📘 সচ্চরিত্রতা ও চারিত্রিক গুণাবলী > 📄 আত্মীয়র সাথে সচ্চরিত্রতা

📄 আত্মীয়র সাথে সচ্চরিত্রতা


আত্মীয়দের সাথে সদ্ব্যবহার করা এবং সচ্চরিত্রতার আচরণ করা একটি জরুরী বিষয়। যেহেতু মহান আল্লাহর নির্দেশ তাই। মহানবী এর আদেশ তাই। ঈমানের দাবী তাই।
যেহেতু আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করলে আল্লাহ সম্পর্ক ছিন্ন করেন।
যেহেতু জ্ঞাতিবন্ধন বজায় রাখা আল্লাহর নিকট প্রিয় কাজ এবং জ্ঞাতিবন্ধন ছিন্ন করা আল্লাহর নিকট ঘৃণ্য কাজ।
আত্মীয় যদি আত্মীয়তা বজায় না রাখতে চায়, তবুও তার সাথে নিজের কর্তব্য হিসাবে বন্ধন বজায় রাখার চেষ্টা ক'রে যেতে হবে। সে না এলেও আপনাকে যেতে হবে। সে না দিলেও আপনাকে দিতে হবে। সে দাওয়াত না দিলেও আপনাকে দিতে হবে। আপনার অসুখে সে দেখা করতে না এলেও আপনাকে তার অসুখে দেখা করতে যেতে হবে। সে অধম হলে আপনাকে উত্তম হতে হবে। তবেই আপনি চরিত্রবান মানুষ। তবেই আপনি ভালো মানুষ। তাতে আপনার আয়ু বাড়বে, আপনার বয়সে বরকত হবে। আপনার রুযী-রোযগারেও বরকত হবে।
আত্মীয়কে বিশেষ উপলক্ষ্যে দাওয়াত দিন। তার বিপদে সাহায্য করুন। তার অভাবে দান করুন। যেহেতু আত্মীয়কে দান করলে ডবল সওয়াব লাভ হয়।
মাঝে-মধ্যে যিয়ারত করুন। সময়াভাবে যাওয়া-আসা না করতে পারলেও ফোনের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নিন।
তবে মনে রাখবেন, আত্মীয়তার বন্ধন অপেক্ষা ঈমানের বন্ধন বেশি মজবুত। আশা করি তা বুঝিয়ে বলার দরকার হবে না। যেহেতু আপনি এ কাজ করবেন আল্লাহর ওয়াস্তে। আর আত্মীয় যদি আল্লাহর দুশমন হয়, তাহলে আল্লাহর দুশমনের সাথে আপনার সম্পর্ক কীসের?
পারলে আত্মীয়র বন্ধুর সাথেও সম্পর্ক বজায় রাখুন। যেহেতু 'দোস্ত কা দোস্ত, দোস্ত হোতা হ্যায়।'
আর জেনে রাখবেন, আত্মীয়তার বন্ধন ছেদন করার শাস্তি দুনিয়াতেও পাওয়া যায়। আর আখেরাতেও আছে। সেখানে আত্মীয়তার বন্ধন ছেদনকারীর স্থান জাহান্নামে। আর আত্মীয়তার বন্ধন বজায়কারী জান্নাত লাভে ধন্য হবে। আল্লাহ করুন, আপনি চরিত্রবান হন এবং জান্নাতলাভে ধন্য হন।

আত্মীয়দের সাথে সদ্ব্যবহার করা এবং সচ্চরিত্রতার আচরণ করা একটি জরুরী বিষয়। যেহেতু মহান আল্লাহর নির্দেশ তাই। মহানবী এর আদেশ তাই। ঈমানের দাবী তাই।
যেহেতু আত্মীয়তার সম্পর্ক ছিন্ন করলে আল্লাহ সম্পর্ক ছিন্ন করেন।
যেহেতু জ্ঞাতিবন্ধন বজায় রাখা আল্লাহর নিকট প্রিয় কাজ এবং জ্ঞাতিবন্ধন ছিন্ন করা আল্লাহর নিকট ঘৃণ্য কাজ।
আত্মীয় যদি আত্মীয়তা বজায় না রাখতে চায়, তবুও তার সাথে নিজের কর্তব্য হিসাবে বন্ধন বজায় রাখার চেষ্টা ক'রে যেতে হবে। সে না এলেও আপনাকে যেতে হবে। সে না দিলেও আপনাকে দিতে হবে। সে দাওয়াত না দিলেও আপনাকে দিতে হবে। আপনার অসুখে সে দেখা করতে না এলেও আপনাকে তার অসুখে দেখা করতে যেতে হবে। সে অধম হলে আপনাকে উত্তম হতে হবে। তবেই আপনি চরিত্রবান মানুষ। তবেই আপনি ভালো মানুষ। তাতে আপনার আয়ু বাড়বে, আপনার বয়সে বরকত হবে। আপনার রুযী-রোযগারেও বরকত হবে।
আত্মীয়কে বিশেষ উপলক্ষ্যে দাওয়াত দিন। তার বিপদে সাহায্য করুন। তার অভাবে দান করুন। যেহেতু আত্মীয়কে দান করলে ডবল সওয়াব লাভ হয়।
মাঝে-মধ্যে যিয়ারত করুন। সময়াভাবে যাওয়া-আসা না করতে পারলেও ফোনের মাধ্যমে খোঁজ-খবর নিন।
তবে মনে রাখবেন, আত্মীয়তার বন্ধন অপেক্ষা ঈমানের বন্ধন বেশি মজবুত। আশা করি তা বুঝিয়ে বলার দরকার হবে না। যেহেতু আপনি এ কাজ করবেন আল্লাহর ওয়াস্তে। আর আত্মীয় যদি আল্লাহর দুশমন হয়, তাহলে আল্লাহর দুশমনের সাথে আপনার সম্পর্ক কীসের?
পারলে আত্মীয়র বন্ধুর সাথেও সম্পর্ক বজায় রাখুন। যেহেতু 'দোস্ত কা দোস্ত, দোস্ত হোতা হ্যায়।'
আর জেনে রাখবেন, আত্মীয়তার বন্ধন ছেদন করার শাস্তি দুনিয়াতেও পাওয়া যায়। আর আখেরাতেও আছে। সেখানে আত্মীয়তার বন্ধন ছেদনকারীর স্থান জাহান্নামে। আর আত্মীয়তার বন্ধন বজায়কারী জান্নাত লাভে ধন্য হবে। আল্লাহ করুন, আপনি চরিত্রবান হন এবং জান্নাতলাভে ধন্য হন।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00