📄 যাহিদের তিন বৈশিষ্ট্য
৩৬৬. আবূ ইয়াজিদ আর রাক্কি থেকে বর্ণিত, ইউসুফ ইবনু আসবাত বলেছেন: “যে ব্যক্তি বিপদ সহ্য করে, প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ করা ছেড়ে দেয় এবং হালাল রুটি খায়, সে-ই প্রকৃত যাহিদ.”
📄 পর্যাপ্ত খাবারের মানদণ্ড
৩৬৭. আব্বাস ইবনু ওয়ালিদ বলেন, "বাবা আমাকে জানিয়েছেন: সাঈদ ইবনু আবদিল আযীযকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, 'যতটুকু না হলেই নয়, ততটুকু খাদ্যের পরিমাণ কতটুকু?' তিনি বলেন, 'একদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ আহার করা আর পরদিন ক্ষুধার্ত থাকা.”
📄 পেটের চাহিদার ভয়াবহতা
৩৬৮. মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ থেকে বর্ণিত, মুহাম্মাদ ইবনু ফজল বলখি বলেছেন: “দুনিয়া হলো তোমার পেট। পেটের ব্যাপারে যে পরিমাণ সংযত হবে, দুনিয়ার প্রতি তোমার সে পরিমাণ বিরাগিতাই বৃদ্ধি পাবে.”
৩৬৯. হাসান ইবনু আমর সাবিয়ি বলেন, "আমি বিশর ইবনু হারিসকে বলতে শুনেছি : 'মানুষের জন্য পেটের চেয়ে অধিক লাঞ্ছনাকারী কিছু নেই.”
৩৭০. বিশর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবরাহীম ইবনু আদহাম বলেছেন, ক্ষুধা অন্তরকে বিনম্র করে তোলে।
৩৭১. আবূ ইমরান আল জাসসাস বলেন, "আবূ সুলাইমানকে বলতে শুনেছি : 'অন্তর যখন ক্ষুধার্ত ও পিপাসার্ত হয়, তখনই তা নির্মল ও স্বচ্ছ হয়ে উঠে। আর যখন তা পরিতৃপ্ত হয়ে যায়, তখন তা অন্ধ হয়ে যায়.'”
৩৭২. বিশর থেকে বর্ণিত, ফুযাইল ইবনু ইয়ায বলেছেন: "দুটি বিষয় অন্তরকে পাষাণ করে তোলে। অতিরিক্ত ঘুম এবং অতিরিক্ত আহার.”
৩৭১. গাল্লাবি থেকে বর্ণিত, উতবি বলেছেন, “আমাদের এক বিজ্ঞ শাইখ ছিলেন। আমরা তাঁর কাছে বসতাম। তিনি বলতেন, ‘বনী আদমের মৃত্যু কখন হবে, সেটাও সে জানে না। কখন সে অসুস্থ হয়ে পড়ে, সেটাও তার অজানা। ক্ষুধার হাতে সে বন্দি। পরিতৃপ্তির হাতে সে হেরে যায়’.”
টিকাঃ
[২৬২] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ২১৪。
[২৬৩] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, ৭৮, ৭৯。
[২৬৪] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ১৩; তিনি অধিক পরিমাণ কথাবার্তা বলার বিষয়টিও যোগ করেছেন。
📄 দুনিয়ার উপমা খাবারের মতো
৩৭২. উবাই ইবনু কা’ব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবি বলেছেন :
إِنَّ مَطْعَمَ ابْنِ آدَمَ قَدْ ضَرَبَ لِلدُّنْيَا مِثلًا فَانْظُرْ مَا يَخْرُجُ مِنَ ابْنِ آدَمَ وَإِنْ قَرَّحَهُ وَمَلَّحَهُ قَدْ عُلِمَ إِلَى مَا يَصِيرُ
“বনী আদমের খাবার দুনিয়ার একটি দৃষ্টান্ত। বনী আদম থেকে কী বের হয়, তা দেখো। সে যতই উত্তমভাবে এবং সুস্বাদু করে রান্না করুক, শেষে তা কীসে পরিণত হয়, তা সবারই জানা.”
টিকাঃ
[২৬৫] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আল মুসনাদ, ৫/১৩৬; এর সনদ হাসান。