📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 মানুষের দ্বিমুখীতার স্বরূপ

📄 মানুষের দ্বিমুখীতার স্বরূপ


৬০৮. খুলাইদ বিন দালাজ থেকে বর্ণিত, কাতাদা বলেছেন: “তাওরাতে লেখা রয়েছে, 'হে বনী আদম, আমি তোমাকে রিযক দিই, অথচ তুমি অন্যের দাসত্ব করো। হে বনী আদম, তুমি পাপিষ্ঠদের মতো কাজ করে পুণ্যবানদের সাওয়াব প্রত্যাশা করো? হে বনী আদম, তুমি ঝোপঝাড় থেকে আঙুর সংগ্রহ করতে যাও! যেমন করবে, তেমন ফল পাবে। যেমন ফসল ফলাবে, তেমন ফসলই তোমাকে কাটতে হবে। হে বনী আদম, তুমি যখন আল্লাহর বান্দাদের প্রতি রহম করো না, তখন কীভাবে আল্লাহর রহমতের আশা করতে পারো? হে বনী আদম, তুমি আমার থেকে পলায়ন করা সত্ত্বেও আমার নিকট মিনতি জানাও?”[৪১৯]

টিকাঃ
[৪১৯] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আয যুহদ, ১০৬ - এ এর কিয়দংশ রয়েছে।

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 দুনিয়াতে সত্যিকারের কল্যাণ

📄 দুনিয়াতে সত্যিকারের কল্যাণ


৬০৯. সাদ বিন তুরাইফ থেকে বর্ণিত, আলি বলেছেন: “অর্থ-সম্পদ এবং সন্তান-সন্ততির পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়াটা কল্যাণকর নয়; বরং কল্যাণ হলো আমলের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়া, সহনশীলতা অধিক হওয়া, অতি দ্রুত নিজ প্রতিপালকের ইবাদাতে মগ্ন হওয়া। দুনিয়াতে কেবল দুই ব্যক্তির জন্যই কল্যাণ রয়েছে: এক ব্যক্তি হলো, যে বহু গুনাহ ও পাপাচার করেছে, এরপর তাওবা করে গুনাহের প্রায়শ্চিত্ত করে নিয়েছে। আরেক ব্যক্তি হলো, তাওবা করার পরপরই যার মৃত্যু হয়ে গেছে।”

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 আমলের ফল দুনিয়াতেও মেলে

📄 আমলের ফল দুনিয়াতেও মেলে


৬১০. বিলাল ইবনু আবীদ দারদা থেকে বর্ণিত, আবৃদ দারদা বলেছেন: “যা কিছু দেখে আশ্চর্যান্বিত হও, তা তোমাদেরই আমলের ফল। যদি তোমাদের আমল ভালো হয়, তাহলে তো বেশ, বেশ! আর যদি আমল মন্দ হয়, তাহলে আফসোস আর আফসোস। আমি নবি ﷺ থেকে এমনটিই শুনেছি।”[৪২০]

৬১১. আবূ কিলাবা থেকে বর্ণিত, নবি ﷺ বলেছেন :
البر لا يبلى، والإثم لا يُنسى ، والدَّيَانُ لا ينام، فكن كما شِئْتَ، كما تَدِينُ تدان
"পূণ্যময় কাজ কখনো পুরাতন হয় না। পাপাচারের কথা কখনো ভুলা হয় না। মহান বিচারক আল্লাহ তাআলা ঘুমান না। অতএব, তোমার যেমন ইচ্ছা তেমন হতে পারো। যেমন করবে, তেমন ফল পাবে।”[৪২১]

টিকাঃ
[৪২০] নুরুদ্দিন হাইসামি, মাজমাউয যাওয়ায়িদ, ১০/ ২৩১; এটা কেবল এই সূত্রেই বর্ণিত হয়েছে। এর মতন গরিব। কেবল উকাইলি এটা বর্ণনা করেছেন।
[৪২১] আবদুর রাযযাক সানআনি, আল মুসান্নাফ, ১১/ ১৭৮, ১৭৯; এর সনদ মুরসাল ও মুনকাতি।

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 মানুষের নিজের বেছে নেওয়া গুরুত্বার

📄 মানুষের নিজের বেছে নেওয়া গুরুত্বার


৬১২. আল্লাহ তাআলার বাণী:
إِنَّا عَرَضْنَا الْأَمَانَةَ عَلَى السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَالْجِبَالِ فَأَبَيْنَ أَن يَحْمِلْنَهَا وَأَشْفَقْنَ مِنْهَا
"আমি আসমান, জমিন ও পর্বতমালার প্রতি এই আমানত পেশ করেছিলাম, এরা একে বহন করতে অস্বীকার করল এবং ভীত হলো।”[৪২২]
আতিয়্যা থেকে বর্ণিত, আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু এই আয়াতের ব্যাখ্যায় বলেন, "আসমান, জমিন এবং পাহাড়কে আল্লাহর আনুগত্য করার এবং তাঁর অবাধ্যতার সুযোগ দেওয়া হয়েছিল। তারা এই দায়িত্ব নিতে রাজি তো হয়ইনি, উলটো ভয় পেয়ে গেছে। পরে তা আদম আলাইহিস সালাম -এর সামনে পেশ করে বলা হয়েছে, 'আপনি কি এই বিষয়টি নেবেন?' তিনি বলেন, 'কী এটা?'
তাঁকে বলা হলো, 'যদি ভালো কাজ করেন, তাহলে প্রতিদান পাবেন আর মন্দ কাজ করলে শাস্তি দেওয়া হবে।' তিনি বলেন, 'হ্যাঁ, নিব।”

টিকাঃ
[৪২২] সূরা আহযাব, ৩৩: ৭২।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00