📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 অগ্রাপ্তির মাঝেই কল্যাণ

📄 অগ্রাপ্তির মাঝেই কল্যাণ


৩৯৫. আমি সালিহ বিন মিসমারকে বলতে শুনেছি, "মানুষের কাজকর্ম আশ্চর্যকর!” জিজ্ঞেস করি, “কেন?” তিনি তখন বলেন, "তারা নিজেদের অর্থভাণ্ডার রেখে নিঃস্ব হাতে দুনিয়া থেকে বিদায় নেয়.”
৩৯৬. সালিহ ইবনু মিসমারকে আরও বলতে শুনেছি : “আল্লাহ তাআলা আমাদের যেটুকু দুনিয়া প্রদান করেছেন, তার চেয়ে বড় নিয়ামাত হলো যেটুকু দেননি.”

টিকাঃ
[২৭৯] আল মারিফাতু ওয়াত তারিখ, ২/৪২০。
[২৮۰] আল মারিফাতু ওয়াত তারিখ, ২/৪১০。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 জীবিত আত্মীয়দের আল্লাহর দায়িত্বে রেখে যাওয়া

📄 জীবিত আত্মীয়দের আল্লাহর দায়িত্বে রেখে যাওয়া


৩৯৭. আবুল মালিহ থেকে বর্ণিত আছে, মৃত্যুকালে সালিহ ইবনু মিসমারের সম্পদ ছিল মাত্র এক দিরহাম এবং চার দানিক। মৃত্যুর সময় তাকে বলা হয়েছিল, "আপনার মা-বোনের দেখাশোনার ব্যাপারে কাউকে ওসীয়ত করে যেতে পারতেন.” তিনি এর উত্তরে বলেন, “আল্লাহ ছাড়া অন্য কারও কাছে এ বিষয়ে ওসীয়ত করতে আমার লজ্জা হয়.”
৩৯৮. আবদুল আযীয থেকে বর্ণিত আছে, মুহাম্মাদ ইবনু কাব আল কুরাযি কিছু অর্থ-সম্পদ লাভ করলে কেউ একজন তাকে বলে, “সন্তানদের জন্য কিছু সম্পদ সঞ্চয় করে রাখুন.” তিনি উত্তরে বলেন, “না, আমি বরং নিজের জন্য আমার প্রতিপালকের কাছে তা সঞ্চিত রাখব। আর আমার সন্তানদের জন্য সঞ্চয় করব স্বয়ং আমার রবকে.”

টিকাঃ
[২৮۱] এক দিরহামের ছয় ভাগের এক ভাগকে এক দানিক বলা হয়。
[২৮۲] আল মারিফাতু ওয়াত তারিখ, ২/৪১০。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 অভাব ও ফিতনা, স্বচ্ছলতাও ফিতনা

📄 অভাব ও ফিতনা, স্বচ্ছলতাও ফিতনা


৩৯৯. আবূ উসমান আন নাহদি থেকে বর্ণিত, মুয়ায ইবনু জাবাল একদিন বলেন: "আপনারা এখন কষ্ট আর বিপদের ফিতনায় পড়ে রয়েছেন। এর ওপর ধৈর্য ধারণ করার পর অচিরেই আপনাদের আনন্দ ও সচ্ছলতার ফিতনায় ফেলা হবে.” মানুষ জিজ্ঞেস করল, "স্বচ্ছলতার ফিতনা আবার কী?” তিনি বলেন, "নারীরা ইয়ামানের শাড়ি ও শামের মোলায়েম পোশাক পরিধান করা শুরু করবে.”

টিকাঃ
[২৮۳] ইবনু আবী শাইবা, আল কিতাবুল মুসান্নাফ, ১৫/৬৫。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 পূর্বসূরী ও উত্তরসূরীর প্রতি দায়িত্ব

📄 পূর্বসূরী ও উত্তরসূরীর প্রতি দায়িত্ব


৪০০. মুসলিম ইবনু আবদিল্লাহ থেকে বর্ণিত, আবু হাযম বলেছেন, “জেনে রাখো, দুনিয়ার সবকিছুরই পূর্বসূরী রয়েছে। তাই নিজের ছেলের হিতাকাঙ্ক্ষাকে প্রাধান্য দাও। জেনে রাখো, দুই ব্যক্তির যে-কোনো একজনের হাতে যাবে তোমার সম্পদ। যার হাতে যাবে, সে হয়তো সেই সম্পদ দিয়ে আল্লাহর অবাধ্যতা করবে। ফলে তোমার রেখে যাওয়া এই সম্পদ হতভাগ্যের কারণ হয়ে দাঁড়াবে। কিংবা সে হয়তো তা আল্লাহর আনুগত্যে খরচ করবে। ফলে কষ্টের মাধ্যমে অর্জিত তোমার এ সম্পদ হয়ে উঠবে তার সৌভাগ্যের কারণ। তাই পূর্বসূরীদের জন্য আল্লাহর রহমত কামনা করো আর উত্তরসূরীদের জন্য আল্লাহর রিযক রেখে যাও.”

টিকাঃ
[২৮৪] ইবনু আসাকির, তাহযিবু তারিখি দিমাশক, ৬/২২৭。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00