📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 দুনিয়াকে পাওয়ার সঠিক উপায়

📄 দুনিয়াকে পাওয়ার সঠিক উপায়


২৬৫. মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল মালিক ইবনু হাসান থেকে বর্ণিত আছে, যুননুনকে এক ব্যক্তি জিজ্ঞেস করে, “দুনিয়া কার জন্য?” তিনি বলেন, “যে তাকে পরিত্যাগ করে দিয়েছে, তার জন্য.” এরপর সে জিজ্ঞেস করে, “তাহলে আখিরাত?” তিনি বলেন, “যে তা সন্ধান করে, তার জন্য.”

টিকাঃ
[২০৪] ইবনু মানযুর, মুখতাসারু তারিখি দিমাশক, ৮/২৫১-২৫২。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 আল্লাহ-প্রেমিকের লক্ষণ

📄 আল্লাহ-প্রেমিকের লক্ষণ


২৬৬. আবুল হাসান আলি ইবনু লাইস আস সুফি আল ফারগানি বলেন, “শিবলিকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, 'আল্লাহ-প্রেমিকের আলামত কী?' তিনি উত্তরে বলেন, 'সে অর্থ সম্পদ কুক্ষিগত করে রাখবে না.”

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 ভালো কাজের জন্য প্রসিদ্ধি লাভও বিপদের সম্ভাব্য কারণ

📄 ভালো কাজের জন্য প্রসিদ্ধি লাভও বিপদের সম্ভাব্য কারণ


২৬৭. আবুল হাসান আস সায়িগ বলেন, "যারা আল্লাহকে পেতে চায়, তাদের দুই বার দুনিয়া পরিত্যাগ করা উচিত। প্রথমবার দুনিয়ার চাকচিক্য, ভোগবিলাস, রং-বেরঙের খাবার ও পানীয়, মোটকথা ভোগবিলাসের সকল উপকরণ পরিত্যাগ করতে হবে। এর ফলে দেখবেন মানুষের কাছে প্রসিদ্ধ হয়ে যাবে সে। লোকজন তাকে সম্মান করা শুরু করবে। তখন তার উচিত নিজেকে আড়াল করে ফেলা। অন্যথায় মানুষজন তার প্রতি আকৃষ্ট হতে থাকবে। তাই দুনিয়া পরিত্যাগ করাটা যেন দুনিয়ার লোভের চেয়েও বড় কোনো গুনাহ ও ফিতনার কারণ না হয়ে উঠে, সে জন্যই আড়ালে চলে যেতে হবে তাকে। (আর এটা হলো দ্বিতীয় বারের মতো দুনিয়া পরিত্যাগ.)”
২৬৮. আবূ উমামা বলেন, "নবি একদিন আমাদের যুহরের সালাত পড়িয়ে বাকি' নামক স্থানে যাওয়ার জন্য বের হন। মাসজিদের সকলেই তার পিছু পিছু চলতে থাকে। তিনি চলছিলেন সবার সামনে। বাকি'তে প্রবেশ করেন তিনি। এসময় তার হাতে ছিল খেজুর গাছের একটি কাঁচা ডাল। পেছনের লোকদের উদ্দেশ্য করে বলেন, 'সামনে যাও, সামনে যাও.' সকলে তা-ই করে। একজন জিজ্ঞেস করে, 'আমরা আপনার পেছনে ছিলাম। সামনে যেতে বললেন যে?' তিনি বলেন, 'পেছনে তোমাদের জুতার আওয়াজ শুনতে পেয়ে আশঙ্কা হলো, এতে আমার মনে অহংকার চলে আসতে পারে.'”
২৬৯. আবূ উমামা বলেন, “এক প্রচণ্ড গরমের দিন বাকিউল গারকাদ অভিমুখে চলতে থাকেন নবি। সাহাবায়ে কেরامও তাঁর পিছু পিছু চলছিলেন। তাঁদের জুতার আওয়াজ তার কাঁনে আসে। জিনিসটা ভীষণ কষ্টকর মনে হয় তাঁর কাছে। তিনি তখনই বসে যান। তাদের সামনে অগ্রসর করে দেন। অন্তরে যেন কোনো ধরনের অহংকার তৈরি না হয়, সেজন্যই এমন করেছিলেন তিনি.”

টিকাঃ
[২০۵] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ৩১৪。
[২০۶] মুত্তাকি আল হিন্দি, কানযুল উম্মাল, ৩/৮৩০; ইমাম দাইলামি এর সনদকে যঈফ বলেছেন。
[২০۷] ইবনু মাজাহ, আস সুনান。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 প্রসিদ্ধি পরিহারে নবিজির তৎপরতা

📄 প্রসিদ্ধি পরিহারে নবিজির তৎপরতা


২৭০. আবদুল্লাহ ইবনু আমর বলেন, "নবি-কে কখনো হেলান দিয়ে খেতে দেখা যায়নি। তিনি সবার পেছনে চলতেন.”
২৭১. জাবির ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, “নবি কোথাও বের হলে সাহাবায়ে কেরام তাঁর সামনে চলতেন আর তাঁর পেছনের পথটা ছেড়ে দিতেন ফেরেশতাদের জন্য।
২৭২. আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস বলেন,
مَشَيْتُ وَرَاءَ رَسُولِ اللهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ, أَنْظُرُ أَيَكْرَهُ أَنْ أَمْشِي وَرَاءَهُ أَمْ يُقِرَّ ذَلِكَ ، قَالَ : فَالْتَمَسَنِي بِيَدِهِ فَأَلْحَقَنِي بِهِ حَتَّى مَشَيْتُ بِجَنْبِهِ ، ثُمَّ تَخَلَّفْتُ الثَّانِيَةَ أَمْشِي وَرَاءَهُ فَالْتَمَسَنِي بِيَدِهِ فَأَلْحَقَنِي بِهِ حَتَّى مَشَيْتُ بِجَنْبِهِ فَعَرَفْتُ أَنَّهُ يَكْرَهُ ذَلِكَ
“নবি -এর পেছনে কেউ হাঁটলে তিনি এটা অপছন্দ করেন, না অনুমতি দেন-এটা দেখার জন্য একদিন তাঁর পেছনে হাঁটতে শুরু করি আমি। তিনি আমার হাত ধরে পাশে নিয়ে আসেন। কিছুক্ষণ তাঁর পাশাপাশি হেঁটে পুনরায় চলে আসি পেছনে। আবারও আমার হাত ধরে তিনি নিজের পাশে নিয়ে আসেন। এবার তাঁর পাশাপাশিই হাঁটা শুরু করি। বুঝতে পারলাম যে, তাঁর পেছনে কেউ হাঁটুক—তিনি তা পছন্দ করেন না.”

টিকাঃ
[২০৮] আবূ দাউদ, আস সুনান, অধ্যায়: খাবার, পরিচ্ছেদ: হেলান দিয়ে খাওয়া。
[২০৯] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আল মুসনাদ, ৩/৩৩২。
[২১০] নুরুদ্দিন হাইসামি, মাজমাউয যাওয়ায়িদ, ৮/৮৩; এই হাদীসের সনদে হুসাইন ইবনু আবদিল্লাহ আল হাশিমি রয়েছেন, যিনি মাতরুক。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00