📄 তিন ধরনের জিহাদ
৬৩৮. হামিদ আল লাফাফ বলেন, "আমি হাতিম আল আসামকে বলতে শুনেছি: 'জিহাদ তিন ধরনের। একটা হলো গোপনে শয়তানের সঙ্গে জিহাদ। তাকে পরাজিত করে দেওয়া পর্যন্ত এ জিহাদ অব্যাহত থাকবে। আরেকটা হলো আল্লাহর বিধি-বিধান আদায়ের জন্য প্রকাশ্যে জিহাদ। আল্লাহ তাআলা যেভাবে নির্দেশ দিয়েছেন, সেভাবে আদায় পর্যন্ত তা চলতে থাকবে। তৃতীয়টা হলোইসলামকেশক্তিশালীকরার জন্যআল্লাহরশত্রুদের বিরুদ্ধে জিহাদ।'” [৪৪৩]
টিকাঃ
[৪৪৩] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, ১/৯৬。
📄 তিন সৌভাগ্যবান
৬৩৯. আবূ উসমান আল হান্নাত বলেন, “যুননুনকে বলতে শুনেছি: 'যে পবিত্রতা অর্জন করে মাসজিদের দরজায় পড়ে রয়েছে, তার জন্য সুসংবাদ। দৌড় প্রতিযোগিতার জন্য যে নিজেকে হালকা করে নিয়েছে, তার জন্য সুসংবাদ। যে গোটা জীবন আল্লাহর আনুগত্য করে গেছে, তার জন্য সুসংবাদ।'”[৪৪৪]
টিকাঃ
[৪৪৪] ইবনু আসাকির, তাহযিবু তারিখি দিমাশক, ৫/২৭৮。
📄 বান্দা তার নিয়ত অনুযায়ী সাহায্য পায়
৬৪০. আবূ উসমান আল হান্নাত বলেন, “আমি যুননুনকে বলতে শুনেছি : 'যে ব্যক্তি নিজেকে সংশোধন করে নেয়, সে প্রশান্তি লাভ করে। যে নৈকট্য অর্জন করতে চায়, সে নিকটবর্তী হয়ে যায়। যে নিজেকে নির্মল রাখতে চায়, পারিপার্শ্বিক অবস্থা তার জন্যে নির্মল হয়ে উঠে। যে ভরসা করে, সে আস্থার ঠিকানা পেয়ে যায়। আর যে ব্যক্তি অর্থহীন কাজের চেষ্টা করে, তার অর্থবহ কাজ নষ্ট হয়ে যায়।”[৪৪৫]
টিকাঃ
[৪৪৫] ইবনু আসাকির, তাহযিবু তারিখি দিমাশক, ৫/২৭৮。
📄 মারিফাত লাভের উপায়
৬৪১. আবু উসমান আল হান্নাত থেকে বর্ণিত, যুননুনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, "আরিফরা কীভাবে মহান আল্লাহ তাআলার পরিচয় পেয়ে যান?” তিনি বলেন: “যদি কেউ আদৌ আল্লাহ তাআলার কোনো পরিচয় পেয়েই থাকে, তাহলে তা পেয়েছে কেবল লোভ-লালসা সংবরণ করার মাধ্যমে। আর ব্যক্তি যে অবস্থায় রয়েছে, তাতে বহাল থাকা এবং আল্লাহ তাআলার পরিচয় লাভের ব্যাপারে নিরাশ না হওয়া। এর পাশাপাশি নিজেদের পক্ষ থেকে প্রাণান্তকর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাওয়া। তবে যারা পরিচয় লাভ করেছে, তারা একমাত্র আল্লাহ তাআলার তাওফিকেই তা লাভ করেছে।”[৪৪৬]
টিকাঃ
[৪৪৬] ইবনু আসাকির, তাহযিবু তারিখি দিমাশক, ৫/২৭৯。