📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা 📄 অনুসারী বুদ্ধির মাধ্যমে ধোঁকা খাওয়া

📄 অনুসারী বুদ্ধির মাধ্যমে ধোঁকা খাওয়া


২৭৮. আবূ উসমান আল হান্নাত থেকে বর্ণিত আছে, যুননুনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, “মুরিদরা আল্লাহর পথে চলতে গিয়ে কী কী বিপদের মাধ্যমে ধোঁকা খেয়ে থাকে?” তিনি উত্তরে বলেন, "আশ্চর্যকর সব বিষয়, কারামাত এবং নিদর্শন দেখানোর মাধ্যমে.” তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, "আবুল ফয়েজ! এ স্তরে পৌঁছানোর পূর্বে মুরিদরা কীভাবে ধোঁকা খায়?” তিনি বলেন, "লোকজন তার পেছনে চলা, তাকে সম্মান করা, তার জন্য মজলিসে জায়গা করে দেওয়া, তার অনুসারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া—এগুলোর মাধ্যমে ধোঁকা খেয়ে থাকে সে.”
অকল্যাণ ও ধোঁকা থেকে আমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই।

টিকাঃ
[২১৪] ইবনু আসাকির, তাহযিবু তারিখি দিমাশক, ৫/২৮৫。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা 📄 দুনিয়ার সঠিক ব্যবহার

📄 দুনিয়ার সঠিক ব্যবহার


২৭৯. কারকাসানি থেকে বর্ণিত আছে, ইউসূফ ইবনু আসবাতের কাছে একবার একটি অপরিপক্ক ফল নিয়ে আসা হয়। তিনি তা উলটেপালটে দেখে সামনে রেখে বলেন, “নিছক দেখার জন্য এ দুনিয়া সৃষ্টি করা হয়নি; বরং তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে যেন আমরা তার মধ্য দিয়ে পরকালকে দেখতে পারি.”

টিকাঃ
[২১۵] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৮/২৪০。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা 📄 দুনিয়া-ত্যাগের প্রকারভেদ

📄 দুনিয়া-ত্যাগের প্রকারভেদ


২৮০. হাসান ইবনু আমর বলেন, “আমি বিশর ইবনু হারিসকে বলতে শুনেছি : ‘আমি এ জনপদে এমন কাউকে চিনি না, যে নিঃস্বার্থভাবে অন্যকে পার্থিব কিছু দিয়ে থাকে। বরং হয়তো তার থেকে নেওয়ার জন্য কিংবা যা দিয়েছে তারচেয়ে অধিক অর্জনের জন্যই দেয়.”
২৮১. আবুল হুসাইন যানজানি থেকে বর্ণিত আছে, হারিস আল মুহাসিবি বলেছেন: “দুনিয়াকে চেনা সত্ত্বেও তাকে পরিত্যাগ করাটা যাহিদ তথা দুনিয়া-বিরাগীদের বৈশিষ্ট্য। আর দুনিয়াকে ভুলে গিয়ে তা পরিত্যাগ করাটা আরিফদের (আল্লাহকে প্রকৃতভাবে যারা চিনেছেন তাদের) বৈশিষ্ট্য.”

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা 📄 দুনিয়াকে প্রাপ্য মর্যাদার চেয়ে বেশি দিয়ে ফেলা

📄 দুনিয়াকে প্রাপ্য মর্যাদার চেয়ে বেশি দিয়ে ফেলা


২৮২. মুহাম্মাদ ইবনু মুয়াবিয়া আল আযরাক থেকে বর্ণিত আছে, উমার ইবনু আবদিল আযীয চিঠি লিখে হাসান বাসরিকে বলেন, “আমাকে সংক্ষেপে কিছু নসীহত করুন.” হাসান বাসরি উত্তরে লিখেন : “দুনিয়া-বিমুখিতা আপনাকে এবং আপনার অধীনে থাকা সকলকেই সংশোধিত করে তুলতে পারে। দুনিয়া-বিমুখিতা অর্জিত হয় ইয়াকীনের মাধ্যমে, ইয়াকীন অর্জিত হয় গভীর চিন্তা-ভাবনার মাধ্যমে, আর গভীর চিন্তা-ভাবনা অর্জিত হয় শিক্ষা।
গ্রহণের মাধ্যমে। দুনিয়ার ব্যাপারে চিন্তা-ভাবনা করলেই দেখতে পাবেন, দুনিয়া আসলে এমন কোনো বস্তু নয়, যে জন্য নিজেকে বিক্রি করে দিতে হবে। এ লাঞ্ছনাকর দুনিয়াকে সম্মানের পাত্র বানাবেন না। দুনিয়া তো বিপদ- আপদের বাড়ি আর (হায়াত শেষ হয়ে গেলে) বিদায় করে দেওয়ার ঘর.”
২৮৩. হাসান ইবনু আল্লুবাইহ বলেন, "আমি ইয়াহইয়া ইবনু মুয়ায আর-রাযিকে বলতে শুনেছি : 'দুনিয়া এমন কিছু নয়, যার জন্য মুহূর্ত পরিমাণ সময় দুশ্চিন্তা করা যায়। তাহলে দুনিয়ার সামান্য স্বার্থের জন্য মানুষ কেন আজীবন দুশ্চিন্তা করে যায়? আপন ভাইবোন এবং আত্মীয়-স্বজনদের সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলে?”

টিকাঃ
[২১۶] ইবনুল জাওযী, সীরাতু উমার ইবনু আবদিল আযীয, পৃ. ১৪৬。

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية