📄 মালিককে বাদ দিয়ে দাসকে ভালোবাসা
২৩৭. ইবরাহীম ইবনু বাশশার বলেন, “আমি ইবরাহীম ইবনু আদহাম -কে বলতে শুনেছি: 'কী হলো আমাদের? আমরা আমাদের মতোই কিছু মানুষের কাছে নিজেদের প্রয়োজনের অভিযোগ করি। কিন্তু আমাদের প্রতিপালকের কাছে সে প্রয়োজনটা পূরণের আবেদন জানাই না। গোল্লায় যাক সে! দুনিয়ার স্বার্থে এক দাস আরেক দাসকে ভালোবাসে। অথচ আপন মনিবের ধন-ভাণ্ডারে যে অঢেল সম্পদ রয়েছে, তার কথা ভুলে যায়!'”
টিকাঃ
[১৯০] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৮/৩২。
📄 সামান্য যুহদ, ইবাদাত ও ইলম যথেষ্ট নয়
২৩৮. ইমাম আওযায়ি বলেন, “আমি বিলাল ইবনু সাদকে বলতে শুনেছি: 'আল্লাহর কসম! আমাদের জন্য অপরাধ হিসেবে তো এটাই যথেষ্ট যে, আল্লাহ তাআলা আমাদের দুনিয়ার প্রতি বিমুখ থাকতে বলেছেন, কিন্তু আমরা তার প্রতি আকৃষ্ট হয়ে আছি। আশ্চর্য! আপনাদের যারা দুনিয়া-বিমুখ বলে পরিচিত, আমি তো দেখছি, তারাই দুনিয়া-প্রেমিক! যারা ইবাদাতগুজার বলে পরিচিত, তারাই তো ঠিকঠাক মতো ইবাদাত করে না। আলিম বলে পরিচিতরাই তো জাহিল!'”
টিকাঃ
[১৯১] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৫/২২৪。
📄 দুনিয়া শয়তানের শস্যক্ষেত্র
২৩৯. সিররি সাকতি থেকে বর্ণিত আছে, “ঈসা ইবনু মারিয়াম বলেছেন: 'দুনিয়া হলো ইবলিসের শস্য ফলানোর জমি আর তোমরা হলে তার চাষী.”
📄 দুনিয়াকে শূয়োরানীর সাথে তুলনা
২৪০. ইয়াজিদ ইবনু মাইসারা বলেন, “আমাদের শাইখগণ দুনিয়াকে ‘শূকরী’ বলে অভিহিত করতেন। যদি এরচেয়েও নিকৃষ্টতর কোনো নাম তাদের জানা থাকত, তাহলে সে নামেই দুনিয়াকে ডাকতেন তারা। তাদের কারও কাছে পার্থিব কোনো ভোগ্যপণ্য চলে এলে তারা বলতেন, ‘অ্যাই শূকরী! তোর কাছে আমাদের কোনো দরকার নেই। আমরা আমাদের প্রতিপালককে ভালোভাবে চিনি.”
টিকাঃ
[১৯২] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৫/২৩৫。