📄 আদম-সন্তানের স্বভাব
১৬৩. রবি ইবনু সুলাইমান বলেন, "আমি ইমাম শাফিয়ি -কে বলতে শুনেছি: 'আদম সন্তানকে নিচু স্বভাব দিয়ে তৈরি করা হয়েছে। তাই যে সকল কাজ থেকে দূরে থাকা উচিত, আদম সন্তান সেগুলোর কাছে যাবেই। আর যে সকল বিষয়ের নিকটে যাওয়া উচিত, বনী আদম সেগুলো থেকে দূরে থাকবেই.'”
টিকাঃ
[১২৬] আবু নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৯/১২৪。
📄 সংঘবদ্ধ ফরয ইবাদাত ব্যতীত জনসমাগম পরিহার
১৬৪. মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আস সাররাজ বলেন, “আমি ইবরাহীম ইবনু আদহাম -এর খাদিম ইবরাহীম ইবনু বাশশারকে বলতে শুনেছি: 'ইবরাহীম ইবনু আদহাম আমাদেরকে ওসিয়ত করে বলেছেন: মানুষের সাথে পরিচয়-পরিচিতি কমিয়ে দাও। যাদের চিনো না, তাদের সাথে পরিচিত হতে যেয়ো না। আর যাদের চিনো, তাদের সাথে অপরিচিতের মতো আচরণ করো.' আরও ওসিয়ত করেছেন, 'হিংস্র জন্তু থেকে যেভাবে পালাও, সেভাবেই মানুষ থেকে পলায়ন করবে। কিন্তু তাই বলে আবার জুমুআর সালাত এবং জামাআতে সালাত আদায় করা বাদ দিয়ে দিয়ো না যেন!'”
১৬৫. জুনাইদ ইবনু মুহাম্মাদ আল বাগদাদি বলেন, “আমি সিররি সাকতিকে বলতে শুনেছি : যদি জুমুআর সালাত এবং জামাআতে সালাত আদায়ের বিধান না থাকত, তাহলে আমি মাটি দিয়ে লেপে দরজাখানা বন্ধ করে দিতাম। আরও বলেন, 'জামাআতে সালাত আদায়ের জন্য বের হওয়ার পর যদি টের পাই যে, কেউ আমার দিকে আসছে, তাহলে মনে মনে বলি, হে আল্লাহ! আপনি তাদের ইবাদাতের স্বাদ দান করুন, যাতে তারাও ইবাদাতে মগ্ন হয়ে থাকে। ফলে তারা আর আমার নিকট আসবে না.”
টিকাঃ
[১২৭] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৮/১৯, ৩৩。
[১২৮] ইবনু মানযুর, মুখতাসারু তারিখি দিমাশক, ৯/২২০。
[১২৯] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ১০/১২৬。
📄 নির্জনতার যুগ
১৬৬. জুনাইদ ইবনু মুহাম্মাদ বলেন, "আমি সিররি সাকতিকে বলতে শুনেছি: 'যে ব্যক্তি নিজের দ্বীন নিরাপদ রাখতে চায়, অন্তর ও শরীরকে বিশ্রাম দিতে চায় এবং দুশ্চিন্তা কমাতে চায়, সে যেন নির্জনতা অবলম্বন করে। কারণ, এটা নির্জনতা এবং একাকিত্বের যুগ.”
তিনি অন্য এক জায়গায় বলেছিলেন, “এটা ভয়-ভীতির যুগ। এসময় যে একাকিত্ব বেছে নেয়, সে-ই বুদ্ধিমান.”
টিকাঃ
[১৩০] ইবনু মানযুর, মুখতাসারু তারিখি দিমাশক, ৯/২২০。
📄 প্রিয় জিনিস যখন সর্বনাশের কারণ
১৬৭. আহমাদ ইবনু আবীল হাওয়ারি বলেন, "আমি আবু সুলাইমানকে বলতে শুনেছি : 'পরিবার-পরিজন, অর্থ-সম্পদ এবং সন্তান-সন্ততি—এসবের যেটাই আপনাকে আল্লাহ তাআলা থেকে বিমুখ করে দেবে, সেটাই আপনার অমঙ্গলের কারণ হয়ে দাঁড়াবে.'”
টিকাঃ
[১৩১] আবু নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৯/২৬৪。