📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা 📄 নেতৃত্বের বিপদ

📄 নেতৃত্বের বিপদ


২৭৫. মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ বলেন, “নবি আমাকে এক জায়গার গভর্নর নিযুক্ত করেছিলেন। দায়িত্ব পালন শেষে আমি আসলে তিনি জিজ্ঞেস করেন, 'ক্ষমতার বিষয়টা তোমার কাছে কেমন লাগল?' আমি বলি, 'ইয়া রাসূল্লাল্লাহ! মনে হচ্ছিল, সকলেই আমার অধীনস্থ বনে গেছে। আল্লাহর কসম, আমি জীবনে আর কখনো গভর্নরের দায়িত্ব পালন করব না.”
২৭৬. আমি সাহাল ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সুলাইমানকে বলতে শুনেছি: “যে ব্যক্তি চায় মানুষ তার পিছনে হাঁটুক, সে যেন গোটা দুনিয়া ও তার মধ্যকার সবকিছু কামনা করে বসল। এ কামনার মাধ্যমে সে যেন বলছে, 'আমার দ্বীন নিয়ে যাও আর এর বিনিময়ে আমাকে তোমাদের দুনিয়া দিয়ে দাও। আমি তোমাদের জন্য আমার দ্বীন খুলে ফেলেছি, অতএব আমাকে তোমরা তোমাদের দুনিয়াটা খুলে দিয়ে দাও.”
২৭৭. মানসূর থেকে বর্ণিত, মুজাহিদ বলেছেন : “যার খাদিম বেশি, তার শয়তানও বেশি.”

টিকাঃ
[২১۳] তাবারানি, আল মুজামুল কাবীর, ২০/২৫৯。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা 📄 অনুসারী বুদ্ধির মাধ্যমে ধোঁকা খাওয়া

📄 অনুসারী বুদ্ধির মাধ্যমে ধোঁকা খাওয়া


২৭৮. আবূ উসমান আল হান্নাত থেকে বর্ণিত আছে, যুননুনকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, “মুরিদরা আল্লাহর পথে চলতে গিয়ে কী কী বিপদের মাধ্যমে ধোঁকা খেয়ে থাকে?” তিনি উত্তরে বলেন, "আশ্চর্যকর সব বিষয়, কারামাত এবং নিদর্শন দেখানোর মাধ্যমে.” তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, "আবুল ফয়েজ! এ স্তরে পৌঁছানোর পূর্বে মুরিদরা কীভাবে ধোঁকা খায়?” তিনি বলেন, "লোকজন তার পেছনে চলা, তাকে সম্মান করা, তার জন্য মজলিসে জায়গা করে দেওয়া, তার অনুসারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়া—এগুলোর মাধ্যমে ধোঁকা খেয়ে থাকে সে.”
অকল্যাণ ও ধোঁকা থেকে আমরা আল্লাহর নিকট আশ্রয় চাই।

টিকাঃ
[২১৪] ইবনু আসাকির, তাহযিবু তারিখি দিমাশক, ৫/২৮৫。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা 📄 দুনিয়ার সঠিক ব্যবহার

📄 দুনিয়ার সঠিক ব্যবহার


২৭৯. কারকাসানি থেকে বর্ণিত আছে, ইউসূফ ইবনু আসবাতের কাছে একবার একটি অপরিপক্ক ফল নিয়ে আসা হয়। তিনি তা উলটেপালটে দেখে সামনে রেখে বলেন, “নিছক দেখার জন্য এ দুনিয়া সৃষ্টি করা হয়নি; বরং তাকে সৃষ্টি করা হয়েছে যেন আমরা তার মধ্য দিয়ে পরকালকে দেখতে পারি.”

টিকাঃ
[২১۵] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৮/২৪০。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা 📄 দুনিয়া-ত্যাগের প্রকারভেদ

📄 দুনিয়া-ত্যাগের প্রকারভেদ


২৮০. হাসান ইবনু আমর বলেন, “আমি বিশর ইবনু হারিসকে বলতে শুনেছি : ‘আমি এ জনপদে এমন কাউকে চিনি না, যে নিঃস্বার্থভাবে অন্যকে পার্থিব কিছু দিয়ে থাকে। বরং হয়তো তার থেকে নেওয়ার জন্য কিংবা যা দিয়েছে তারচেয়ে অধিক অর্জনের জন্যই দেয়.”
২৮১. আবুল হুসাইন যানজানি থেকে বর্ণিত আছে, হারিস আল মুহাসিবি বলেছেন: “দুনিয়াকে চেনা সত্ত্বেও তাকে পরিত্যাগ করাটা যাহিদ তথা দুনিয়া-বিরাগীদের বৈশিষ্ট্য। আর দুনিয়াকে ভুলে গিয়ে তা পরিত্যাগ করাটা আরিফদের (আল্লাহকে প্রকৃতভাবে যারা চিনেছেন তাদের) বৈশিষ্ট্য.”

ফন্ট সাইজ
15px
17px