📄 অভাব ও সচ্ছলতার সময় মৃত্যুর কথা স্মরণ
৫১৩. আসমা ইবনু উবাইদ থেকে বর্ণিত আছে, আনবাসা একবার উমার ইবনু আবদিল আযীয-এর কাছে গিয়ে বলেন, “আমিরুল মুমিনীন! আপনার আগের শাসকগণ আমাদের বিভিন্ন ভাতা দিতেন, কিন্তু আপনি তা দেওয়া বন্ধ করে দিয়েছেন। আমার তো পরিবার-পরিজন রয়েছে। ক্ষেত-খামার আছে। আমি আমার ক্ষেত-খামার এবং পরিবার-পরিজন দেখাশোনা করতে চাচ্ছিলাম.” উমার ইবনু আবদিল আযীয তখন বলেন, “যে ব্যক্তি এভাবে পরিশ্রম করে নিজের পরিবার-পরিজনের জন্য উপার্জন করে, সে-ই আমার কাছে সবচেয়ে প্রিয়.”
বর্ণনাকারী বলেন, "এরপর তিনি খিলাফাতের দায়িত্ব গ্রহণ করে বলেন, 'খালিদ! খালিদ! বেশি করে মৃত্যুর কথা স্মরণ করো। কারণ, জীবিকার সংকটে থাকা অবস্থায় মৃত্যুর কথা স্মরণ করলে তা তোমার জীবিকাকে প্রশস্ত করে দেবে। আর জীবন-জীবিকা নিয়ে স্বাচ্ছন্দ্যে থাকা অবস্থায় মৃত্যুর কথা স্মরণ করলে তা অবশ্যই তোমার অবস্থা সংকুচিত করে ফেলবে.”
টিকাঃ
[৩৫৮] আল মারিফাতু ওয়াত তারিখ, ১/৫৭৬, ৬১৩, ৬১৪。
📄 দুনিয়া অপমানিত
৫১৪. মুবারক ইবনু ফাজালা থেকে বর্ণিত, হাসান বলেছেন: “মৃত্যু দুনিয়াকে অপমান করে ছেড়েছে। বুদ্ধিমানের জন্য আনন্দিত হওয়ার কোনো সুযোগ রাখেনি সে। আফসোস! মৃত্যু কত বড় উপদেশবাণী, যদি মানুষের অন্তরগুলোর জীবন থাকত, তাহলে তারা বুঝতে পারত.
টিকাঃ
[৩৫৯] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আয যুহদ, ২৫৮。
📄 বিলাসিতা ধ্বংসকারী মৃত্যু
৫১৫. সাবিত থেকে বর্ণিত, মুতাররিফ বলেছেন: “মৃত্যু বিলাসীদের বিলাসিতা শেষ করে দিয়েছে। তাই এখন তারা এমন বিলাসিতা সন্ধান করছে, যেখানে কোনো মৃত্যু থাকবে না.”
টিকাঃ
[৩৬০] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ২/২০৪。
📄 মানুষের একাকিত্ব
৫১৬. একই সূত্রে বর্ণিত হয়েছে, তিনি বলেন, “আমি সাবিতকে বলতে শুনেছি: 'যেই বান্দাকে মৃত্যুর ফেরেশতার মুখোমুখি হতে হয় একা, কবরে প্রবেশ করতে হয় একা, আল্লাহর সামনে দাঁড়াতে হয় একা, তার কতই না দুর্দশা! অথচ তার কাঁধে রয়েছে গুনাহের বিশাল বোঝা এবং আল্লাহর বহু নিয়ামাত ভোগ করার দায়.”