📄 নফস ও দ্বীনের বৈপরীত্য
৬৩২. আবূ আবদির রহমান বলেন, “আমি আমার দাদা আবূ আমরকে বলতে শুনেছি : 'নফস যার কাছে সম্মানিত হয়ে উঠে, দ্বীন-ধর্ম তার কাছে তুচ্ছ হয়ে যায়।” [৪৩৯]
টিকাঃ
[৪৩৯] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ৪৫৫。
📄 শক্তিকে ভালো কাজে লাগানো
৬৪৮. আসমায়ি থেকে বর্ণিত, এক বেদুইন কিছু লোককে নসীহত করে বলছিল: "আল্লাহ তাআলা ওই শক্তিশালী ব্যক্তির প্রতি অনুগ্রহ করুন, যে তার শক্তিকে আল্লাহর আনুগত্যে ব্যয় করেছে। কিন্তু গুনাহের ক্ষেত্রে দুর্বল থেকেছে বলে আল্লাহর অবাধ্যতা করেনি।"
৬৩৩. ইবনু তাউস থেকে বর্ণিত আছে, সুফিয়ান সাওরি তার সঙ্গীদের চারটি বিষয়ের কথা লিখে পাঠাতেন : “আল্লাহর আনুগত্যের ক্ষেত্রে নিজেকে বশীভূত করে ফেলো। আর অবাধ্যতার ক্ষেত্রে নিজেকে অবাধ্য করে তোলো (অর্থাৎ, আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়ো না)। মানুষের তাকওয়া অনুযায়ী তাদের সাথে মেশো। যুহদ তথা দুনিয়াবিমুখতার মাধ্যমে শিক্ষা গ্রহণ করো।”[৪৪০]
টিকাঃ
[৪৪০] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৭/২১。
📄 কাজের ফল নিজেকেই পেতে হয়
৬৩৪. যাইদ ইবনু আসলাম বলেন, "আমর জানতে পেরেছি যে, লুকমান হাকীম তাঁর ছেলেকে বলেছেন: 'বাছা! কোনো কল্যাণকর কাজ করলে তার সুবাস ছড়িয়ে দাও। আর যদি কোনো অকল্যাণকর কাজ করে ফেলো, তাহলে কোনো সন্দেহ রেখো না যে, তোমার প্রতিও অকল্যাণ করা হবে।”
📄 দুষ্ট গোলামের উপমা
৬৩৫. হাসান থেকে বর্ণিত, নবি বলেছেন:
أَرَأَيْتُمْ لَوْ كَانَ لأَحَدِكُمْ عَبْدَانِ فَكَانَ أَحَدُهُمَا يُطِيعُهُ إِذَا أَمَرَهُ وَيُؤَدِّي إِلَيْهِ إِذَا اثْتَمَنَهُ وَيَنْصَحُ لَهُ إِذَا غَابَ عَنْهُ ، وَكَانَ الْآخَرُ يَغْضَبُ إِذَا أَمَرَهُ, وَيَخُونُهُ إِذَا اشْتَمَنَهُ, وَيَغُشُهُ إِذَا غَابَ عَنْهُ كَانَا عِنْدَهُ سَوَاءٌ ؟ قَالُوا : لَا ، قَالَ : فَكَذَلِكَ أَنْتُمْ عِنْدَ اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ
"আচ্ছা ধরো, কারো দুটি গোলাম আছে। একজন মনিবের নির্দেশ পালন করে, তার কাছে আমানত রাখলে তা আদায় করে, মনিবের অনুপস্থিতিতে তার বিষয়াদি দেখাশোনা করে। আর অপরজনকে কোনো আদেশ দিলে রেগে যায়, আমানত রাখলে খিয়ানত করে, মনিব কোথাও চলে গেলে তাকে ধোঁকা দেয়। মনিবের কাছে কি তারা উভয়ে সমান হতে পারে?” সাহাবায়ে কেরাম বললেন, “জ্বি না।” নবি তখন বলেন, “তেমনিভাবে আল্লাহর কাছে তোমাদের অবস্থাও এমন।”[৪৪১]
টিকাঃ
[৪৪১] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আল মুসনাদ, ৪/১৩৬; হাদীসটির আরও শাহিদ রয়েছে। সনদ সহীহ。