📄 দুনিয়া ও নফসের সামর্থ্যকত্য
৩৬৪. আবূ সাঈদ ইবনুল আরাবি বলেন, "আমি আবূ গাসসান আল ক্বাসমালিকে বলতে শুনেছি: 'দুনিয়াই হলো নফস.' যেন তিনি বলতে চাচ্ছিলেন, নফসের প্রতি বিরাগিতা অবলম্বনই হলো দুনিয়া-বিরাগিতা। অর্থাৎ, মন ও প্রবৃত্তির যে বিষয়গুলো মানুষকে আল্লাহ তাআলা থেকে বিমুখ করে দেয়, সেগুলো পরিত্যাগ করাই হলো দুনিয়া-বিমুখতা.”
📄 চার রকমের মৃত্যু
৩৬৫. নসর আবু নসর আল আত্তার থেকে বর্ণিত, আহমাদ ইবনু সালমান বলেছেন, "আমি আমার কিতাবে হাতিম আল আসাম থেকে একটা বিষয় পেয়েছি। তিনি তাতে বলেছেন, 'যে ব্যক্তি আমাদের এই মতাদর্শে (অর্থাৎ যুহুদের আদর্শে) প্রবেশ করে, সে যেন নিজের মধ্যে মৃত্যুর চারটি বৈশিষ্ট্য ধারণ করে। সাদা মৃত্যু, কালো মৃত্যু, লাল মৃত্যু এবং সবুজ মৃত্যু। সাদা মৃত্যু হলো ক্ষুধা। কালো মৃত্যু হলো মানুষের পক্ষ থেকে আপতিত কষ্ট সহ্য করা। লাল মৃত্যু হলো প্রবৃত্তির বিরোধিতা করা। আর সবুজ মৃত্যু হলো এক চিরকুটের ওপর আরেক চিরকুট রাখা.”
টিকাঃ
[২৬০] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ৯৩。
[২৬১] এখানে শাব্দিক অনুবাদ এটি হলেও এই বাক্যটি, যাহিদ ও সুফিদের পরিভাষা; যার অর্থ ছেড়া-কাটা ও তালিযুক্ত কাপড় এবং খিরমা পরিধান করা। অর্থাৎ, এই বাক্যের অর্থ হবে, لبس المرقعة والخلق من الثياب
📄 যাহিদের তিন বৈশিষ্ট্য
৩৬৬. আবূ ইয়াজিদ আর রাক্কি থেকে বর্ণিত, ইউসুফ ইবনু আসবাত বলেছেন: “যে ব্যক্তি বিপদ সহ্য করে, প্রবৃত্তির চাহিদা পূরণ করা ছেড়ে দেয় এবং হালাল রুটি খায়, সে-ই প্রকৃত যাহিদ.”
📄 পর্যাপ্ত খাবারের মানদণ্ড
৩৬৭. আব্বাস ইবনু ওয়ালিদ বলেন, "বাবা আমাকে জানিয়েছেন: সাঈদ ইবনু আবদিল আযীযকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, 'যতটুকু না হলেই নয়, ততটুকু খাদ্যের পরিমাণ কতটুকু?' তিনি বলেন, 'একদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ আহার করা আর পরদিন ক্ষুধার্ত থাকা.”