📄 দুনিয়াকে শূয়োরানীর সাথে তুলনা
২৪০. ইয়াজিদ ইবনু মাইসারা বলেন, “আমাদের শাইখগণ দুনিয়াকে ‘শূকরী’ বলে অভিহিত করতেন। যদি এরচেয়েও নিকৃষ্টতর কোনো নাম তাদের জানা থাকত, তাহলে সে নামেই দুনিয়াকে ডাকতেন তারা। তাদের কারও কাছে পার্থিব কোনো ভোগ্যপণ্য চলে এলে তারা বলতেন, ‘অ্যাই শূকরী! তোর কাছে আমাদের কোনো দরকার নেই। আমরা আমাদের প্রতিপালককে ভালোভাবে চিনি.”
টিকাঃ
[১৯২] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৫/২৩৫。
📄 দুনিয়ার সমুদ্র পারাপারে প্রয়োজনীয় জাহাজ
২৪১. আবদুল আযীয থেকে বর্ণিত আছে, লুকমান তার ছেলেকে বলেছেন: “বাবা! দুনিয়া এক গভীর সমুদ্র। বহু সাধারণ মানুষ ও অনেক আলিম এতে ডুবে ধ্বংস হয়ে গেছে। তাই বাঁচতে হলে ঈমানের জাহাজ তৈরি করো। তাকওয়া ও আল্লাহর আনুগত্য দিয়ে ভরপুর করে ফেল সে জাহাজ। দ্বীনকে এর পতাকা বানাও। তারপর আল্লাহর নামে ভরসা করে চলতে থাক। এসব ব্যবস্থা গ্রহণ করা সত্ত্বেও তুমি বাঁচতেও পারো আবার না-ও বাঁচতে পারো.”
টিকাঃ
[১৯৩] আহমাদ ইবনু হাম্বল, আয-যুহদ, ১০৪。
📄 দুনিয়ার ফাঁদ একমুখী
২৪২. হারুন ইবনু সাওয়ার আল মুকরি থেকে বর্ণিত, ফুযাইল ইবনু ইয়ায একদিন আবূ তুরাবকে বলেন, “আবূ তুরাব, দুনিয়াতে জড়িয়ে পড়া তো সহজ কিন্তু তা থেকে নিষ্কৃতি পাওয়া অনেক কঠিন.”
📄 দুনিয়া অপছন্দনীয় হওয়ার কারণ
২৪৩. জুনাইদ থেকে বর্ণিত, সিররি সাকতি বলেছেন: “আমার সামনে দুনিয়া যতই তার চাকচিক্য প্রকাশ করেছে, দুনিয়ার প্রতি আমার ততোই অনীহা তৈরি হয়েছে.”
২৪৪. আবু ইবরাহীম তরজুমানি বলেন, “আমি বিশর ইবনু হারিসকে বলতে শুনেছি: ‘দুনিয়া যদি আমাদের অপছন্দনীয় না-ও হতো, তবুও তাতে আল্লাহ তাআলার অবাধ্যতা করা হয় বিধায়ই আমাদের জন্য তা অপছন্দ করা আবশ্যক ছিল."