📄 সুধারণা
চরিত্রবান নারী-পুরুষ যখন সুধারণা ও কুধারণার দ্বন্দে পড়ে, তখন সে মুসলিমের প্রতি সুধারণাই রাখে। অবশ্য নিশ্চিত ধারণা হলে সে কথা আলাদা এবং যে ক্ষেত্রে সুধারণা করলে ক্ষতির আশঙ্কা আছে, সে ক্ষেত্রে সুধারণা ক'রে নিশ্চিত হওয়া উচিত নয়।
'না কর ধারণা শূন্য রহে প্রতি বন, থাকিতেও পারে ব্যাঘ্র করিয়া শয়ন।'
স্ত্রী-কন্যার প্রতি সুধারণা রেখে স্বাধীনতা দিলে ক্ষতির আশঙ্কা আছে, সুতরাং তাদের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা জ্ঞানী ও বিচক্ষণ মানুষের অন্যতম সদাচরণ।
কেউ আপনার ফোন রিসিভ করল না। কেউ আপনাকে দাওয়াত দিল না। কেউ আপনার দাওয়াতে এল না। কেউ আপনার সাথে ওয়াদা ভঙ্গ করল---ইত্যাদি। সেই সময় সুচরিত্রবান কুধারণা না ক'রে সুধারণা ক'রে বলে, 'কুছ তো মাজবুরিয়াঁ রহী হোঙ্গী, ইঁউ কোয়ী বেঅফা নেহী হোতা।'
অর্থাৎ, কিছু নিরুপায় অবস্থা থেকে থাকবে, এমনি কেউ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে না।
হ্যাঁ, সুধারণা করাতে মানসিক শান্তি আছে, পাপ নেই। পক্ষান্তরে কুধারণা করাতে মনে অশান্তি আছে, তাতে পাপও হয়। মহান আল্লাহ বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيراً مِنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ
অর্থাৎ, হে বিশ্বাসিগণ! তোমরা বহুবিধ ধারণা হতে দূরে থাক; কারণ কোন কোন ধারণা পাপ। ৪৯৮
কুধারণা এক প্রকার মিথ্যা কথা, মিথ্যা অপবাদ। এই জন্য মানুষের প্রতি কুধারণা করতে হয় না। মহানবী বলেছেন,
إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ ، فَإِنَّ الظَّنَّ أَكْذَبُ الحَدِيثِ
"তোমরা কুধারণা থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখ। কারণ কুধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা।"৪৯৯
কোন এক জায়গায় এক জোড়া যুবক-যুবতী বসে আছে। হতে পারে তারা স্বামী-স্ত্রী, হতে পারে ভাই-বোন, আবার হতে পারে প্রেমিক-প্রেমিকা। সে ক্ষেত্রে সুধারণা ক'রে যদি স্বামী-স্ত্রী বা ভাই-বোন ধরে নেওয়া হয়, তাহলে মনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় না এবং পাপও হয় না; যদিও তারা তা না হয়। পক্ষান্তরে কুধারণা ক'রে তাদেরকে প্রেমিক-প্রেমিকা ধরে নিলে এবং তারা তা না হলে তাদের চরিত্রে অপবাদ আরোপ করা হয়, যা অনেক বড় গোনাহের কাজ।
একদা রাত্রিকালে সফিয়্যাহ (রাঃ) ই'তিকাফরত স্বামী মহানবী কে মসজিদে দেখা করার জন্য এলেন। কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলার পর তিনি বাসায় ফিরতে গেলে মহানবী তাঁকে পৌঁছে দিতে তাঁর সাথে বের হলেন। পথে আনসারদের দুই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের দেখা হলে তারা শীঘ্র চলতে লাগল। মহানবী বললেন, "ওহে! কে তোমরা? শোন। আমার সাথে এ মহিলা হল (আমারই স্ত্রী) সফিয়া বিন্তে হুয়াই।” তারা বলল, 'আল্লাহর পানাহ! সুবহানাল্লাহ! আপনার ব্যাপারেও কি আমরা কোন সন্দেহ করতে পারি?' মহানবী বললেন,
إِنَّ الشَّيْطَانَ يَجْرِى مِنَ الإِنْسَانِ مَجْرَى الدَّمِ وَإِنِّي خَشِيتُ أَنْ يَقْذِفَ فِي قُلُوبِكُمَا شَرًا
"(আমি বলছি না যে, তোমরা কোন কুধারণা ক'রে বসবে। কিন্তু আমি জানি যে,) শয়তান আদম সন্তানের রক্তশিরায় প্রবাহিত হয়। আর আমার ভয় হয় যে, সে তোমাদের মনে কোন কুধারণা প্রক্ষিপ্ত ক'রে দেবে।"৫০০
অনুরূপভাবে মহান প্রতিপালকের প্রতি সুধারণা রাখা নির্দেশ আছে মুসলিমের প্রতি। মহানবী বলেছেন,
لا يَمُوتَنَ أَحَدُكُمْ إِلَّا وَهُوَ يُحْسِنُ الظَّنَّ بِاللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ
"আল্লাহ আয্যা অজাল্লার প্রতি সুধারণা না রেখে তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই মৃত্যুবরণ না করে।”৫০১
কারণ আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বলেন,
أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي بِي ، وَأَنَا مَعَهُ حَيْثُ يَذْكُرُنِي
'আমি সেইরূপ, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সাথে থাকি, যখন যে আমাকে স্মরণ করে।"৫০২
টিকাঃ
৪৯৮. সূরা হুজুরাত ১২
৪৯৯. বুখারী ৫১৪৩, মুসলিম ৬৭০১
৫০০. বুখারী ২০৩৫, মুসলিম ৫৮০৮
৫০১. মুসলিম ৭৪১২, ইবনে মাজাহ ৪১৬৭
৫০২. বুখারী ৭৮০৫, মুসলিম ৭১২৮
চরিত্রবান নারী-পুরুষ যখন সুধারণা ও কুধারণার দ্বন্দে পড়ে, তখন সে মুসলিমের প্রতি সুধারণাই রাখে। অবশ্য নিশ্চিত ধারণা হলে সে কথা আলাদা এবং যে ক্ষেত্রে সুধারণা করলে ক্ষতির আশঙ্কা আছে, সে ক্ষেত্রে সুধারণা ক'রে নিশ্চিত হওয়া উচিত নয়।
'না কর ধারণা শূন্য রহে প্রতি বন, থাকিতেও পারে ব্যাঘ্র করিয়া শয়ন।'
স্ত্রী-কন্যার প্রতি সুধারণা রেখে স্বাধীনতা দিলে ক্ষতির আশঙ্কা আছে, সুতরাং তাদের ব্যাপারে সতর্কতা অবলম্বন করা জ্ঞানী ও বিচক্ষণ মানুষের অন্যতম সদাচরণ।
কেউ আপনার ফোন রিসিভ করল না। কেউ আপনাকে দাওয়াত দিল না। কেউ আপনার দাওয়াতে এল না। কেউ আপনার সাথে ওয়াদা ভঙ্গ করল---ইত্যাদি। সেই সময় সুচরিত্রবান কুধারণা না ক'রে সুধারণা ক'রে বলে, 'কুছ তো মাজবুরিয়াঁ রহী হোঙ্গী, ইঁউ কোয়ী বেঅফা নেহী হোতা।'
অর্থাৎ, কিছু নিরুপায় অবস্থা থেকে থাকবে, এমনি কেউ প্রতিশ্রুতি ভঙ্গ করে না।
হ্যাঁ, সুধারণা করাতে মানসিক শান্তি আছে, পাপ নেই। পক্ষান্তরে কুধারণা করাতে মনে অশান্তি আছে, তাতে পাপও হয়। মহান আল্লাহ বলেছেন,
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا اجْتَنِبُوا كَثِيراً مِنَ الظَّنِّ إِنَّ بَعْضَ الظَّنِّ إِثْمٌ
অর্থাৎ, হে বিশ্বাসিগণ! তোমরা বহুবিধ ধারণা হতে দূরে থাক; কারণ কোন কোন ধারণা পাপ। ৪৯৮
কুধারণা এক প্রকার মিথ্যা কথা, মিথ্যা অপবাদ। এই জন্য মানুষের প্রতি কুধারণা করতে হয় না। মহানবী বলেছেন,
إِيَّاكُمْ وَالظَّنَّ ، فَإِنَّ الظَّنَّ أَكْذَبُ الحَدِيثِ
"তোমরা কুধারণা থেকে নিজেদেরকে বাঁচিয়ে রাখ। কারণ কুধারণা সবচেয়ে বড় মিথ্যা কথা।"৪৯৯
কোন এক জায়গায় এক জোড়া যুবক-যুবতী বসে আছে। হতে পারে তারা স্বামী-স্ত্রী, হতে পারে ভাই-বোন, আবার হতে পারে প্রেমিক-প্রেমিকা। সে ক্ষেত্রে সুধারণা ক'রে যদি স্বামী-স্ত্রী বা ভাই-বোন ধরে নেওয়া হয়, তাহলে মনে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয় না এবং পাপও হয় না; যদিও তারা তা না হয়। পক্ষান্তরে কুধারণা ক'রে তাদেরকে প্রেমিক-প্রেমিকা ধরে নিলে এবং তারা তা না হলে তাদের চরিত্রে অপবাদ আরোপ করা হয়, যা অনেক বড় গোনাহের কাজ।
একদা রাত্রিকালে সফিয়্যাহ (রাঃ) ই'তিকাফরত স্বামী মহানবী কে মসজিদে দেখা করার জন্য এলেন। কিছুক্ষণ কথাবার্তা বলার পর তিনি বাসায় ফিরতে গেলে মহানবী তাঁকে পৌঁছে দিতে তাঁর সাথে বের হলেন। পথে আনসারদের দুই ব্যক্তির সঙ্গে তাঁদের দেখা হলে তারা শীঘ্র চলতে লাগল। মহানবী বললেন, "ওহে! কে তোমরা? শোন। আমার সাথে এ মহিলা হল (আমারই স্ত্রী) সফিয়া বিন্তে হুয়াই।” তারা বলল, 'আল্লাহর পানাহ! সুবহানাল্লাহ! আপনার ব্যাপারেও কি আমরা কোন সন্দেহ করতে পারি?' মহানবী বললেন,
إِنَّ الشَّيْطَانَ يَجْرِى مِنَ الإِنْسَانِ مَجْرَى الدَّمِ وَإِنِّي خَشِيتُ أَنْ يَقْذِفَ فِي قُلُوبِكُمَا شَرًا
"(আমি বলছি না যে, তোমরা কোন কুধারণা ক'রে বসবে। কিন্তু আমি জানি যে,) শয়তান আদম সন্তানের রক্তশিরায় প্রবাহিত হয়। আর আমার ভয় হয় যে, সে তোমাদের মনে কোন কুধারণা প্রক্ষিপ্ত ক'রে দেবে।"৫০০
অনুরূপভাবে মহান প্রতিপালকের প্রতি সুধারণা রাখা নির্দেশ আছে মুসলিমের প্রতি। মহানবী বলেছেন,
لا يَمُوتَنَ أَحَدُكُمْ إِلَّا وَهُوَ يُحْسِنُ الظَّنَّ بِاللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ
"আল্লাহ আয্যা অজাল্লার প্রতি সুধারণা না রেখে তোমাদের কেউ যেন অবশ্যই মৃত্যুবরণ না করে।”৫০১
কারণ আল্লাহ আয্যা অজাল্ল বলেন,
أَنَا عِنْدَ ظَنِّ عَبْدِي بِي ، وَأَنَا مَعَهُ حَيْثُ يَذْكُرُنِي
'আমি সেইরূপ, যেরূপ বান্দা আমার প্রতি ধারণা রাখে। আমি তার সাথে থাকি, যখন যে আমাকে স্মরণ করে।"৫০২
টিকাঃ
৪৯৮. সূরা হুজুরাত ১২
৪৯৯. বুখারী ৫১৪৩, মুসলিম ৬৭০১
৫০০. বুখারী ২০৩৫, মুসলিম ৫৮০৮
৫০১. মুসলিম ৭৪১২, ইবনে মাজাহ ৪১৬৭
৫০২. বুখারী ৭৮০৫, মুসলিম ৭১২৮
📄 রসিকতা
হাস্য-রসিকতা করা খোশ-মেজাজের লক্ষণ। সঙ্গী-সাথীদের সাথে রহস্য ও মস্করা করা আমুদে লোকের আলামত। যে মানুষ নিজে আনন্দে থাকে, সে অপরকে আনন্দ বিতরণ করতে পারে। আর সে মানুষ নিশ্চয় সুচরিত্রবান। তবে হাস্য-রসিকতা মানে বক্কানি বা ঢেটামি নয়। যেহেতু মু'মিনের চিত্ত হয় ভাবময়, রূপ হয় গাম্ভির্যপূর্ণ। অপরকে হাসাবার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বলে রসিকতা করা, মিথ্যা কৌতুক বা গল্প বানিয়ে অপরকে হাসানো সুচরিত্রবানের লক্ষণ নয়। যেহেতু রসূল বলেন,
وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ فَيَكْذِبُ لِيُضْحِكَ بِهِ الْقَوْمَ وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ
"দুর্ভোগ সেই ব্যক্তির, যে মিথ্যা বলে লোকেদেরকে হাসায়। দুর্ভোগ তার জন্য, দুর্ভোগ তার জন্য।"৫০৩
বলা বাহুল্য, রসিকতা ও মস্করায় মিথ্যা ও অশ্লীল কথা থাকবে না। রসূল সত্য কথার মাধ্যমেই মস্করা করেছেন। যেমন, আবু উমাইর নামক এক শিশুর খেলনা পাখী (নুগাইর) মারা গেলে সে দুঃখিত হয়। তা দেখে তিনি তাকে খোশ করার জন্য মস্করা করে বললেন, 'এই যে উমাইর! কি করেছে নুগাইর?”৫০৪
একদা এক ব্যক্তি তাঁর নিকট সওয়ারী উঁট চাইলে তিনি বললেন, "তোমাকে একটি উটনীর বাচ্চা দেব।" লোকটি বলল, 'হে আল্লাহর রসূল! বাচ্চা নিয়ে কী করব?' তিনি বললেন, "উটনী ছাড়া কি উট আর কেউ জন্ম দেয়?” (অর্থাৎ প্রত্যেক উটই তো তার মায়ের বাচ্চা।) ৫০৫
একদা এক বৃদ্ধা এসে বলল, 'হে আল্লাহর রসূল! আপনি দুআ করে দিন যাতে আল্লাহ আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।' তিনি মস্করা করে বললেন, 'বৃদ্ধারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" তা শুনে বৃদ্ধা কাঁদতে কাঁদতে প্রস্থান করল। তিনি সাহাবাদেরকে বললেন, "ওকে বলে দাও যে, বৃদ্ধাবস্থায় সে জান্নাতে যাবে না।” (বরং সে যুবতী হয়ে যাবে।) ৫০৬
টিকাঃ
৫০৩. আবু দাউদ ৪৯৯২, তিরমিযী ২৩১৫, সহীহুল জামে' ৭০১৩
৫০৪. বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৪৮৮৪
৫০৫. আবুদাউদ, তিরমিযী, মিশকাত ৪৮৮৬
৫০৬. শামায়েলুত তিরমিযী, রাযীন, গায়াতুল মারাম, মিশকাত ৪৮৮৮
হাস্য-রসিকতা করা খোশ-মেজাজের লক্ষণ। সঙ্গী-সাথীদের সাথে রহস্য ও মস্করা করা আমুদে লোকের আলামত। যে মানুষ নিজে আনন্দে থাকে, সে অপরকে আনন্দ বিতরণ করতে পারে। আর সে মানুষ নিশ্চয় সুচরিত্রবান। তবে হাস্য-রসিকতা মানে বক্কানি বা ঢেটামি নয়। যেহেতু মু'মিনের চিত্ত হয় ভাবময়, রূপ হয় গাম্ভির্যপূর্ণ। অপরকে হাসাবার উদ্দেশ্যে মিথ্যা বলে রসিকতা করা, মিথ্যা কৌতুক বা গল্প বানিয়ে অপরকে হাসানো সুচরিত্রবানের লক্ষণ নয়। যেহেতু রসূল বলেন,
وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ فَيَكْذِبُ لِيُضْحِكَ بِهِ الْقَوْمَ وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ
"দুর্ভোগ সেই ব্যক্তির, যে মিথ্যা বলে লোকেদেরকে হাসায়। দুর্ভোগ তার জন্য, দুর্ভোগ তার জন্য।"৫০৩
বলা বাহুল্য, রসিকতা ও মস্করায় মিথ্যা ও অশ্লীল কথা থাকবে না। রসূল সত্য কথার মাধ্যমেই মস্করা করেছেন। যেমন, আবু উমাইর নামক এক শিশুর খেলনা পাখী (নুগাইর) মারা গেলে সে দুঃখিত হয়। তা দেখে তিনি তাকে খোশ করার জন্য মস্করা করে বললেন, 'এই যে উমাইর! কি করেছে নুগাইর?”৫০৪
একদা এক ব্যক্তি তাঁর নিকট সওয়ারী উঁট চাইলে তিনি বললেন, "তোমাকে একটি উটনীর বাচ্চা দেব।" লোকটি বলল, 'হে আল্লাহর রসূল! বাচ্চা নিয়ে কী করব?' তিনি বললেন, "উটনী ছাড়া কি উট আর কেউ জন্ম দেয়?” (অর্থাৎ প্রত্যেক উটই তো তার মায়ের বাচ্চা।) ৫০৫
একদা এক বৃদ্ধা এসে বলল, 'হে আল্লাহর রসূল! আপনি দুআ করে দিন যাতে আল্লাহ আমাকে জান্নাতে প্রবেশ করান।' তিনি মস্করা করে বললেন, 'বৃদ্ধারা জান্নাতে প্রবেশ করবে না।" তা শুনে বৃদ্ধা কাঁদতে কাঁদতে প্রস্থান করল। তিনি সাহাবাদেরকে বললেন, "ওকে বলে দাও যে, বৃদ্ধাবস্থায় সে জান্নাতে যাবে না।” (বরং সে যুবতী হয়ে যাবে।) ৫০৬
টিকাঃ
৫০৩. আবু দাউদ ৪৯৯২, তিরমিযী ২৩১৫, সহীহুল জামে' ৭০১৩
৫০৪. বুখারী, মুসলিম, মিশকাত ৪৮৮৪
৫০৫. আবুদাউদ, তিরমিযী, মিশকাত ৪৮৮৬
৫০৬. শামায়েলুত তিরমিযী, রাযীন, গায়াতুল মারাম, মিশকাত ৪৮৮৮
📄 মুচকি হাসি
সাক্ষাতে মুচকি হাসি একটি সম্মোহনী সুচরিত্র। যাদের মাঝে দেখা-সাক্ষাৎ ও হাসি বিনিময় বৈধ আছে, তাদের মাঝে মুচকি হাসির ঝিলিক মনকে হৃদয়ের কারাগারে বন্দী ক'রে ফেলে।
পক্ষান্তরে সাক্ষাতে গোমড়া-মুখ হয়ে থাকা অন্তরে বিদ্বেষ সৃষ্টি করে। তাই স্বভাবতঃ হাসমুখ না হলেও ভাইয়ের সাক্ষাতে মৃদু হাস্য করা সচ্চরিত্র মানুষের লক্ষণ। আর সেটা একটা পুণ্যের কাজ ও সাদকা। মহানবী বলেছেন,
لَا تَحْقِرنَّ مِنَ المَعْرُوفِ شَيئاً وَلَوْ أَنْ تَلْقَى أَخَاكَ بِوَجْهِ طَلْقٍ
"তুমি পুণ্যের কোন কাজকে তুচ্ছ মনে করো না। যদিও তুমি তোমার (মুসলিম) ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করতে পার।” (অর্থাৎ হাসিমুখে সাক্ষাৎ করাও পুণ্যের কাজ)। ৫০৭
সুচরিত্রবান যেন প্রত্যেক মানুষের ক্যামেরার সামনে থাকে এবং মুচকি হাসি প্রদর্শন করে, ফলে সকলের কাছে তার ছবি সুন্দর লাগে।
অবৈধ প্রেম জগতে এ কথা অবিদিত নয় যে, মুচকি হাসি বিদ্যুত অপেক্ষা খরচে কম, কিন্তু চমকে অনেক বেশী। সুচরিত্রবান সেই চমক বৈধ সম্প্রীতি স্থাপনে ব্যবহার করে।
তরবারি দ্বারা জয় অপেক্ষা হাসি দ্বারা জয়ের মান ও স্থায়িত্ব অনেক বেশী। তাই তো হাসমুখ ব্যক্তি অধিকাংশ মানুষের মন জয় করে।
কারো সাথে মনোমালিন্য হতেই পারে। কারো প্রতি রাগ হতেই পারে। কিন্তু হাসমুখ ব্যক্তির প্রতি দীর্ঘক্ষণ রাগান্বিত থাকা যায় না। যেহেতু তার মৃদু হাসির বরিষণ রাগের তাপকে শীতল ক'রে দেয়।
অবশ্য কথায়-কথায় ফিক্কিক্, হাঃ-হাঃ, হোঃ-হোঃ, হিঃহিঃ ক'রে বেশি হাস্য করা সচ্চরিত্রতার লক্ষণ নয়। প্রগলভ বা ঢিটে মানুষ সুচরিত্রের অধিকারী হতে পারে না। তাছাড়া মহানবী বলেছেন,
لَا تُكْثِرُوا الضَّحِكَ فَإِنَّ كَثْرَةَ الضَّحِكِ تُمِيتُ الْقَلْبَ
"তোমরা বেশী বেশী হেসো না। কারণ, বেশী হাসার ফলে হৃদয় মারা যায়।"৫০৮
আর দুশ্চরিত্রের লক্ষণ হল হাসির মাঝে ফাঁসি দিয়ে অবৈধ প্রণয় সৃষ্টি করা। প্রথম সাক্ষাতের ঐ হাসি প্রশাসনের অথবা আত্মহত্যার ফাঁসি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
টিকাঃ
৫০৭. মুসলিম ৬৮৫৭
৫০৮. আহমাদ, ইবনে মাজাহ ৪১৯৩. সহীহুল জামে' ৭৪৩৫
সাক্ষাতে মুচকি হাসি একটি সম্মোহনী সুচরিত্র। যাদের মাঝে দেখা-সাক্ষাৎ ও হাসি বিনিময় বৈধ আছে, তাদের মাঝে মুচকি হাসির ঝিলিক মনকে হৃদয়ের কারাগারে বন্দী ক'রে ফেলে।
পক্ষান্তরে সাক্ষাতে গোমড়া-মুখ হয়ে থাকা অন্তরে বিদ্বেষ সৃষ্টি করে। তাই স্বভাবতঃ হাসমুখ না হলেও ভাইয়ের সাক্ষাতে মৃদু হাস্য করা সচ্চরিত্র মানুষের লক্ষণ। আর সেটা একটা পুণ্যের কাজ ও সাদকা। মহানবী বলেছেন,
لَا تَحْقِرنَّ مِنَ المَعْرُوفِ شَيئاً وَلَوْ أَنْ تَلْقَى أَخَاكَ بِوَجْهِ طَلْقٍ
"তুমি পুণ্যের কোন কাজকে তুচ্ছ মনে করো না। যদিও তুমি তোমার (মুসলিম) ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করতে পার।” (অর্থাৎ হাসিমুখে সাক্ষাৎ করাও পুণ্যের কাজ)। ৫০৭
সুচরিত্রবান যেন প্রত্যেক মানুষের ক্যামেরার সামনে থাকে এবং মুচকি হাসি প্রদর্শন করে, ফলে সকলের কাছে তার ছবি সুন্দর লাগে।
অবৈধ প্রেম জগতে এ কথা অবিদিত নয় যে, মুচকি হাসি বিদ্যুত অপেক্ষা খরচে কম, কিন্তু চমকে অনেক বেশী। সুচরিত্রবান সেই চমক বৈধ সম্প্রীতি স্থাপনে ব্যবহার করে।
তরবারি দ্বারা জয় অপেক্ষা হাসি দ্বারা জয়ের মান ও স্থায়িত্ব অনেক বেশী। তাই তো হাসমুখ ব্যক্তি অধিকাংশ মানুষের মন জয় করে।
কারো সাথে মনোমালিন্য হতেই পারে। কারো প্রতি রাগ হতেই পারে। কিন্তু হাসমুখ ব্যক্তির প্রতি দীর্ঘক্ষণ রাগান্বিত থাকা যায় না। যেহেতু তার মৃদু হাসির বরিষণ রাগের তাপকে শীতল ক'রে দেয়।
অবশ্য কথায়-কথায় ফিক্কিক্, হাঃ-হাঃ, হোঃ-হোঃ, হিঃহিঃ ক'রে বেশি হাস্য করা সচ্চরিত্রতার লক্ষণ নয়। প্রগলভ বা ঢিটে মানুষ সুচরিত্রের অধিকারী হতে পারে না। তাছাড়া মহানবী বলেছেন,
لَا تُكْثِرُوا الضَّحِكَ فَإِنَّ كَثْرَةَ الضَّحِكِ تُمِيتُ الْقَلْبَ
"তোমরা বেশী বেশী হেসো না। কারণ, বেশী হাসার ফলে হৃদয় মারা যায়।"৫০৮
আর দুশ্চরিত্রের লক্ষণ হল হাসির মাঝে ফাঁসি দিয়ে অবৈধ প্রণয় সৃষ্টি করা। প্রথম সাক্ষাতের ঐ হাসি প্রশাসনের অথবা আত্মহত্যার ফাঁসি পর্যন্ত পৌঁছাতে পারে।
টিকাঃ
৫০৭. মুসলিম ৬৮৫৭
৫০৮. আহমাদ, ইবনে মাজাহ ৪১৯৩. সহীহুল জামে' ৭৪৩৫
📄 হাসিমুখে সাক্ষাৎ
সুচরিত্রবান মানুষের সাথে সাক্ষাৎকালে মুচকি হাসে, দেখা হলে হাসিমুখে স্বাগত জানায়, সুচরিত্রবতী নিজ মাহরাম, স্বামী বা কোন মহিলার সাথে সাক্ষাৎকালে মুখে হাসি দেখায়। যেহেতু হাসিতে আছে ভালোবাসার যাদু। আর সম্প্রীতি ও বৈধ ভালোবাসার জন্য হাসির ঝিলিক খুবই প্রতিক্রিয়াশীল।
যদিও এটা খুব ছোট্ট কাজ। এ কাজে তেমন কিছু ব্যয় করতে হয় না। তবুও তা একটি সদাচরণ, একটি পুণ্যকাজ। মহানবী বলেছেন,
لَا تَحْقِرنَّ مِنَ المَعْرُوفِ شَيْئاً وَلَوْ أَنْ تَلْقَى أَخَاكَ بِوَجْهِ طَلْقٍ
"তুমি পুণ্যের কোন কাজকে তুচ্ছ মনে করো না। যদিও তুমি তোমার (মুসলিম) ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করতে পার।” (অর্থাৎ হাসিমুখে সাক্ষাৎ করাও পুণ্যের কাজ)। ৫০৯
তিনি আরো বলেছেন,
كُلُّ مَعْرُوفٍ صَدَقَةٌ وَإِنَّ مِنْ الْمَعْرُوفِ أَنْ تَلْقَى أَخَاكَ بِوَجْهِ طَلْقٍ وَأَنْ تُفْرِغَ مِنْ دَلُوكَ فِي إِنَاءِ أَخِيكَ
"প্রত্যেক কল্যাণমূলক কর্মই হল সদকাহ (করার সমতুল্য)। আর তোমার ভাইয়ের সাথে তোমার হাসিমুখে সাক্ষাৎ করা এবং তোমার বালতির সাহায্যে (কুয়ো থেকে পানি তুলে) তোমার ভাইয়ের পাত্র (কলসী ইত্যাদি) ভরে দেওয়াও কল্যাণমূলক (সৎ) কর্মের পর্যায়ভুক্ত।”৫১০
পক্ষান্তরে যারা সুচরিত্রবান নয়, তারা এ কাজকে তুচ্ছজ্ঞান করে। ফলে অপরের সাথে সাক্ষাতের সময় মুখ ভার ক'রে থাকে। বাংলা পাঁচের মতো মুখটাকে বাঁকিয়ে রাখে। খুব প্রয়োজন ছাড়া সৌজন্যমূলক কোন কথা বলে না। ভালোভাবে সালামের জবাব দেয় না। ভালোভাবে মুসাফাহা করে না। সফর থেকে এলে মুআনাকা করে না। আসলে তাদের মন বড় সংকীর্ণ ও অনুদার। তাদের হৃদয়ে অপরের সাক্ষাৎ কল্যাণ বয়ে আনে না। তাদের কাছে কারো সাক্ষাৎ ও আপ্যায়ন ভারী মনে হয়। অবাঞ্ছিত লোক না হলেও তারা মনকে প্রশস্ত করতে পারে না। নিশ্চয় এমন আচরণ সচ্চরিত্রবান নারী-পুরুষের নয়।
অবাঞ্ছিত অভদ্র লোক হলেও তার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করার বিধান রয়েছে ইসলামে। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, এক অভদ্র ব্যক্তি আল্লাহর নবী এর সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইল। নবী এর কাছে খবর গেলে তিনি বললেন,
ائْذَنُوا لَهُ فَلَبِئْسَ ابْنُ الْعَشِيرَةِ أَوْ بِئْسَ رَجُلُ الْعَشِيرَةِ
"ওকে অনুমতি দাও। বাজে লোক ওটা!"
তারপর তাকে প্রবেশ করার অনুমতি দিলেন। সে যখন বসল, তখন নবী তার সামনে খুশী প্রকাশ করলেন এবং নম্রভাবে কথা বলতে লাগলেন। অতঃপর লোকটি চলে গেলে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) তাঁকে বললেন, 'হে আল্লাহর রসূল! আপনি তার সম্পর্কে এই এই (কুমন্তব্য) করলেন। তারপর সে যখন ভিতরে এল, তখন তার সামনে খুশী প্রকাশ করলেন এবং নম্রভাবে কথা বলতে লাগলেন!' আল্লাহর রসূল বললেন,
يَا عَائِشَةُ إِنَّ شَرَّ النَّاسِ مَنْزِلَةً عِنْدَ اللهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَنْ وَدَعَهُ أَوْ تَرَكَهُ النَّاسُ اتَّقَاءَ فُحْشِهِ
"হে আয়েশা! কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্টমানের ব্যক্তি সেই হবে, যাকে মানুষ তার অশ্লীলতা থেকে বাঁচার জন্য বর্জন ক'রে থাকে। "৫১১
টিকাঃ
৫০৯. মুসলিম ৬৮৫৭
৫১০. আহমাদ ১৪৮৭৭, তিরমিযী, হাকেম, সহীহুল জামে' ৪৫৫৭
৫১১. বুখারী ৬০৫৪, ৬১৩১, মুসলিম ৬৭৬১
সুচরিত্রবান মানুষের সাথে সাক্ষাৎকালে মুচকি হাসে, দেখা হলে হাসিমুখে স্বাগত জানায়, সুচরিত্রবতী নিজ মাহরাম, স্বামী বা কোন মহিলার সাথে সাক্ষাৎকালে মুখে হাসি দেখায়। যেহেতু হাসিতে আছে ভালোবাসার যাদু। আর সম্প্রীতি ও বৈধ ভালোবাসার জন্য হাসির ঝিলিক খুবই প্রতিক্রিয়াশীল।
যদিও এটা খুব ছোট্ট কাজ। এ কাজে তেমন কিছু ব্যয় করতে হয় না। তবুও তা একটি সদাচরণ, একটি পুণ্যকাজ। মহানবী বলেছেন,
لَا تَحْقِرنَّ مِنَ المَعْرُوفِ شَيْئاً وَلَوْ أَنْ تَلْقَى أَخَاكَ بِوَجْهِ طَلْقٍ
"তুমি পুণ্যের কোন কাজকে তুচ্ছ মনে করো না। যদিও তুমি তোমার (মুসলিম) ভাইয়ের সঙ্গে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করতে পার।” (অর্থাৎ হাসিমুখে সাক্ষাৎ করাও পুণ্যের কাজ)। ৫০৯
তিনি আরো বলেছেন,
كُلُّ مَعْرُوفٍ صَدَقَةٌ وَإِنَّ مِنْ الْمَعْرُوفِ أَنْ تَلْقَى أَخَاكَ بِوَجْهِ طَلْقٍ وَأَنْ تُفْرِغَ مِنْ دَلُوكَ فِي إِنَاءِ أَخِيكَ
"প্রত্যেক কল্যাণমূলক কর্মই হল সদকাহ (করার সমতুল্য)। আর তোমার ভাইয়ের সাথে তোমার হাসিমুখে সাক্ষাৎ করা এবং তোমার বালতির সাহায্যে (কুয়ো থেকে পানি তুলে) তোমার ভাইয়ের পাত্র (কলসী ইত্যাদি) ভরে দেওয়াও কল্যাণমূলক (সৎ) কর্মের পর্যায়ভুক্ত।”৫১০
পক্ষান্তরে যারা সুচরিত্রবান নয়, তারা এ কাজকে তুচ্ছজ্ঞান করে। ফলে অপরের সাথে সাক্ষাতের সময় মুখ ভার ক'রে থাকে। বাংলা পাঁচের মতো মুখটাকে বাঁকিয়ে রাখে। খুব প্রয়োজন ছাড়া সৌজন্যমূলক কোন কথা বলে না। ভালোভাবে সালামের জবাব দেয় না। ভালোভাবে মুসাফাহা করে না। সফর থেকে এলে মুআনাকা করে না। আসলে তাদের মন বড় সংকীর্ণ ও অনুদার। তাদের হৃদয়ে অপরের সাক্ষাৎ কল্যাণ বয়ে আনে না। তাদের কাছে কারো সাক্ষাৎ ও আপ্যায়ন ভারী মনে হয়। অবাঞ্ছিত লোক না হলেও তারা মনকে প্রশস্ত করতে পারে না। নিশ্চয় এমন আচরণ সচ্চরিত্রবান নারী-পুরুষের নয়।
অবাঞ্ছিত অভদ্র লোক হলেও তার সাথে সৌজন্যমূলক আচরণ করার বিধান রয়েছে ইসলামে। আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) বলেন, এক অভদ্র ব্যক্তি আল্লাহর নবী এর সাথে সাক্ষাৎ করতে চাইল। নবী এর কাছে খবর গেলে তিনি বললেন,
ائْذَنُوا لَهُ فَلَبِئْسَ ابْنُ الْعَشِيرَةِ أَوْ بِئْسَ رَجُلُ الْعَشِيرَةِ
"ওকে অনুমতি দাও। বাজে লোক ওটা!"
তারপর তাকে প্রবেশ করার অনুমতি দিলেন। সে যখন বসল, তখন নবী তার সামনে খুশী প্রকাশ করলেন এবং নম্রভাবে কথা বলতে লাগলেন। অতঃপর লোকটি চলে গেলে আয়েশা (রাযিয়াল্লাহু আনহা) তাঁকে বললেন, 'হে আল্লাহর রসূল! আপনি তার সম্পর্কে এই এই (কুমন্তব্য) করলেন। তারপর সে যখন ভিতরে এল, তখন তার সামনে খুশী প্রকাশ করলেন এবং নম্রভাবে কথা বলতে লাগলেন!' আল্লাহর রসূল বললেন,
يَا عَائِشَةُ إِنَّ شَرَّ النَّاسِ مَنْزِلَةً عِنْدَ اللهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَنْ وَدَعَهُ أَوْ تَرَكَهُ النَّاسُ اتَّقَاءَ فُحْشِهِ
"হে আয়েশা! কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট সর্বাপেক্ষা নিকৃষ্টমানের ব্যক্তি সেই হবে, যাকে মানুষ তার অশ্লীলতা থেকে বাঁচার জন্য বর্জন ক'রে থাকে। "৫১১
টিকাঃ
৫০৯. মুসলিম ৬৮৫৭
৫১০. আহমাদ ১৪৮৭৭, তিরমিযী, হাকেম, সহীহুল জামে' ৪৫৫৭
৫১১. বুখারী ৬০৫৪, ৬১৩১, মুসলিম ৬৭৬১