📄 নিজের সাথেই বিচ্ছেদ
১৬৮. সাইয়ার ইবনু জাফর থেকে বলেন, "ইয়াহইয়ার মা মারা গেলে আমি মালিক ইবনু দিনারকে একদিন বলি, 'ইয়াহইয়ার বাবা! আরেকটা বিয়ে করে নিতে পারেন তো.' তিনি বলেন, 'আরে আমি তো পারলে নিজেকেই তালাক দিয়ে দিতাম."
টিকাঃ
[১৩۲] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ২/২৪৯。
📄 সাক্ষাতের আগ্রহ যুহদের মানদণ্ড
১৬৯. বিশর ইবনু হারিস থেকে বর্ণিত, আবূ দাউদ তাকে বলেন: "দুনিয়াকে ভালোবাসার অর্থ হলো, মানুষের সাথে সাক্ষাতের প্রতি আগ্রহ থাকা। আর দুনিয়া-বিমুখতা হলো, তাদের সাথে সাক্ষাতের প্রতি আগ্রহ না থাকা.”
টিকাঃ
[১৩۳] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৮/৩৪৩。
📄 সমাজ-বিচ্ছিন্নতার ওসিয়ত
১ ৭০. মানসূর ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, "আমি মুহাম্মাদ ইবনু হামিদকে বলতে শুনেছি : 'এক ব্যক্তি আবূ বকর আল ওয়াররাকের সাক্ষাতে এসেছিল। যাওয়ার সময় সে বলে, 'আমাকে কিছু নসীহত করুন.' তিনি বলেন, 'আমি দুনিয়া ও আখিরাতের কল্যাণ পেয়েছি একাকিত্ব এবং নির্জনতায়। আর তার অনিষ্ট পেয়েছি জনসমাগম এবং মানুষের সাথে উঠাবসায়.”
১৭১. আবু উসমান সাঈদ ইবনু আবী সাঈদ থেকে বর্ণিত আছে, আব্বাস আদ দামগানি বলেছেন, “শিবলী আমাকে ওসিয়ত করেছেন: 'সবসময়ের জন্য একাকিত্বকে বেছে নাও। সমাজ থেকে নিজের নাম কেটে ফেলো (অর্থাৎ, সমাজের মানুষের সাথে বেশি মেলামেশা করবে না)। মৃত্যু পর্যন্ত দেয়ালের ভেতর আবদ্ধ থেকো."
টিকাঃ
[১৩৪] আওয়ারিফুল মাআরিফ, ১২৪。
📄 অন্য গুণাবলির সাথে নির্জনতার উল্লেখ
১৭২. আবূ উসমান বলেন, "আমি যুননুনকে বলতে শুনেছি, 'যে ব্যক্তি মানুষের দোষ-ত্রুটি খোঁজে, সে নিজের দোষ-ত্রুটির ব্যাপারে অন্ধ হয়ে যায়। জান্নাত-জাহান্নামের প্রতি যার নজর থাকে, মানুষ কী বলে-না-বলে সে বিষয়ের প্রতি তার নজর থাকে না। যে ব্যক্তি মানুষ থেকে পালিয়ে যায়, সে তাদের অনিষ্ট থেকে বেঁচে যায়। আর যে কৃতজ্ঞতা আদায় করে, তার নিয়ামাত বৃদ্ধি করে দেওয়া হয়.”
১৭৩. তিনি আরও বলেন, "আমি যুননুনকে বলতে শুনেছি, 'অখ্যাত ব্যক্তিদের তিনটি নিদর্শন রয়েছে। তা হলো : অন্য কেউ থাকলে নিজে কথা বলা পরিহার করা। সমকক্ষদের কাছে নিজের জ্ঞান জাহিরের আগ্রহ না থাকা। উপদেশ দেওয়া কিংবা অন্য প্রয়োজনে মানুষের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন দেখা দিলে ভেতরে ভেতরে যন্ত্রণা অনুভব করা.”