📄 দুনিয়ার ধোঁকাবাজি ও কুরআনের সমাধান
৫০৬. জাবির ইবনু আওন আসাদি থেকে বর্ণিত, সুলায়মান ইবনু আবদিল মালিক সর্বপ্রথম যে ভাষণটি বলেছিলেন, তা হলো:
"সকল প্রশংসা আল্লাহ তাআলার জন্য। যিনি যা ইচ্ছা তা-ই করেন। যা ইচ্ছা তা রহিত করেন। যা ইচ্ছা তা বাস্তবায়ন করেন। যা ইচ্ছা দান করেন। যা ইচ্ছা তা (বান্দার থেকে) আটকে দেন। দুনিয়া আসলেই ধোঁকার ঘর এবং মিথ্যা ঠিকানা। এর সৌন্দর্যগুলো ধ্বংসশীল। সে ক্রন্দনকারীকে হাসায়। হাস্যরতকে কাঁদায়। টেনশনমুক্ত মানুষকে ভয় পাইয়ে দেয়। ভীতকে টেনশনমুক্ত করে দেয়। সম্পদশালীকে গরিব বানিয়ে দেয়। গরিবকে সম্পদশালী করে তোলে। সে তার অধিবাসীদের নিয়ে হেলাখেলা করে। হে আল্লাহর বান্দারা, আল্লাহর কিতাবকে পথপ্রদর্শনকারী হিসেবে গ্রহণ করো। একে নিজেদের বিচারক মেনে নাও। একেই তোমাদের পথপ্রদর্শনকারী বানাও। কারণ, এটা পূর্ববর্তী সকল কিছুকে রহিত করে দিয়েছে। কোনো কিতাবই একে রহিত করতে পারবে না। আল্লাহর বান্দারা, জেনে রাখো, এই কুরআন শয়তানের চক্রান্তকে সুস্পষ্ট করে দিয়েছে। তার সকল দল এবং শ্রেণির বিষয়টি বর্ণনা করে দিয়েছে। কুরআন তা এমনভাবে স্পষ্ট করে তুলেছে, যেভাবে রাতের পর প্রভাতের আগমনে সকাল আলোকিত হয়ে উঠে.”
📄 কান্না ও দুশ্চিন্তার গুরুত্ব
৫০৭. হিশাম ইবনু হাসান বলেন, “আমি হাসানকে বলতে শুনেছি: 'মৃত্যু যার প্রতিশ্রুত বিষয়, কবর যার ঠিকানা, হিসাব-নিকাশ যার উপস্থিতস্থল, অবশ্যই তার উচিত কান্না করা এবং তার দুশ্চিন্তা দীর্ঘায়িত হওয়া.”
📄 পার্থিব জীবনে যা কিছু যথেষ্ট
৫০৮. আবদুল্লাহ আবী মুহাম্মাদ খুরাসানি বলেন, "ফুযাইল ইবনু ইয়াযকে বলতে শুনেছি : 'ভালোবাসার পাত্র হিসেবে আল্লাহ তাআলাই যথেষ্ট। বন্ধু হিসেবে কুরআনই যথেষ্ট। উপদেশ প্রদানকারী হিসেবে মৃত্যুই যথেষ্ট। জ্ঞান হিসেবে আল্লাহ তাআলার ভয় এবং মূর্খতা হিসেবে আল্লাহর ব্যাপারে প্রতারণার শিকার হওয়াটাই যথেষ্ট.”
টিকাঃ
[৩৫৪] খাত্তাবি, আল আযলা, ২৪。
📄 মৃত্যুর প্রথম ঘাঁটির ভয়াবহতা
৫০৯. আবুল মুনযির থেকে বর্ণিত, হাসান বাসরি একবার এক মৃত ব্যক্তিকে দাফন দেয়ার দৃশ্য দেখে বলেন, “আল্লাহর কসম! প্রথম ঘাঁটিই যখন এমন, তখন তো শেষ ঘাঁটির ব্যাপারে অবশ্যই ভীতসন্ত্রস্ত হওয়া উচিত। আর যে বিষয়ের বিদায়ের অবস্থা এমন, তবে তো তার শুরু থেকেই বিমুখতা অবলম্বন করা উচিত.”
টিকাঃ
[৩৫৫] আস সাবাত ইনদাল মামাত, ৯৪。