📄 কুশল বিনিময়ে মৃত্যুর স্মরণ
৫২৪. ইমরান ইবনু খালিদ আল খুযায়ি বলেন, "হাসসান ইবনু আবী সিনান এবং হাওশাবকে একবার সাক্ষাৎ করতে দেখেছিলাম। হাওশাব তখন হাসসানকে বলেছিলেন, 'কী অবস্থা, আবূ আব্দিল্লাহ?' তিনি উত্তরে বলেছিলেন, 'যে একসময় মারা যাবে, এরপর তাকে পুনরুজ্জীবিত করে তার হিসাব নেওয়া হবে, তার অবস্থা আর কেমন হবে!”
৫২৫. ইমরান ইবনু খালিদ আল খুযায়ি বলেন, "আমি হাসসান ইবনু আবী সিনান এবং হাওশাবকে একবার সাক্ষাৎ করতে দেখেছিলাম। হাওশাব তখন হাসসানকে বলেন, 'আজকের সকালটা কেমন লাগল, আবূ আব্দিল্লাহ?' তিনি বলেন, 'আমি এমন অবস্থায় সকাল অতিবাহিত করেছি, যখন মৃত্যু ছিল নিকটবর্তী, স্বপ্নগুলো ছিল দূরবর্তী আর আমলের অবস্থা ছিল খারাপ.”
৫২৬. হিশাম ইবনু হাসসান থেকে বর্ণিত, আবূ দুরাইস উমারা ইবনু হারবকে বলা হয়েছিল, “সকালটা কেমন কাটল, আবূ দুরাইস?” তিনি উত্তরে বলেন, "যদি জাহান্নাম থেকে মুক্তি পেয়ে যাই, তাহলেই আমি সফল.”
৫২৭. আযরাক বলেন, "হাসানকে জিজ্ঞেস করলাম, 'সকালটা কেমন কাটল, আবূ সাঈদ? আপনার অবস্থা কেমন?' তিনি উত্তরে বলেন, 'অনেক করুণ। যে মৃত্যুর অপেক্ষা করে সকাল-সন্ধ্যা অতিবাহিত করে, তার অবস্থা আর কেমন হবে! সে জানে না, আল্লাহ তাআলা তার সাথে কী আচরণ করবেন.'”
৫২৮. আবূ ইয়াসুফ আল কারি বলেন, "ইয়াহইয়া ইবনু মুয়াযকে বলতে শুনেছি : 'দুনিয়া হলো ব্যস্ততার ঘর আর পরকাল হলো ভীতিকর। মানুষ এ ব্যস্ততা আর ভয়ভীতির মধ্যে দিয়েই একসময় জান্নাতে কিংবা জাহান্নামে গিয়ে চিরস্থায়ী কোনো ঠিকানা লাভ করবে.”
৫২৯. সালিম ইবনু বশির থেকে বর্ণিত আছে, আবূ হুরায়রা মৃত্যুশয্যায় কাঁদছিলেন। কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, "আমার পথ অনেক লম্বা, কিন্তু পাথেয় অনেক কম। একেকটা দিন এমনভাবে কাটিয়েছি যে, আমার সামনে ছিল ওপরে উঠার এবং নিচে নামার সিঁড়ি। একটি দিয়ে জান্নাতে যাওয়া যায়, আরেকটি জাহান্নামে নিক্ষেপ করে। জানি না, আমাকে কোন সিঁড়ি দিয়ে চলতে হবে.”
৫৩০. উমার ইবনু জর থেকে বর্ণিত, রবী ইবনু খাইসামকে জিজ্ঞেস করা হয়, "দিনকাল কেমন যায়, আবূ ইয়াযিদ?” তিনি উত্তরে বলেন, “অত্যন্ত দুর্বল এবং পাপিষ্ঠ অবস্থায়। আল্লাহ আমাদের জন্য যে রিযক বরাদ্দ রেখেছেন, তা খাচ্ছি আর মৃত্যুর অপেক্ষা করছি.”
৫৩১. মুফাজ্জল ইবনু ইউনুস থেকে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি উমার ইবনু আবদিল আযীযকে জিজ্ঞেস করেন, "আমিরুল মুমিনীন, দিনকাল কেমন কাটে?” তিনি বলেন, “মন্থর-গতি সম্পন্ন অতিভোজী এবং পাপাচারে মাখামাখি অবস্থায়। আল্লাহর কাছে এখন মৃত্যু কামনা করছি.”
৫৩২. জাফর ইবনু সুলাইমান বলেন, “ইবরাহীম ইবনু ঈসা ইয়াশকুরিকে বলতে শুনেছি, একবার তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, 'দিনটা কেমন কাটল?' তিনি উত্তরে বলেন, 'এমন অবস্থায়-যখন আমার বয়স কমে যাচ্ছিল, যা আমল করছি তা সংরক্ষিত হয়ে যাচ্ছিল, মৃত্যু ছিল আমার ঘাড়ের ওপর। কিয়ামাত ছিল আমার পেছনে। জানিও না যে, আল্লাহ তাআলা আমার সাথে কেমন আচরণ করবেন."
৫৩৩. মুযানি বলেন, “ইমাম শাফিয়ি অসুস্থ হয়ে পড়লে আমি তাঁকে দেখতে যাই। তাঁকে জিজ্ঞেস করি, 'দিনটা কেমন যাচ্ছে, আবূ আব্দিল্লাহ?' তিনি বলেন, 'দুনিয়া থেকে বিদায় নেওয়া, বন্ধু-বান্ধবদের থেকে বিচ্ছিন্ন হওয়া, মন্দ কর্মের কারণে শাস্তির সম্মুখীন হওয়া, আল্লাহর নিকট উপনীত হওয়া এবং মৃত্যুর পেয়ালা পানরত অবস্থায়। আল্লাহর কসম, জানি না আমার আত্মা কি জান্নাতে গিয়ে অভিবাদন পাবে, নাকি জাহান্নামে। আর এ কারণে এখন আমাকেও তাকে সমবেদনা জানাতে হবে!'”
৫৩৪. হিশাম বলেন, "মুহাম্মাদ ইবনু ওয়াসির সাথে সাক্ষাৎ হলে তাকে বলি, 'সকাল কেমন গেল?' তিনি বলেন, 'এমন অবস্থায়, যখন আমার আমল ছিল মন্দ, মৃত্যু ছিল নিকটবর্তী আর স্বপ্ন ও আকাঙ্ক্ষা ছিল দূরবর্তী.”
৫৩৫. উতবি থেকে বর্ণিত, আবূ তামিমা আল হুজাইমিকে জিজ্ঞেস করা হয়, "দিন কেমন কাটল?” তিনি বলেন, "দুটি নিয়ামাতের মধ্য দিয়ে। প্রথমত, আমার গুনাহ আল্লাহ তাআলা গোপন রেখেছেন। দ্বিতীয়ত, আমার আমলের কথা যারা জেনেছে, তারা আমার প্রশংসা করেছে.”
৫৩৬. উকবা আল আসাম বলেন, "আমরা আবূ তামিমা আল হুজাইমির কাছে ছিলাম। তখন বকর ইবনু আবদিল্লাহ এসে তাকে জিজ্ঞেস করে, 'দিন কেমন কাটল, আবূ তামিমা?' তিনি বলেন, দুটি নিয়ামাতের মধ্যে। আমি জানি না, সে দুটির কোনটি বেশি উত্তম। একটা হলো, আল্লাহ তাআলা আমার গুনাহ ঢেকে রেখেছেন। ফলে এখন কেউ আমাকে সে গুনাহের কারণে অপবাদ দিতে পারবে না। অপরটি হলো, যাদের কাছে আমার আমলের সংবাদ পৌঁছেছে, তাদের অন্তরে আল্লাহ তাআলা আমার প্রতি ভালোবাসা এবং সম্মান তৈরি করে দিয়েছেন."
৫৩৭. যাহহাক ইবনু মুযাহিম থেকে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ বলেছেন: "আজ সকালেই এমন অবস্থায় ঘুম থেকে উঠেছে, যখন সে ছিল মেহমান এবং তার অর্থ- সম্পদ হলো ঋণ। এই মেহমানকে অবশ্যই বিদায় নিতে হবে আর ঋণগুলোও পরিশোধ করে দিতে হবে.”
টিকাঃ
[৩৬৪] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আয যুহদ, ২৬২。
[৩৬৫] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, ১১০。
[৩৬৬] ইবনু সাদ, আত তাবাকাতুল কুবরা, ৪/৩৩৯。
[৩৬৭] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ২/১০৯。
[৩৬৮] আল মারিফাতু ওয়াত তারিখ, ৫৮৫。
[৩৬৯] আল মুসান্নাফ ফি মানাকিবিশ শাফিয়ি, ২/২৯৩, ২৯৪。
[৩৭০] ইবনু আবী শাইবা, আল কিতাবুল মুসান্নাফ, ১৩/২২৯。
📄 পরকালের প্রস্তুতিতে দেরি না করা
৫৩৮. ইবরাহীম ইবনু বাশশার বলেন, "আমি ইবরাহীম ইবনু আদহামের সাথে এক মরুভূমিতে পথ চলছিলাম। হাঁটতে হাঁটতে একটি উঁচু কবরের সামনে এসে দাঁড়াই আমরা। ইবরাহীম ইবনু আদহাম তখন কবরে শায়িত ব্যক্তিটির জন্য রহমতের দুআ করতে থাকেন। আমি তাকে জিজ্ঞেস করি, 'এটি কার কবর?' তিনি বলেন, 'হুমাইদ ইবনু জাবিরের। এই পুরো অঞ্চলের আমির ছিলেন তিনি। একবার তিনি সমুদ্র-ঝড়ের শিকার হয়েছিলেন। আল্লাহ তাআলা তাকে রক্ষা করেছেন। আমি জানতে পেরেছি, তিনি নিজ রাজত্ব ও ক্ষমতার কারণে আনন্দিত হয়ে উঠেছিলেন একদিন। রাজত্বের ধোঁকায় পড়ে গিয়েছিলেন। সেই মজলিসেই তিনি পরিবারের এক ঘনিষ্ঠ ব্যক্তিকে নিয়ে ঘুমিয়ে যান। স্বপ্নে দেখতে পান, তার মাথার কাছে কিতাব হাতে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে আছে। লোকটি সেই কিতাবটি তাকে দেয়। তিনি তা খুলে দেখতে থাকেন। সেখানে এক জায়গায় স্বর্ণাক্ষরে লেখা দেখতে পান : ধ্বংসশীলকে তুমি চিরস্থায়ী বিষয়ের ওপর প্রাধান্য দিয়ো না। তোমার রাজত্ব, ক্ষমতা, গোলাম-বাঁদি ও ভোগবিলাসের মাধ্যমে প্রতারিত হোয়ো না। যে দায়িত্ব পালন করছ, তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু জেনে রাখো, তোমার রাজত্ব একদিন শেষ হয়ে যাবে। এই আনন্দ ও ভোগ বিলাসের কারণে আগামীকাল তোমাকে বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। তাই আল্লাহর প্রতি দ্রুত ধাবমান হও। তিনি বলেছেন:
وَسَارِعُوا إِلَى مَغْفِرَةٍ مِّن رَّبِّكُمْ وَجَنَّةٍ عَرْضُهَا السَّمَاوَاتُ وَالْأَرْضُ أُعِدَّتْ لِلْمُتَّقِينَ
'ধাবমান হও তোমাদের পালনকর্তার ক্ষমার দিকে এবং সেই জান্নাতের দিকে, যার বিস্তৃতি আসমান ও জমিনের ন্যায়, যা তৈরি করা হয়েছে মুত্তাকীদের জন্য.
এই স্বপ্ন দেখার সাথে সাথে তার ঘুম ভেঙ্গে যায়। তিনি ভীতসন্ত্রস্ত হয়ে উঠে বলেন, এর মাধ্যমে আল্লাহর পক্ষ থেকে আমাকে সতর্ক করা হয়েছে। উপদেশ দেওয়া হয়েছে আমাকে। এরপর তিনি রাজত্ব ছেড়ে এই পাহাড়ের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেছিলেন। মৃত্যু পর্যন্ত তিনি এখানেই ইবাদাত করে যান.'”
৫৩৯. ইবরাহীম ইবনু বাশশার বলেন, "আমি ইবরাহীম ইবনু আদহামকে বলতে শুনেছি : 'ভাইয়েরা! কল্যাণমূলক কাজের প্রতি দ্রুত অগ্রসর হোন। সে জন্য চেষ্টা-প্রচেষ্টা করুন। প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হোন। পায়ের একটা জুতা হারিয়ে গেলে অন্যটাও অতি দ্রুত একই পরিণতি বরণ করে.”
৫৪০. ইবরাহীম ইবনু বাশশার বলেন, "ইবরাহীম ইবনু আদহামকে বলতে শুনেছি : 'তোমাকে যে পরিণতি বরণ করতে হবে, ভালোভাবে তার কথা স্মরণ করো। জীবনের যতটুকু অংশ অতিবাহিত হয়ে গেছে, তার ওপর আস্থা রাখা যায় কি না, তার মাধ্যমে তোমার প্রতিপালকের শাস্তি থেকে মুক্তি পাওয়া যায় কি না, ভেবে দেখো। এভাবে চিন্তা করতে থাকলে মুক্তির প্রকৃত উপায় নিয়েই তোমার অন্তর ব্যতিব্যস্ত থাকবে। যারা নিশ্চিন্ত হয়ে আছে, হেলায়-ফেলায় সময় কাটিয়ে দিচ্ছে, প্রবৃত্তির পেছনে ছুটে ধ্বংসের আস্তাকুঁড়ে নিক্ষিপ্ত হচ্ছে, তাদের থেকে তোমার মন বিমুখ হয়ে যাবে। সন্দেহ নেই, অচিরেই তারা জানতে পারবে। শীঘ্রই তারা প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে এবং অতীতের জন্য আফসোস করতে থাকবে.' এরপর তিনি তিলাওয়াত করেন:
وَسَيَعْلَمُ الَّذِينَ ظَلَمُوا أَيَّ مُنقَلَبٍ يَنقَلِبُونَ
'যালিমরা শীঘ্রই জানতে পারবে কোন জায়গায় তারা ফিরবে.
টিকাঃ
[৩৭১] সূরা ইমরান, ৩: ১৩৩。
[৩৭২] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৮/৩৩。
[৩৭৩] সূরা শুআরা, ২৬: ২২৭。
[৩৭৪] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৮/১৮。
📄 নিঃশেষে দান
৫৪১. ইবরাহীম ইবনু বাশশার বলেন, "আমি একবার ইবরাহীম ইবনু আদহামের সাথে ত্রিপোলি (লিবিয়ার রাজধানীতে) যাই। আমাদের সাথে ছিল কেবল দুটি রুটি। আর কিছুই না। এরইমধ্যে এক ভিক্ষুক এলে ইবরাহীম বলেন, 'সাথে যা আছে, তা-ই দিয়ে দাও.' তার কথা শুনে হতভম্ব হয়ে যাই। তিনি বলেন, 'কী হলো, দাও!' আমি তখন দুটি রুটিই তাকে দিয়ে দিই। ইবরাহীমের কাণ্ড দেখে তখনো আমার আশ্চর্যের ঘোর কাটেনি। তখন তিনি বলেন, 'শোনো, আবূ ইসহাক! কিয়ামাতের দিন তুমি এমন এক ভয়াবহ অবস্থার সম্মুখীন হবে, কস্মিনকালেও যা দেখোনি। জেনে রাখো, যা আগে পাঠিয়ে দেবে, সেগুলোই সেখানে দেখতে পাবে। আর যা রেখে যাচ্ছ, তার কিছুই সেখানে পাবে না। তাই সবসময় নিজেকে প্রস্তুত রাখো। তোমার প্রতিপালকের মৃত্যুর নির্দেশ কখন হঠাৎ করে এসে পড়ে, তা তো জানো না.' তার এই কথাগুলো আমাকে কাঁদিয়ে দেয়। দুনিয়া আমার কাছে তুচ্ছ বনে যায় তখন। তিনি আমাকে কাঁদতে দেখে বলেন, 'হ্যাঁ, এভাবেই জীবন যাপন করবে.'”
টিকাঃ
[৩৭৫] ইবনুল জাওযী, সিফাতুস সাফওয়া, ৪/১৩。
📄 মৃত্যুর স্মরণে লোকের হৃদয় গলে
৫৪২. ইবরাহীম ইবনু বাশশার বলেন, “আমি ইবরাহীম ইবনু আদহামকে বলতে শুনেছি : 'আবদুল্লাহ ইবনু উমার একবার সমবেত কিছু মানুষের পাশ দিয়ে যান। এসময় তার গায়ে ছিল সুন্দর এক চাদর। তখন এক লোক বাজি ধরে, 'যদি আমি তার চাদর ছিনিয়ে আনতে পারি, তাহলে আমাকে কী দেবে?' তারা তাকে কিছু দেওয়ার অঙ্গীকার করলে লোকটা আবদুল্লাহ ইবনু উমার -এর কাছে এসে বলে, 'আবূ আবদির রহমান! আপনার গায়ের চাদরটা তো আমার.'
আবদুল্লাহ ইবনু উমার বলেন, 'আরে, আমি তো এটা গতকালই কিনলাম.'
'আপনার জন্য এই পোশাকটা পরা ঠিক হবে না.'
আবদুল্লাহ ইবনু উমার তখন তাকে দিয়ে দেওয়ার জন্য চাদরটা খুলে ফেলেন। এই চিত্র দেখে লোকেরা হাসাহাসি শুরু করে দেয়। আবদুল্লাহ ইবনু উমার বলেন, 'কী হলো?'
তারা বলে, 'যে লোকটা আপনার চাদরটা দাবি করেছে, সে একটা অকর্মা.' আবদুল্লাহ ইবনু উমার তখন তাকে লক্ষ্য করে বলেন, 'ভাই, মৃত্যু যে তোমার সামনেই অপেক্ষা করছে, জানো না? তা সকালে আসে না কি বিকালে, রাতে আসে না কি দিনে, তার কিছুই তোমার জানা নেই। এরপর তোমার সামনে রয়েছে কবর এবং তার বিভীষিকাময় অবস্থা। রয়েছে মুনকার নাকীরের প্রশ্নোত্তর। এরপর রয়েছে কিয়ামাত দিবস। যাতে সকল অপরাধীদের জমায়েত করা হবে.' আবদুল্লাহ ইবনু উমার-এর এই কথায় প্রভাবিত হয়ে তারা সকলেই কাঁদতে থাকে। তাদের এই অবস্থাতেই রেখে চলে আসেন তিনি."