📄 দুনিয়ার ফাঁদ একমুখী
২৪২. হারুন ইবনু সাওয়ার আল মুকরি থেকে বর্ণিত, ফুযাইল ইবনু ইয়ায একদিন আবূ তুরাবকে বলেন, “আবূ তুরাব, দুনিয়াতে জড়িয়ে পড়া তো সহজ কিন্তু তা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া অনেক কঠিন.”
📄 দুনিয়া অপছন্দনীয় হওয়ার কারণ
২৪৩. জুনাইদ থেকে বর্ণিত, সিররি সাকতি বলেছেন: “আমার সামনে দুনিয়া যতই তার চাকচিক্য প্রকাশ করেছে, দুনিয়ার প্রতি আমার ততোই অনীহা তৈরি হয়েছে.”
২৪৪. আবু ইবরাহীম তরজুমানি বলেন, “আমি বিশর ইবনু হারিসকে বলতে শুনেছি: ‘দুনিয়া যদি আমাদের অপছন্দনীয় না-ও হতো, তবুও তাতে আল্লাহ তাআলার অবাধ্যতা করা হয় বিধায়ই আমাদের জন্য তা অপছন্দ করা আবশ্যক ছিল."
📄 দুনিয়াকে মুকাবিলা করার চেয়ে পরিহার করা উত্তম
২৪৫. আহমাদ ইবনু আবীল হাওয়ারি বলেন, "আমি আবূ সুলাইমানকে বলতে শুনেছি: 'যে ব্যক্তি দুনিয়ার সাথে কুস্তি লড়তে যায়, দুনিয়াই তাকে পরাজিত করে দেয়."
📄 দুনিয়ার প্রতি নিরাসক্তি তৈরির উপায়
২৪৬. আহমাদ ইবনু আবীল হাওয়ারি বলেন: “যে ব্যক্তি দুনিয়াকে চিনতে পেরেছে, সে তার প্রতি বিমুখ হয়ে গেছে। আর যে পরকালকে চিনতে পেরেছে, সে তার প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছে। যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠে, সে তাঁর সন্তুষ্টিকেই প্রাধান্য দেয়."
২৪৭. মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম থেকে বর্ণিত আছে, এক ব্যক্তি আবূ সাহাল হারিসি আস সুফিকে বলেন, "আমাকে কিছু ওসীয়ত করুন.” তিনি বলেন, "পরকাল ও তার নিয়ামাতরাজির জন্য জাগ্রত থাকতে চাইলে দুনিয়া ও তার চাকচিক্য থেকে বিমুখ হয়ে ঘুমিয়ে থাক."
২৪৮. মুজাফফর ইবনু মুহাম্মাদ বলেন, "আমি ইবরাহীম ইবনু আহমাদ আল খাওয়াসকে এক আলোচনায় বলতে শুনেছি: 'দুনিয়া যার জন্য কাঁদে না, আখিরাত তার জন্য হাসতে পারে না। মানুষকে তার নিজের পুরাতন জিনিসেই ভালো দেখায়। অন্যের নতুন জিনিসে না। যে গন্তব্যের কাছে পৌঁছেও শেষ পর্যন্ত পথ হারিয়ে ফেলে, সে-ই তো আসল ক্ষতিগ্রস্ত.”
টিকাঃ
[১৯৪] ইবনু মানযুর, মুখতাসারু তারিখি দিমাশক, ৩/১৪৬。