📄 কম সম্পদই কল্যাণ, না থাকলে আরও ভালো
২৫৭. হাসান ইবনু আমর বলেন, "আমি বিশরকে বলতে শুনেছি: 'অল্পস্বল্প সম্পদ কিয়ামাতের দিন কল্যাণ বয়ে আনবে।
মালিক ইবনু দিনার একদিন তাঁর সাথিদের বলেন, আমি এখন দুআ করব, তোমরা সাথে 'আমীন' বলে যাবে। তিনি দুআ করেন, হে আল্লাহ! মালিক ইবনু দিনারের ঘরে কম বা বেশি—দুনিয়ার কিছুই যেন প্রবেশ না করে.”
২৫৮. মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, "আমি বিশর ইবনু হারিসকে দুআ করতে শুনেছি, 'হে আল্লাহ! আমাকে দুনিয়ার ঘরবাড়ি, পরিবার-পরিজন, সন্তান-সন্ততি, অর্থ-সম্পদ কোনো কিছুই দিয়েন না। নিঃস্ব অবস্থায়ই যেন আমার মৃত্যু হয়.”
ইবনু দাঊদ বলেন, “সুফিয়ান সাওরি বলেছেন: 'কোনো ঘরের পেছনে আমি কখনো এক দিরহামও খরচ করিনি.”
টিকাঃ
[২০۱] সুফিয়ান সাওরির উক্তিটি রয়েছে হিলইয়াতুল আউলিয়ায়, ৭/২২。
📄 দুনিয়ার কদর্যতার উপমা
২৫৯. আবূ আবদির রহমান আস সুলামি থেকে বর্ণিত, শিবলিকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, "দুনিয়া কী জিনিস?” তিনি উত্তরে বলেন, "তা হলো একটি ফুটন্ত ডেগ এবং এমন টয়লেট, যেখানে মানুষ ময়লা দিয়ে ভরে রাখে.”
টিকাঃ
[২০۲] আবূ আবদির রহমান আস সুলামি, তাবাকাতুস সুফিয়া, পৃ. ৩৪১。
📄 দুনিয়া ছেড়ে দেওয়াই সৌন্দর্য
২৬০. আবুল হাসান ফারগানি আস সুফি বলেন, “শিবলিকে বলতে শুনেছি : 'দুনিয়া হলো এক কল্পনা-বিলাস। তা তালাশ করতে যাওয়াটাই ক্ষতিকর। তা ছেড়ে দেওয়াটাই সৌন্দর্য। তা থেকে বিমুখ হয়ে থাকা পরিপূর্ণতা। আর আল্লাহর পরিচয় লাভ হচ্ছে সফলতার সূত্র.”
২৬১. বিশর ইবনু হারিস থেকে বর্ণিত আছে, ফুযাইল ইবনু ইয়ায বলেছেন : "শান্তিতে থাকতে চাইলে কখনো দুনিয়ার খাবার-দাবারের প্রতি ভ্রুক্ষেপ করবে না."
📄 পাত্রীর নসিহত
২৬২. আবূ আবদিল্লাহ আল হাসরি থেকে বর্ণিত, মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াকুব ফারাজি বলেছেন, "আমি এক গির্জার পাদ্রীকে জিজ্ঞেস করেছিলাম, 'যুহদ কী?' তিনি উত্তরে বলেছিলেন, 'দুনিয়ার মধ্যে যা কিছু রয়েছে, সেগুলোকে দুনিয়ার ওপরে থাকা মানুষদের জন্য ছেড়ে দেওয়া'.”