📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 যুহদের ব্যাপারে মণীষীদের বুঝ

📄 যুহদের ব্যাপারে মণীষীদের বুঝ


৭৩. আব্বাস ইবনু ইউসুফ আশ শিকলি বলেন, "আমি ইয়াকুব ইবনুল ফারজিকে বলতে শুনেছি : 'যুহদের (দুনিয়া-বিমুখতা) ব্যাপারে লোকজন বিভিন্ন মতামত ব্যক্ত করেছে। একদলের মতে যুহদ হলো, উচ্চ আশা-আকাঙ্ক্ষা না রাখা। এটা সুফিয়ান সাওরি, আহমাদ ইবনু হাম্বল এবং ঈসা ইবনু ইউনুস প্রমুখ মনীষীদের মতামত। আরেক দলের মতে যুহদ হলো দরিদ্রতা পছন্দ করার পাশাপাশি আল্লাহর প্রতি গভীর আস্থা রাখা। এটা আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারক, শাকিক এবং ইউসুফ ইবনু আসবাত-এর মত। আরেক দলের মতে যুহদ হলো, দিনার দিরহাম পরিত্যাগ করা। এটা আবদুল ওয়াহিদ ইবনু যাইদের মত। আরেক দলের মতে দুনিয়ার যা না হলেও চলে, এমন অতিরিক্ত বিষয় পরিত্যাগ করা। আরেক দলের মতে, যে সকল জিনিস মানুষকে আল্লাহ তাআলা থেকে উদাসীন করে দেয়, তার সবগুলো পরিত্যাগ করা। এটা দারানি-এর মত। আরেক দলের মতে, যুহد হলো নফসের সাথে সকল ধরনের সম্পর্ক ছিন্ন করে ফেলা। আরেক দলের মতে, ইলমের যাবতীয় দলিল এবং ইয়াকীনের সকল সাক্ষ্য অনুযায়ী আমল করা। আরেক দলের মতে, কোনো ধরনের কৃত্রিমতা ছাড়াই দুনিয়ার প্রতি অন্তরে অনীহা তৈরি হওয়া। এই মত ব্যক্ত করেছেন হারিসা। আরেক দলের মতে, নিয়ামাত লাভ করে কৃতজ্ঞতা আদায় করা এবং বিপদের সময় ধৈর্য ধারণ করা। এটা ইবনু উয়াইনার মত। আরেক দলের মতে, যে ব্যক্তি সকল হালাল কাজে কৃতজ্ঞতা আদায় করে এবং হারাম কাজ থেকে নিজেকে নিবৃত্ত রাখে সে হলো যাহিদ। এটা যুহরি-এর মত.”
৭৪. মুয়াবিয়া ইবনু আবদিল করীম বলেন, “হাসান বাসরি -এর সামনে একবার যুহদের পরিচয় সম্পর্কে আলোচনা উঠে। কেউ বলে, যুহদের সম্পর্ক পোশাক-আশাকের সাথে। আরেকজন বলে খাবার-দাবারের সাথে। আরেকদল ভিন্ন আরেক মত পোষণ করে। হাসান বাসরি তখন বলেন, তোমাদের কারও কথাই সঠিক নয়। বরং যাহিদ হলো ঐ ব্যক্তি, কাউকে (কোনো মুসলিমকে) দেখলেই যে বলে—সে তো আমার চেয়ে উত্তম.”

টিকাঃ
[৭৮] ইবনু আবী শাইবা, আল কিতাবুল মুসান্নাফ, ১৪/৫১。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 যাহিদের বিস্তারিত পরিচয়

📄 যাহিদের বিস্তারিত পরিচয়


৭৫. আমি আবূ আবদুর রহমান আস সুলামির নিকট পড়েছি, ইয়াহিয়া ইবনু মুয়াযকে জিজ্ঞেস করা হলো, “যাহিদের লক্ষণ কী?” তিনি বলেন, “যা জুটে যাবে, সে তা-ই গ্রহণ করবে। যেখানেই সুযোগ হবে, সেখানেই থাকবে। যা দিয়ে লজ্জাস্থান ঢেকে যায়, সেটাকেই পোশাক হিসেবে গ্রহণ করে নিবে। দুনিয়া হবে তার কারাগার। দারিদ্র্য হবে তার সদা সঙ্গী। নিঃসঙ্গতা হবে তার বৈঠকের সাথি। শয়তান হবে তার শত্রু। কুরআন হবে তার বন্ধু। আল্লাহ তাআলা হবেন তার উদ্দেশ্য। যিকর হবে তার সাথি। দুনিয়াবিমুখতা হবে তার একান্ত বন্ধু। প্রজ্ঞা হবে তার প্রিয় খাবার। নীরবতা হবে তার কথা। শিক্ষা হবে তার চিন্তার বিষয়। জ্ঞান হবে তার পরিচালক। ধৈর্য হবে তার বালিশ। তাওবা হবে তার বিছানা। ইয়াকীন হবে তার সঙ্গী। নসীহত হবে তার ক্ষুধা। সিদ্দিকগণ হবেন তার ভাই। বিবেক হবে তার পথপ্রদর্শক। তাওয়াক্কুল হবে তার রিযক। আমল হবে তার ব্যস্ততা। ইবাদাত হবে তার পেশা। তাকওয়া হবে তার পাথেয়। কল্যাণকর কাজ হবে তার বাহন। প্রজ্ঞা হবে তার উযির। তাওফিক হবে তার সঙ্গী। জীবন হবে তার সফর। দিনগুলো হবে তার সফরের একেকটি স্টেশন। জান্নাত হবে তার ঠিকানা। আল্লাহ তাআলা হবেন তার আশ্রয়স্থল.”

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 ধনাঢ্যতার সাথে যুহদের সম্পর্ক

📄 ধনাঢ্যতার সাথে যুহদের সম্পর্ক


৭৬. আবুল হাসান আল খাব্বায বলেন, “আমি আবূ উসমানকে বলতে শুনেছি : 'বিত্তশালীদের যুহদ হলো অল্পে তুষ্টি। আর দরিদ্রদের যুহদ হলো নিজেদের অবস্থার বিপরীত কিছু না চাওয়া'.”
৭৭. বিশর ইবনু হারিস বলেন, “ফুযাইল ইবনু ইয়ায বলেছেন: 'হে বিশর, দুনিয়া-বিমুখতার ক্ষেত্রেই মানুষ আল্লাহর প্রতি সবচেয়ে বেশি সন্তুষ্ট হতে পারে।' আমি তখন বললাম, 'আবূ আলি, এটা আবার কীভাবে?' তিনি বলেন, 'কোনো কিছু লাভ করলে তোমার অন্তরের অবস্থা যেমন হয়ে থাকে, তা থেকে বঞ্চিত হলেও অন্তরের অবস্থা তা-ই থাকা'.”
৭৮. ইবরাহীম বলেন, “ফুযাইল ইবনু ইয়াযকে জিজ্ঞেস করলাম, 'যুহদ কী?' তিনি বলেন, 'অল্পে তুষ্টি হলো যুহদ; আর এটাই হলো ধনাঢ্যতা'.”
৭৯. আহমাদ ইবনু আবীল হাওয়ারি থেকে বর্ণিত আছে, আবূ সুলাইমান আদ দাররানি বলেছেন: "লোকে ধনী হতে চায়। তারা মনে করে, ধনাঢ্যতা হলো অর্থসম্পদ জমা করার নাম। অথচ ধনাঢ্যতা রয়েছে অল্পে তুষ্টিতে। কিছু লোক সম্পদের প্রাচুর্যের মধ্যে সুখ-শান্তি খোঁজে, অথচ সুখ-শান্তি রয়েছে স্বল্পতায়। তারা মানুষের কাছে সম্মানের আশা রাখে, অথচ সম্মান তো রয়েছে তাকওয়ায়। তারা মোলায়েম পোশাক এবং সুস্বাদু খাবারে নিয়ামাত সন্ধান করছে, অথচ ইসলামে নিয়ামাত রয়েছে গুনাহ পরিত্যাগে এবং সুস্থতায়.”
৮০. ইবরাহীম ইবনু বাশশার আস সুফি বলেন, “আমি, ইবরাহীম ইবনু আদহাম, আবূ ইউসুফ আল গাসুলি এবং আবূ আবদিল্লাহ সানজাবি একবার ইস্কান্দারিয়ার উদ্দেশ্যে বের হই। পথিমধ্যে নাহরুল উর্দুন নামক একটি নদী আমাদের সামনে পড়ে। সেখানে বসে কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিই আমরা। আবূ ইউসুফের সাথে কয়েক টুকরো শুকনো রুটি ছিল। তিনি আমাদের সামনে পেশ করেন সেগুলো। আমরা এতে আল্লাহর প্রশংসা করি। এরপর আমি ইবরাহীম ইবনু আদহামের জন্য পানি আনতে দাঁড়ালে তিনি আমার আগেই নদীতে নেমে পড়েন। হাঁটু পানিতে নেমে উভয় হাতের কব্জি দিয়ে পানি উঠান। 'বিসমিল্লাহ' বলে তা পান করে বলেন, 'আলহামদুলিল্লাহ।' নদী থেকে উঠে তিনি উভয় পা প্রসারিত করে বলেন, 'আবূ ইউসুফ! আমরা যে হাসি আনন্দ এবং নিয়ামাতের মধ্যে রয়েছি, যদি রাজা-বাদশাহ এবং রাজপুত্ররা তা জানত, তাহলে আমাদের সুস্বাদু খাবার এবং অল্পস্বল্প পরিশ্রমের নিয়ামাত অর্জনে তারা আমাদের সাথে লড়াই বাঁধিয়ে দিত.' আমি তখন তাকে বললাম, 'আবূ ইসহাক! লোকেরা তো সুখ-শান্তি এবং রহমত খুঁজে বেড়াচ্ছে। কিন্তু এর সঠিক পথ থেকে বিচ্যুত হয়ে পড়েছে তারা.' তিনি তখন মুচকি হেসে বলেন, 'তুমি এমন কথা বলা শিখলে কোথা থেকে!'”
৮১. ইবরাহীম ইবনু বাশশার বলেন, “আমরা এক সন্ধ্যায় ইবরাহীম ইবনু আদহামের সাথে ছিলাম। সে সন্ধ্যায় ইফতার করার মতো কিছুই ছিল না আমাদের কাছে। এমনকি খাবার জোগাড়ের মতো কোনো ব্যবস্থাও না। তিনি তখন আমাকে চিন্তিত দেখে বলেন, 'দেখো, ইবরাহীম! আল্লাহ তাআলা ফকির মিসকিনদের দুনিয়া-আখিরাতের কত নিয়ামাত এবং সুখ শান্তি দিয়ে রেখেছেন! কিয়ামাতের দিন তিনি তাদের যাকাত সম্পর্কে, হাজ্জ সম্পর্কে, সাদাকাহ সম্পর্কে, আত্মীয়তার সম্পর্ক বজায় রাখার সম্পর্কে এবং সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানানো সম্পর্কে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন না। বরং তিনি এ সকল বিষয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করবেন ঐসকল মিসকিনদের, যারা দুনিয়ার জীবনে ধনী কিন্তু পরকালের জীবনে দরিদ্র। দুনিয়াতে তারা সম্মানিত কিন্তু কিয়ামাতের দিন তারা হবে লাঞ্ছিত। তাই চিন্তিতও হয়ো না। টেনশন কোরো না। আল্লাহর রিযক তোমার কাছে অবশ্যই আসবে। আল্লাহর কসম! আমরাই তো হলাম রাজা-বাদশাহ এবং বিত্তশালী! আমরা তো দুনিয়াতেই সুখ-শান্তি ভোগ করে নিচ্ছি। যদি আল্লাহর আনুগত্যের মধ্যে থাকি, তাহলে কোন অবস্থায় সকাল কাটল আর কোন অবস্থায় সন্ধ্যা অতিবাহিত হলো, তার কোনো পরোয়া নেই আমাদের!'
ইবরাহীম ইবনু আদহাম এরপর সালাতে দাঁড়িয়ে যান। আমিও তা-ই করি। এর কিছুক্ষণ পরই দেখতে পেলাম, এক ব্যক্তি আটটি রুটি এবং অনেকগুলো খেজুর নিয়ে এসেছে। সে এগুলো আমাদের সামনে রেখে বলে, 'এগুলো খেয়ে নিন। আল্লাহ আপনাদের প্রতি রহম করুন।' ইবরাহীম ইবনু আদহাম তখন আমাকে বললেন, 'এই যে চিন্তিত সাহেব! নাও, আহার করো.'
এরইমধ্যে এক ভিক্ষুক এসে বলে, 'আমাকে কিছু খাবার দিন।' তিনি তিনটি রুটি এবং কিছু খেজুর ভিক্ষুককে দিয়ে দেন আর আমাকে দেন তিনটি রুটি। নিজে খেলেন দুটি। এরপর বললেন, 'সহমর্মিতা জানানো মুমিনের চরিত্র.”
৮২. কাসিম ইবনু মুনাব্বিহ বলেন, "আমি বিশর ইবনু হারিসকে বলতে শুনেছি, 'আল্লাহর কসম! দুনিয়ার ফকির মিসকিনরাই আসলে করুণার পাত্র.”
৮৩. মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল্লাহ ইবনু শাজান বলেন, "আমি মুহাম্মাদ ইবনু আলি আল কাত্তানিকেশ বলতে শুনেছি, 'যে ব্যক্তি সুখ-শান্তির মাধ্যমে প্রশান্তি খোঁজে, প্রশান্তি তার কাছ থেকে বিদায় নেয়.”
৮৪. হাসান ইবনু আলি আল আবরাশ বলেন, "আমি যুননুন-কে বলতে শুনেছি: 'যাকে সন্তুষ্টি জ্ঞাপনের নিয়ামাত থেকে বঞ্চিত করে দেওয়া হয়েছে, তার থেকে ধনাঢ্যতা কেড়ে নেওয়া হয়েছে। অল্পতে যে ব্যক্তি তুষ্ট হতে পারে না, অধিক সম্পদ অর্জন করতে গিয়েই দরিদ্র হয়ে যায় সে.'”
৮৫. আবূ বকর বলেন, "আমি বিশর ইবনু হারিসকে বলতে শুনেছি, 'ভিক্ষুকের একমাত্র উদ্দেশ্যই যদি হতো সম্মানজনক জীবন-যাপন, তাহলে এই ভিক্ষাই তার জন্য যথেষ্ট হতো.”
৮৬. আবূ মি'শার বলেন, "ইবরাহীম ইবনু আদহাম বলেছেন: 'যারা আল্লাহ তাআলার কৃতজ্ঞতা আদায় করে, আল্লাহ তাআলা তাদের অন্তরে প্রশান্তি দান করে থাকেন.”
আবূ নজর বলেন, “এরপর হিশাম এসে আমাদের এই বিষয়টি বলেছিলেন.”
৮৭. যাকারিয়া ইবনু দালবিহ আল ওয়ায়িজ বলেন, "আবদুল্লাহ ইবনু আবী যিয়াদ আল ক্বতাওয়ানি আমাকে বলেছেন, 'হে খুরাসানী! কোন জিনিস আপনাকে আপনার শহর থেকে বের করে দিল?' আমি বললাম, 'মর্যাদার লোভ!' তিনি বলেন, 'ঠিক বলেছেন। তবে অল্পে তুষ্টিকে বেছে নিন। তাহলে দুনিয়া ও আখিরাতে সর্বাবস্থায় মর্যাদাবান থাকতে পারবেন। অঢেল সম্পদে আসলে মর্যাদার কিছু নেই.”
৮৮. সুলাইমান ইবনু আবী সুলাইমান বলেন, "আমি আলি ইবনু আবদিল আযীযকে বলতে শুনেছি: 'যার মধ্যে অল্পেতুষ্টি নেই, অর্থ-সম্পদ কখনো তার ধনাঢ্যতা বৃদ্ধি করতে পারে না.”

টিকাঃ
[৭৯] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৭/৩৭০-৩৭১。
[৮০] আবূ নুআইম, হিলইয়াতুল আউলিয়া, ৭/৩৭০。
[৮১] ইবনু আসাকির, তাহযিবু তারিখি দিমাশক, ৫/২৮০。
[৮২] ইবনু মানযুর, মুখতাসারু তারিখি দিমাশক, ৫/১৯৯。

📘 শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের দুনিয়াবিমুখতা > 📄 প্রয়োজনের অধিক উপার্জনের অসম্ভাব্যতা

📄 প্রয়োজনের অধিক উপার্জনের অসম্ভাব্যতা


৮৯. হাসান থেকে বর্ণিত, আবূস সাহবা সিলাহ ইবনুল আশইয়াম বলেছেন, "যত জায়গায় রিযক থাকতে পারে, আমি তার সব জায়গায় তা খুঁজে দেখেছি। কিন্তু দিনের রিযক দিনে অর্জন ছাড়া আমাকে কেবল ক্লান্তিই দেখতে হয়েছে। আমি তখন বুঝতে পেরেছি, দিনেরটা দিনে অর্জন করাটাই আমার জন্য কল্যাণকর। অনেকেই এমন আছে, যাদের দিনের রিযক দিনে প্রদান করা হয়। কিন্তু সে আপন বিবেক বুদ্ধির স্বল্পতার কারণে বুঝতে পারে না যে, এটাই তার জন্য কল্যাণকর.”
৯০. হাসান থেকে বর্ণিত, আবূস সাহবা সিলাহ ইবনুল আশইয়াম বলেছেন : “দুনিয়ার যত জায়গায় হালাল রিযক ছিল, আমি তার সব জায়গা সন্ধান করেছি। কিন্তু সব জায়গা থেকেই কেবল জীবনধারণ পরিমাণ সামান্য খাবারই অর্জন করতে পারছিলাম। এই সামান্য সম্পদের মাধ্যমে জীবনধারণ করতে চাচ্ছিলাম না। কিন্তু ওইদিকে সামান্য সম্পদও পিছু ছাড়ছিল না আমার। এ অবস্থা দেখে আমি বলে উঠি, 'হে নফস! যতটুকু না হলেই নয় তোমাকে ততটুকু রিযক-ই প্রদান করা হয়েছে, তুমি এতেই তুষ্ট হয়ে যাও।' আমি তখন তাতেই তুষ্ট হয়ে গেছি, আমাকে আর কষ্ট সহ্য করতে হয়নি.”

টিকাঃ
[৮৩] ইবনু আবী শাইবা, আল কিতাবুল মুসান্নাফ, ১৩/৫৭৯。

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00