কল্যাণ নেই।”[৪৮৮]

টিকাঃ
[৪৮৮] আবদুর রাযযাক সানআনি, আল মুসান্নাফ, ১১/১৬১。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 আমলের আধিক্যের চেয়ে তাকওয়ার গুরুত্ব বেশি

📄 আমলের আধিক্যের চেয়ে তাকওয়ার গুরুত্ব বেশি


৭২০. কাতাদা বলেন, "আবদুল্লাহ ইবনু মুতাররিফ বলেছেন: 'এক ধরনের মানুষ অধিক পরিমাণে সালাত-সাওম পালন করে। আরেক ধরনের মানুষ অতটা সালাত-সাওম পালন না করলেও আল্লাহর সাথে তার দূরত্ব বেশি নয়।'[৪৮১] আমি তখন জিজ্ঞেস করি, 'এটা কীভাবে সম্ভব, আবূ জুযি?' তিনি বলেন, 'আল্লাহর নিষিদ্ধ বিষয়গুলোর ব্যাপারে অনেক বেশি আল্লাহভীরুতা অবলম্বন করায় এমন হয়।”

৭২১. মালিক থেকে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়িবকে বলে, “আবূ মুহাম্মাদ! তারা যে বিষয়গুলো পালন করে, আমরা তো তা পারি না।” তিনি জিজ্ঞেস করলেন, “কী পালন করে তারা?” লোকটি বলে, "তারা যুহর থেকে আসর পর্যন্ত অব্যাহতভাবে সালাত আদায় করে।” তিনি তখন বলেন, "ইবাদাত তো হলো আল্লাহর বিষয় নিয়ে গভীর চিন্তা-ভাবনা করা এবং দ্বীন পালনে আল্লাহভীরুতা অবলম্বন করা।”

৭২২. জাবির ইবনু আবদিল্লাহ থেকে বর্ণিত আছে, নবি -এর কাছে এক ব্যক্তির বেশি করে ইবাদাত করার বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। আরেক ব্যক্তির আল্লাহভীরুতার কথা বলা হয়। তখন তিনি বলেন, "তা (অধিক পরিমাণে ইবাদাত) আল্লাহভীরুতার সমকক্ষ হতে পারে না।”[৪৯০]

টিকাঃ
[৪৮৯] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আয যুহদ, ২৪০, ২৪১。
[৪৯০] তিরমিযি, আস সুনান, অধ্যায়: কিয়ামাতের বিবরণ, পরিচ্ছেদ: হাউজের পাত্রসমূহের বর্ণনা。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00