📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 অঢেল হালাল সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহারের প্রতিদান

📄 অঢেল হালাল সম্পদ সঠিকভাবে ব্যবহারের প্রতিদান


৩৫৮. হাফস ইবনু আবদির রহমান থেকে বর্ণিত আছে, মালিক ইবনু দিনারের একজন প্রতিবেশী ছিল। আল্লাহ তাআলা অঢেল সম্পদ দান করেছিলেন তাকে। দেখা হলেই মালিক ইবনু দিনার তাকে বলতেন, “যে সম্পদ জমা করেছ, তার খাত হালাল হয়ে থাকলে এই নিয়েই সন্তুষ্ট থাকার সময় হয়ে গেছে। আর যদি তা হারাম হয়ে থাকে, তাহলে মূল মালিকের কাছে তা ফেরত দেওয়ারও সময় হয়ে গেছে.” লোকটি উত্তরে "আমরা তো দুনিয়ার দরজায় কড়া নাড়ি ধীরে ধীরে!” মালিক তখন বলেন, “আল্লাহর কসম! মৃত্যুও তোমার দরজায় ধীরে ধীরেই কড়া নাড়বে.” লোকটি একসময় বয়সের কষাঘাতের শিকার হয়ে অসুস্থ হয়ে পড়ে। মালিক ইবনু দিনার এসে জিজ্ঞেস করেন, "এখন তোমার অবস্থা কেমন?” সে বলে, "আনন্দেই আছি.” মালিক বলেন, "কীভাবে?” লোকটি বলে, "রবের পক্ষ থেকে এক ব্যক্তি এসে বলে গিয়েছে, 'তোমার জন্য সুসংবাদ.”

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 সকল যুগেই কল্যাণ লাভের সুযোগ রয়েছে

📄 সকল যুগেই কল্যাণ লাভের সুযোগ রয়েছে


৩৫৯. আম্মার ইবনু ইয়াসির থেকে বর্ণিত, নবি বলেছেন:
مَثَلُ أُمَّتِي مَثَلُ المطر، لا يُدْرِى أَوَّلُه خَيرٌ أَمْ آخِرُه.
"আমার উম্মাত হলো বৃষ্টির মতো। জানা নেই তার প্রথম অংশ উত্তম, না কি শেষ অংশ.”
৩৬০. আনাস থেকে বর্ণিত, নবি বলেছেন:
أمتي كالمطر، لا يُدرى أوله خير أم آخره
"আমার উম্মাহ হলো বৃষ্টির মতো। তার প্রথম অংশ উত্তম, না কি শেষ অংশ উত্তম, তা জানা নেই.”

টিকাঃ
[২৫৭] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আল মুসনাদ, ৪/৩১৯; এর সনদ হাসান。
[২৫৮] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আল মুসনাদ, ৩/১৩০; ইমাম তিরমিযি তাঁর সুনানে এর সনদকে হাসান গরীব বলেছেন。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে প্রবৃত্তির বাধা

📄 শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনে প্রবৃত্তির বাধা


৩৬১. জাফর ইবনু সুলাইমান বলেন, “আমি মালিক ইবনু দিনারকে বলতে শুনেছি: আমার অন্যতম শিক্ষক—আবদুল্লাহ দারি বলেছেন, 'মালিক, যদি তুমি এই বিষয়ের সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছতে চাও, তাহলে তোমার এবং প্রবৃত্তির মাঝে লোহার দেয়াল তৈরি করে নাও.”

টিকাঃ
[২৫৯] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আয যুহদ, ৩২৫。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 বিপদের তিন কারণ

📄 বিপদের তিন কারণ


৩৬২. মানসূর ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, "আমি আবূ আলি রুযাবারিকে বলতে শুনেছি: 'তিন কারণে বিপদাপদ এসে থাকে। স্বভাব নষ্ট হয়ে যাওয়া, মন্দ অভ্যাস আঁকড়ে থাকা এবং অসৎ সঙ্গ গ্রহণ করা.'
আমি তাকে জিজ্ঞেস করি, 'স্বভাব নষ্ট হয়ে যাওয়া মানে?' তিনি বলেন, 'হারাম খাদ্য গ্রহণ করা.' এরপর জিজ্ঞেস করি, 'আর মন্দ অভ্যাস আঁকড়ে থাকা মানে?' তিনি বলেন, 'চোখ দিয়ে পাপের কিছু দেখা, কান দিয়ে গীবত, পরনিন্দা, অপবাদ ইত্যাদি অন্যায় বিষয় শোনা.' আমি বললাম, 'আর অসৎ সঙ্গ গ্রহণ?' তিনি বলেন, 'মনে প্রবৃত্তির কোনো লালসা জাগ্রত হওয়ার সাথে সাথেই তার পেছনে ছুটে চলা.'

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00