📄 অখ্যাত ব্যক্তির প্রতি রহমতের দুআ
১২২. আবদুস সামাদ বলেন, আমি ফুযাইল ইবনু ইয়াযকে বলতে শুনেছি : “আল্লাহ তাআলা ওই ব্যক্তির প্রতি রহম করুন, যার আমলকে বন্ধক রাখার (মৃত্যুবরণ) পূর্বেই আপন গুনাহের কারণে সে ক্রন্দন করে এবং তার পরিচয় থাকে মানুষের অজানা (অর্থাৎ, তিনি অখ্যাত থাকেন).”
📄 কুরআন-সুন্নাহর সাথে একাকিত্বের মর্যাদা
১২৩. হাম্মাদ ইবনু যাইদ থেকে বর্ণিত আছে, ইবনু আওন বলেছেন: “তিনটি বিষয়কে আমি নিজের জন্য এবং নিজের সঙ্গীসাথিদের জন্য পছন্দ করি। তা হলো, কুরআন তিলাওয়াত, সুন্নাত, আর তৃতীয় বিষয়টি হলো, নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকা। নিজেকে নিয়ে ব্যস্ত থাকলে মানুষের থেকে কল্যাণের মধ্যেই থাকা যায়.”
📄 আল্লাহ, নবি ﷺ ও সাহাবিদের সঙ্গলাভ
১২৪. উসমান ইবনু সাঈদ বলেন, “আমি নুআইম ইবনু হাম্মাদকে বলতে শুনেছি যে, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক অধিকাংশ সময় ঘরেই অবস্থান করতেন। তাঁকে একদিন জিজ্ঞেস করা হলো, 'আপনার একা একা লাগে না?' তিনি বলেন, 'একা লাগবে কেন? আমি তো নবি ও তাঁর সঙ্গীদের সাথে থাকি' (অর্থাৎ, ঘরে বসে তিনি হাদীস এবং সাহাবায়ে কেরামের আছার অধ্যয়ন করতেন।) "
১২৫. মানসূর ইবনু আবদিল্লাহ বলেন, “আমি আবুল হাসান ইবনু খাওয়ারিজমিকে বলতে শুনেছি : 'আল্লাহর কিতাবের হাফিয হওয়া সত্ত্বেও যে ব্যক্তি নির্জন অবস্থানে নিঃসঙ্গতা অনুভব করে, তার নিঃসঙ্গতা কখনো দূর হবে না.”
টিকাঃ
[১০৪] ইবনু আসাকির, তারিখু বাগদাদ, ১০/ ১৫৪。
📄 ধূর্ততার মূল আশ্রয়
১২৬. আবুল মিনহাল থেকে বর্ণিত আছে যে, আবুল আলিয়া বলেছেন : “আমরা নিজেদের মধ্যে আলোচনা করতাম—শীঘ্রই মানুষের ওপর এমন এক যুগ আসবে, যাতে মুমিনরা দাসীর চেয়েও অধিক লাঞ্ছনার জীবন যাপন করবে। সেই যুগে যে শিয়ালের মতো ধূর্ততার আশ্রয় নিতে পারে, তাকেই মনে করা হবে সবচেয়ে বুদ্ধিমান.”
১২৭. আবুল আলিয়া বলেন, “আমরা বলতাম, শীঘ্রই এমন এক যুগ আসবে, যখন সত্য দেখে তার কাছাকাছি জায়গা দিয়ে চলা মানুষটাকেই বলা হবে সর্বোত্তম."
১২৮. মালিক ইবনু মিগওয়াল থেকে বর্ণিত আছে যে, শাবি বলেছেন : “আমি যামানার জন্য ক্রন্দন করি না, বরং ফিতনার যামানার ওপর ক্রন্দন করি."
টিকাঃ
[১০৫] ইবনু আবী শাইবা, আল মুসান্নাফ, ১৫/১২২; হাকিম, আল মুসতাদরাক, ৪/৫০০。