📄 মুচকি হাসি সুখ ও সৌভাগ্যের মাধ্যম
অন্যদের খুশি করার জন্য সবচেয়ে দ্রুত মাধ্যম হলো হৃদয় নিংড়ানো ও সত্য মুচকি হাসি। এর মাধ্যমে অন্যদের হৃদয়ে সুখ অনুভূত হয়।
পক্ষান্তরে মিথ্যা মৃদু হাসি অন্যের হৃদয়ে প্রভাব ফেলে না। অনেক সময় তারাও বুঝে ফেলে এই হাসি যে মিথ্যে। এমন মিথ্যা হাসি নিফাক সৃষ্টি করে। অন্য কারও কাছ থেকে কোনো উপকার বা ক্ষতি পাওয়ার ধারণা থেকে এই মিছে হাসির সৃষ্টি হয়। তাই সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য এমন হাসির মাধ্যমে তাদের তোষামোদ করে, যার বাইর ও ভেতর এক নয়। অত্যন্ত পরিতাপের সাথে বলতে হয়, বর্তমানে পুরো দুনিয়াজুড়ে এসব নিফাকি হাসির জয়জয়কার!
অধিকাংশ মানুষ কেবল ঠোঁটের মাধ্যমেই দয়া ও সহানুভূতি দেখায়। তাই তোমাকে অবশ্যই এসব মিথ্যা ও নিফাকি হাসি থেকে পবিত্র থাকতে হবে। তোমার ঠোঁট যেন পবিত্র ও নিষ্কলুষ হাসি হাসে অন্যদের জন্য। যা আশেপাশের সবার হৃদয়ে সুখের পরশ হয়ে দোল খাবে।
যদি তুমি অন্যের সাথে হাস্যোজ্জ্বল ও প্রফুল্ল থাকো, তাহলে একটি সুখকর ও আনন্দঘন পরিবেশ সৃষ্টি হবে। তাই অন্যদের সাথে এই বিষয়ে ঈর্ষা করো এবং প্রত্যেক জায়গায় আনন্দের বন্যা বইয়ে দাও। সব সময় মুচকি হাসো। এর দ্বারা যেভাবে তোমার ভেতরে সুখ অনুভূত হবে, তেমনই অন্যের ভেতরেও সুখের অনুভূতি জাগ্রত হবে। সাধারণত যারা মুচকি হাসি দিয়ে কথা বলে, তাদের প্রতি আমরা অনুরাগী হয়ে যাই এবং যারা গম্ভীর ও রাগান্বিত থাকে, তাদের পছন্দ করি না। তাই মুচকি হাসো। তাহলে মানুষ তোমার প্রতি আকৃষ্ট হবে।
নারী যখন মুখ কুঞ্চিত করে, রাগান্বিত হয়ে থাকে, তখন পুরো বাড়িটা জাহান্নামে রূপান্তরিত হয়।
তাই সর্বদা মুচকি হাসো এবং ডানে বামে পুরো পথে যারাই থাকবে, সবার মাঝে সুখের পরশ বিলাও। সব সময় হাসিমুখে থাকলে তোমার কোনো ক্ষতি হয়ে যাবে না। বরং এতে তোমার ও তোমার প্রিয় মানুষদের অন্তর প্রশান্ত থাকবে।
আব্দুল্লাহ বিন হারিস বলেছেন:
مَا رَأَيْتُ أَحَدًا أَكْثَرَ تَبَسُّمًا مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ
'আমি রাসুলুল্লাহ -এর চেয়ে বেশি মুচকি হাসতে আর কাউকে দেখিনি।'৯০
টিকাঃ
৯০. সুনানুত তিরমিজি: ৩৬৪১।
📄 সুন্দর ব্যবহারের মাঝে সুখ ও সৌভাগ্য রয়েছে
যারা উত্তম চরিত্রের অধিকারী, তারা স্ত্রী, সন্তান, প্রতিবেশী, আত্মীয়স্বজন ও প্রিয় মানুষদের কাছে প্রিয় হয়ে থাকে। এমনকি সবাই তাদের সম্মান করে।
পক্ষান্তরে যারা নোংরা চরিত্র ও কঠোর আচরণের অধিকারী, যারা কারও প্রতি সহানুভূতি দেখায় না এবং তাদের প্রতিও কেউ সহানুভূতি দেখায় না, যাদেরকে তাদের স্ত্রীরাও অপছন্দ করে, সেবকরা দেখতে পারে না, সন্তানরা ঘৃণা করে এবং পরিবার ও প্রতিবেশীরা যাদের দেখে বিরক্ত হয়—তাদের বাহ্যিক কাঠামো যতই সুন্দর হোক, সম্পদ যতই বেশি হোক, তারা কখনো সুখী হতে পারে না। বরং এরা সবচেয়ে দুঃখী, হতভাগা ও দুর্ভাগা মানুষ!
প্রফুল্লতা, আনন্দ-খুশি, উত্তম চরিত্র ও ভদ্রতা ইত্যাদি সবার সাথে সুন্দরভাবে মেলামেশা ও ওঠাবসা করার লক্ষণ। জাবির বিন আব্দুল্লাহ থেকে বর্ণিত, রাসুল বলেন:
كُلُّ مَعْرُوفِ صَدَقَةٌ، وَإِنَّ مِنَ الْمَعْرُوفِ أَنْ تَلْقَى أَخَاكَ بِوَجهِ طَلْقٍ، وَأَنْ تُفْرِغَ مِنْ دَلْوِكَ فِي إِنَاءِ أَخِيكَ
'প্রত্যেক ভালো কাজই সদাকা। তোমার মুসলিম ভাইয়ের সাথে হাস্যোজ্জ্বল চেহারায় সাক্ষাৎ করাও সদাকা। তোমার বালতি থেকে তোমার অপর ভাইয়ের পাত্র পূরণ করে দেওয়াও সদাকা।'৯১
(الْمُؤْمِنُ يَأْلَفُ، وَلَا خَيْرَ فِيمَنْ لَا يَأْلَفُ، وَلَا يُؤْلَفُ) মুমিন ব্যক্তি অন্যের প্রতি অন্তরঙ্গ ও সদয় হয়। আর যে ব্যক্তি কারও প্রতি অন্তরঙ্গ ও সদয় হয় না এবং তার প্রতিও কেউ অন্তরঙ্গ ও সদয় হয় না, তার মাঝে কোনো কল্যাণ নেই।'৯২ এ কথা বলে রাসুল মুমিনের গুণকীর্তন করেছেন।
উমর বিন খাত্তাব বলেছেন, 'মুসলিম ভাইদের সাথে সাক্ষাৎ করার দ্বারা দুঃখ দূর হয়ে যায়।'
আলি তাঁর ছেলেকে লক্ষ্য করে বলেছেন, 'সবচেয়ে গরিব সে, যার কোনো বন্ধু নেই।'
তিনি আরও বলেছেন, 'যার দুশ্চিন্তা বেশি, তার শরীর বেশি অসুস্থ হয়। যার চরিত্র বেশি খারাপ, তার আত্মা সর্বদা শাস্তির মধ্যে থাকে। যে সর্বদা মানুষের সাথে ঝগড়া করে, তার মানবিকতা, বদান্যতা ও সম্মান চলে যায়। শ্রেষ্ঠ ইমান হলো এই বিশ্বাস থাকা যে, যেখানেই থাকি না কেন, আল্লাহ আমার সাথেই আছেন।'
টিকাঃ
৯১. সুনানুত তিরমিজি: ১৯৭০।
৯২. শুআবুল ইমান: ৭৭৬৬।
📄 দ্বীন হচ্ছে মুআমালা
যে ব্যক্তি প্রতিবেশীর সাথে খারাপ ব্যবহার করে, ইসলাম তার ব্যাপারে কঠোর বিধান আরোপ করেছে। তার ব্যাপারে রাসুল বলেন:
وَاللَّهِ لَا يُؤْمِنُ، وَاللهِ لَا يُؤْمِنُ، وَاللهِ لَا يُؤْمِنُ قِيلَ: وَمَنْ يَا رَسُولَ اللَّهِ؟ قَالَ: «الَّذِي لَا يَأْمَنُ جَارُهُ بَوَائِقَهُ»
'আল্লাহর কসম, সে মুমিন নয়; আল্লাহর কসম, সে মুমিন নয়; আল্লাহর কসম, সে মুমিন নয়। বলা হলো, "সে কে ইয়া রাসুলাল্লাহ?' রাসুল বললেন, 'যার প্রতিবেশী তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকে না। '৯৩
কিছু মানুষ খুব সহজেই ইবাদতগুলো পালন করে এবং সমাজে ব্যাপকভাবে তা প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করে। তারাই আবার এমন এমন কাজ করে, যা উত্তম চরিত্র ও পরিপূর্ণ ইমানের পরিপন্থী।
এ বিষয়ে হাদিস শরিফে বর্ণিত আছে যে,
قَالَ رَجُلٌ: يَا رَسُولَ اللهِ، إِنَّ فُلَانَةَ يُذْكَرُ مِنْ كَثْرَةِ صَلَاتِهَا، وَصِيَامِهَا، وَصَدَقَتِهَا، غَيْرَ أَنَّهَا تُؤْذِي جِيرَانَهَا بِلِسَانِهَا، قَالَ: «هِيَ فِي النَّارِ»، قَالَ: يَا رَسُولَ اللهِ، فَإِنَّ فُلَانَةَ يُذْكَرُ مِنْ قِلَّةِ صِيَامِهَا، وَصَدَقَتِهَا، وَصَلَاتِهَا، وَإِنَّهَا تَصَدَّقُ بِالْأَنْوَارِ مِنَ الْأَقِطِ، وَلَا تُؤْذِي جِيرَانَهَا بِلِسَانِهَا، قَالَ: «هِيَ فِي الْجَنَّةِ»
'এক ব্যক্তি বলল, “হে আল্লাহর রাসুল, অমুক মহিলার ব্যাপারে জানি যে, সে বেশি বেশি সালাত আদায় করে, রোজা রাখে এবং সদাকা করে; কিন্তু সে কথার দ্বারা প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয়।” রাসুল বললেন, “সে জাহান্নামি।" অতঃপর লোকটি বলল, “হে আল্লাহর রাসুল, অমুক মহিলার ব্যাপারে জানি যে, সে খুব কম রোজা রাখে, অল্প দান-খয়রাত করে এবং কম সালাত আদায় করে আর সে সামান্য পনির সদাকা করে; কিন্তু সে তার প্রতিবেশীকে কষ্ট দেয় না।" রাসুল বললেন, "সে জান্নাতি। ৯৪
আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, 'আমি রাসুল-কে বলতে শুনেছি :
«أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِأَحَبِّكُمْ إِلَيَّ وَأَقْرَبِكُمْ مِنِّي تَجْلِسًا يَوْمَ الْقِيَامَةِ؟ فَسَكَتَ الْقَوْمُ، فَأَعَادَهَا مَرَّتَيْنِ أَوْ ثَلَاثًا، قَالَ الْقَوْمُ: نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالَ: أَحْسَنُكُمْ خُلُقًا»
"আমি কি তোমাদের বলে দেবো না যে, তোমাদের মধ্যে কে আমার অধিক প্রিয় এবং কিয়ামতের দিন আমার সবচেয়ে কাছে থাকবে?" এ কথা তিনি দুই বা তিনবার বলেছেন। অতঃপর লোকেরা বলল, "জি, অবশ্যই বলুন, হে আল্লাহর রাসুল!” তারপর তিনি বললেন, "তোমাদের মধ্যে যে সবচেয়ে বেশি উত্তম চরিত্রের অধিকারী।"৯৪
আল্লাহ তাআলা আমাদের জন্য স্পষ্ট করে দিতে চান, পরিশুদ্ধ আত্মা ও পরিশুদ্ধ জীবনযাপনের সুদৃঢ় সম্পর্ক এবং সুন্দর আচরণ ও সুন্দর জীবনাচারের মজবুত যোগসূত্র। তাই তো তিনি গুরুত্ব দিয়ে বলেছেন যে, তার ব্যাপক বরকত মুমিনদের ওপর নিরাপত্তা হয়ে বর্ষিত হয় এবং মুত্তাকি ও মুহসিনদের ওপর অনুগ্রহ ও সদাচার হয়ে নাজিল হয়। তিনি বলেন:
وَلَوْ أَنَّ أَهْلَ الْقُرَى آمَنُوا وَاتَّقُوا لَفَتَحْنَا عَلَيْهِم بَرَكَاتٍ مِّنَ السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ
'আর যদি সে জনপদের অধিবাসীরা ইমান আনত এবং পরহেজগারি অবলম্বন করত, তবে আমি তাদের প্রতি আসমানি ও পার্থিব নিয়ামতসমূহ উন্মুক্ত করে দিতাম। ৯৬
টিকাঃ
৯৩. সহিহুল বুখারি: ৬০১৬।
৯৪. মুসনাদু আহমাদ: ৯৬৭৫।
৯৫. মুসনাদু আহমাদ: ৬৭৩৫।
৯৬. সুরা আল-আরাফ, ৭: ৯৬।
📄 ভালো কাজ মন্দ কাজকে দূর করে দেয়
পবিত্র কুরআনে একটি মহান আয়াত আছে। যেখানে একই সঙ্গে দ্বীন ও দুনিয়ার বিষয় অত্যন্ত সুস্পষ্ট ও চমৎকার ভঙ্গিতে তুলে ধরা হয়েছে। ভুলত্রুটি বহু মানুষের পদদ্বয়কে রক্তাক্ত করেছে, তাদের সুখ ও সৌভাগ্যকে পিষে দিয়েছে এবং সহজ ও সাবলীল জীবনধারণে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করেছে।
আমাদের মধ্যে এমন কে আছে, যে কোনো ভুল বা পাপ করে না?! না, এমন কাউকে পাওয়া যাবে না। কিন্তু যখন মানুষ খারাপ কাজ করার পরপরই কোনো ভালো কাজ করে নেবে, তখন আল্লাহ তাআলা তা মুছে দেবেন। আমাদের সামাজিক জীবনে ও মিলবন্ধনে আল্লাহ তাআলার এই ঐশী হিদায়াতটি প্রয়োগ করা খুবই প্রয়োজন। প্রতিনিয়ত মানুষ একে অন্যের সাথে খারাপ ব্যবহার করছে। সহপাঠীর সাথে কোনো না কোনো ভুল আচরণ করছে, স্ত্রীর সাথে রাগারাগি করছে, বন্ধুবান্ধবের সাথে অন্যায় করছে, সন্তানের সাথে রূঢ় আচরণ দেখাচ্ছে, প্রতিবেশীকে কষ্ট দিচ্ছে ইত্যাদি এমন আরও বহু খারাপ আচরণ প্রকাশ পাচ্ছে। কখনো আমাদের মেজাজ খারাপ থাকে, কখনো শিরাগুলো স্থির থাকে না, আবার কখনো ভুল বোঝাবুঝি হয়, মাঝে মাঝে শয়তান প্রভাব বিস্তার করে, কিংবা অজান্তেই মুখ দিয়ে অপ্রীতিকর কথা বেরিয়ে আসে, কখনো কারও চিন্তায় হৃদয়টা সংকীর্ণ হয়ে রয় ইত্যাদি বহু কারণে আমরা অজান্তেই অন্যের সাথে এমন আচরণ করে বসি, যার উপযুক্ত সে নয়।
এ ধরনের আচরণ প্রকাশ পাওয়া কখনোই উচিত নয়। কিন্তু তবুও প্রকাশ পেয়েই যায়। তবে এর মহৌষধ হচ্ছে, খারাপ আচরণের পরপরই কোনো ভালো আচরণ করা। তাহলেই খারাপটা মুছে যাবে। তবে তা হতে হবে উত্তম বাক্য উচ্চারণের মাধ্যমে, সুন্দর চেহারা দিয়ে, অন্তর থেকে বেরিয়ে আসা সৌহার্দ্য দিয়ে, হাস্যোজ্জ্বলভাবে, উদারতার সাথে, সত্য প্রশংসার মাধ্যমে, একনিষ্ঠতার সাথে অপারগতা প্রকাশ করার মাধ্যমে এবং অন্যদের আপত্তিগুলো অনুভব করার মাধ্যমে। কারণ, তারাও তো আমাদের মতোই মানুষ। যেভাবে আমরা ভুল করি, তারাও তো ভুল করে থাকে। কখনো তারা এমন পরিস্থিতির শিকার হয়, যা আমরা জানিই না। যেসব পরিস্থিতির কারণে তারা টেনশনে থাকে। সবচেয়ে বুদ্ধিমান মানুষ সে, যে অন্যের কাছে নিজের অক্ষমতা ও অপারগতা প্রকাশ করে। এ ধরনের মানুষ জীবনে সুখী হতে পারে। অসম্ভব কিছু তালাশ করে জীবনকে কুড়ে কুড়ে শেষ করে না।
যদি কখনো তুমি ভুল করো, তাহলে হা-হুতাশ ও আক্ষেপ করেই সময় ব্যয় করো না। বরং এমনভাবে অনুতপ্ত হও, যার ফলে ভুল থেকে উত্তরণের পথ খুঁজে পাও এবং উপকৃত হতে পারো। কিন্তু কখনো 'যদি এমন হতো...' ইত্যাদি কথা বোলো না। কারণ, এমন কথায় শয়তান সুযোগ পায়। রাসুল ﷺ-এর নির্দেশনা হলো, খারাপ কোনো কাজ করে ফেললে এর পরপরই ভালো কাজ করে নাও। তাহলে অচিরেই ভুল দূর হয়ে যাবে এবং আল্লাহর ইচ্ছায় সামনেই সৌভাগ্য দেখতে পাবে। তিনি বলেন:
اتَّقِ اللهِ حَيْثُمَا كُنْتَ، وَأَتْبِعِ السَّيِّئَةَ الحَسَنَةَ تَمْحُهَا، وَخَالِقِ النَّاسَ بِخُلُقٍ حَسَن
'যেখানেই থাকো আল্লাহকে ভয় করো। মন্দ কাজের পরপরই ভালো কাজ করো—তাতে মন্দ দূরীভূত হয়ে যাবে। আর মানুষের সাথে উত্তম আচরণ করো। ৯৭
টিকাঃ
৯৭. সুনানুত তিরমিজি: ১৯৮৭।