📄 অশ্লীল পত্র-পত্রিকা পরিত্যাগ করতে হবে
যেসব পত্র-পত্রিকা অশ্লীলতা ও উলঙ্গ ছবি প্রকাশ করে, সেসব পত্র-পত্রিকা বর্জন করতে হবে। কেননা, সেসবের আড়ালে শয়তান মানুষকে পথভ্রষ্ট করে। সর্বোপরি মনে রাখতে হবে, কান, চোখ এবং অন্তর কেয়ামতের দিন জিজ্ঞাসিত হবে।
আমরা তো বলি, শয়তান মানুষের পূর্ব সংঘটিত গুনাহের কারণেও পদস্খলিত করে। যেমনটা পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেছেন,
إِنَّ الَّذِينَ تَوَلَّوْا مِنكُمْ يَوْمَ الْتَقَى الْجَمْعَانِ إِنَّمَا اسْتَزَلَّهُمُ الشَّيْطَانُ بِبَعْضِ مَا كَسَبُوا وَلَقَدْ عَفَا اللَّهُ عَنْهُمْ.
অর্থ: নিশ্চয়ই তোমাদের মধ্য থেকে যারা পিছু হটে গিয়েছিল সেদিন, যেদিন দুদল মুখোমুখি হয়েছিল, শয়তানই তাদের কিছু কৃতকর্মের ফলে তাদেরকে পদস্খলিত করেছিল। আর অবশ্যই আল্লাহ তাআলা তাদেরকে ক্ষমা করেছেন。
আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন। ওহুদ যুদ্ধে নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিরন্দাজ বাহিনীকে পাহাড়ের প্রবেশদ্বারে নিযুক্ত করেছিলেন, আদেশ দিয়েছিলেন পরিস্থিতি যা-ই হোক, কোনো অবস্থাতেই স্থান ত্যাগ করবে না। যুদ্ধের পরিবেশ যখন مسلمانوں অনুকূলে এল, অন্যান্যদের মতো তিরন্দাজ বাহিনীর কিছু সদস্যও গনিমত কুড়ানোর জন্য স্থান ছেড়ে চলে আসে। ঠিক তখনই শত্রুদল প্রবেশমুখ ফাঁকা দেখে একযোগে হামলা করে। ফলে যুদ্ধের পরিস্থিতি সম্পূর্ণ পরিবর্তন হয়ে যায়। তাদের কিছু সদস্য যখন পাল্টা আক্রমণ করতে পরিকল্পনা করে, সে সময় স্থান ত্যাগ করা তিরন্দাজ বাহিনীর কিছু সৈনিকের মাঝে শয়তান কুমন্ত্রণা ঢেলে দেয় যে, তোমরা কীভাবে শত্রুর মোকাবিলার সাহস করো, অথচ তোমরা তোমাদের নবীর আদেশ অমান্য করে চরম অপরাধ করেছ। এখন যুদ্ধ করবে কোন শক্তিতে? সুতরাং যাও! আগে কৃত অপরাধ হতে তাওবা করো, ক্ষমা চাও! এই অপরাধ তাদের যুদ্ধের ময়দান হতে পৃষ্ঠপ্রদর্শনে উদ্বুদ্ধ করে। তখন তারা মনে মনে বলতে লাগল, এত বড় অন্যায় করে কীভাবে আমরা যুদ্ধ করব?
এই আয়াতের দ্বিতীয় ব্যাখ্যা হলো, ওহুদ যুদ্ধের দিন শয়তান মুমিনদের কোনো এক দলের লোকদেরকে তাদের পূর্ব-সংঘটিত গুনাহের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তখন যুদ্ধের মাঝে তাদের ভেতরে এই কুমন্ত্রণা কাজ করে যে, কীভাবে আমরা যুদ্ধ করব, অথচ আমরা তো অপরাধী। ফলে তারা যুদ্ধ থেকে পৃষ্ঠপ্রদর্শনের প্রতি প্ররোচিত এবং উদ্বুদ্ধ হয়।
শয়তান এভাবেই মানুষকে ধোঁকা দেয়, পথভ্রষ্ট করে। কেউ যখন অশ্লীল ও নগ্ন ছবি দেখে শয়তান তার মনের মাঝে সেসব অশ্লীল গল্পকথা, নগ্ন ছবির চিত্র কল্পনা ও ভাবনায় স্থির করে দেয়। ফলে সে যখন নামাজে দাঁড়ায়, তখন সেসব চিত্র তার চোখে ভাসতে থাকে। শয়তান সেসব দৃশ্যকে তার কল্পনায় আকর্ষণীয় করে তুলে ধরে। ফলে নামাজের খুশু চলে যায় এবং নামাজের কথা ভুলে যায়। নামাজের দুআ-কালামের প্রতি আগ্রহ ও মনোযোগ চলে যায়।
আমাদের নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সর্বোত্তম শিক্ষক ও পথপ্রদর্শক। একবার তিনি একটি কাপড় পরিধান করে নামাজ পড়ছিলেন। যাতে কিছু নকশা করা ছিল। যা নামাজের প্রতি তাঁর মনোযোগ ছিন্ন করে দেয়। বুখারি শরিফে হযরত আয়েশা রাযি. হতে বর্ণিত হয়েছে; তিনি বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা একটি কারুকার্যখচিত চাদর গায়ে দিয়ে নামাজ আদায় করলেন। আর নামাজে সে চাদরের কারুকার্যের প্রতি তাঁর দৃষ্টি পড়ল। নামাজ শেষে তিনি বললেন, এ চাদরখানা আবু জাহমের নিকট নিয়ে যাও এবং তার থেকে আমবিজানিয়্যাহ অর্থাৎ, কারুকার্য ছাড়া মোটা চাদর নিয়ে আসো। এটা তো আমাকে নামাজ হতে অমনোযোগী করে দিচ্ছিল। হিশাম ইবনু উরওয়াহ রহ. তার পিতা হতে এবং তিনি আয়েশা রাযি. হতে বর্ণনা করেন, নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি নামাজ আদায়ের সময় এর কারুকার্যের প্রতি আমার দৃষ্টি পড়ে। তখন আমি আশঙ্কা করছিলাম যে, এটা আমাকে ফেতনায় ফেলে দিতে পারে।
বুখারি শরিফে হযরত আনাস রাযি. থেকেও এ ব্যাপারে একটি হাদিস বর্ণিত হয়েছে।
তিনি বলেন, হযরত আয়েশা রাযি.-এর নিকট একটি বিচিত্র রঙের পাতলা পর্দার কাপড় ছিল। তিনি তা ঘরের একদিকে পর্দা হিসেবে ব্যবহার করছিলেন। নবী কারিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আমার সামনে থেকে তোমার এই পর্দা সরিয়ে নাও। কারণ, নামাজ আদায়ের সময় এর ছবিগুলো আমার সামনে ভেসে ওঠে。
এমনইভাবে অশ্লীল পত্র-পত্রিকার মাধ্যমে শয়তান মানুষকে তার একাকিত্বে আল্লাহর নাফরমানি ও অবাধ্যতায় প্ররোচিত করে। ফলে উঠতি যুবক-যুবতির তরুণ-তরুণীরা হস্তমৈথুনের মতো জঘন্য পাপকর্মে লিপ্ত হচ্ছে। এসবের মাধ্যমে তাদেরকে নারীদের নিয়ে কল্পনা এবং এক পর্যায়ে ব্যভিচার ও অশ্লীল কর্মকাণ্ডের জন্য প্ররোচিত করা হয়। একইভাবে টেলিভিশন ও মোবাইলের স্ক্রিনে ভাসমান অশ্লীল ও নগ্ন ছবির প্রতি দৃষ্টিপাতের কারণে স্বাভাবিকভাবেই মানুষের অন্তর কলুষিত হয় এবং তার চিন্তাভাবনার বিকৃতি ঘটে। মানুষ ফেতনা-ফ্যাসাদ ও অনৈতিক কাজে উদ্বুদ্ধ হয়। সমাজে অন্যায়-অপরাধের বিস্তার ঘটে। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেন,
إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا.
অর্থ: নিশ্চয়ই কান, চোখ ও অন্তকরণ—এগুলোর প্রতিটির ব্যাপারে সে জিজ্ঞাসিত হবে。
এ ছাড়াও অসংখ্য হাদিসে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তাআলার হারাম ও নিষিদ্ধকৃত বিষয়ে দৃষ্টিপাত করতে নিষেধ করেছেন। এগুলো হলো মানুষের চারিত্রিক পবিত্রতা ও ঈমান বিনষ্টে অশ্লীল পত্র-পত্রিকা ও বিকৃত ম্যাগাজিনের ধ্বংসাত্মক দিক। এ ছাড়াও তার নেতিবাচক আরেকটি দিক হলো, এগুলোতে আল্লাহ তাআলার অবাধ্যতা এবং অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের শিক্ষা দেওয়া হয়। এগুলোতে প্রচারিত সিনেমা, ধারাবাহিক নাটক ও টেলিফিল্ম এবং উপন্যাসে শেখানো হয়, কীভাবে চুরি করবে। কীভাবে মানুষ হত্যা করবে। কীভাবে মানুষ অপরকে ধোঁকা দিয়ে তার সম্পদ আত্মসাৎ করবে। কীভাবে মেয়েরা পরপুরুষকে ফাঁদে ফেলবে। এ সবকিছুই এগুলোতে শিক্ষা দেওয়া হয় এবং এসবের প্রতিই উৎসাহিত করা হয়; যা পৃথিবীতে ফেতনা-ফ্যাসাদ বিস্তার করছে।
এসবের আরও মারাত্মক নেতিবাচক দিক হলো, এগুলো মুসলমানদের ধর্মীয় নির্দেশনার অনুসরণ ও তাদের শিক্ষার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করে দেয়। ফলে রাস্তাঘাটে প্রকাশ্যে নারীর সৌন্দর্যের প্রদর্শন, নাচ-গান ও অশ্লীল কর্মকাণ্ড তখন মানুষের কাছে ঘৃণিত হিসেবে বাকি থাকে না। বরং প্রতি মুহূর্তে ঘটমান এসব অপরাধের প্রতিবাদ ও প্রতিক্রিয়া জানানোর মতো ব্যক্তিও দুষ্প্রাপ্য হয়ে যায়। হায় আফসোস! কোথায় সেই মুসলমান, যাদের সম্বোধন করে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা বলেছেন,
وَاِذَا سَاَلْتُمُوْهُنَّ مَتَاعًا فَاسْأَلُوْهُنَّ مِنْ وَّرَاءِ حِجَابٍ ذٰلِكُمْ اَطْهَرُ لِقُلُوْبِكُمْ وَقُلُوْبِهِنَّ.
অর্থ: আর যখন নবীপত্নীদের কাছে তোমরা কোনো সামগ্রী চাইবে, তখন পর্দার আড়াল থেকে চাইবে; এটি তোমাদের ও তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্র。
কোথায় সেসব মুসলমান! যাদেরকে আল্লাহ তাআলা তাঁর রাসুলের মাধ্যমে নির্দেশ দিয়েছেন,
قُلْ لِّلْمُؤْمِنِيْنَ يَغُضُّوا مِنْ أَبْصَارِهِمْ وَيَحْفَظُوْا فُرُوْجَهُمْ ذٰلِكَ أَزْكَى لَهُمْ إِنَّ اللهَ خَبِيْرٌ بِمَا يَصْنَعُوْنَ. وَقُلْ لِّلْمُؤْمِنٰتِ يَغْضُضْنَ مِنْ أَبْصَارِهِنَّ وَيَحْفَظْنَ فُرُوْجَهُنَّ.
অর্থ: মুমিন পুরুষদের বলুন, তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে। এটাই তাদের জন্য অধিক পবিত্র। নিশ্চয়ই তারা যা করে সে সম্পর্কে আল্লাহ সম্যক অবহিত। আর মুমিন নারীদের বলুন, তারা তাদের দৃষ্টিকে সংযত রাখবে এবং তাদের লজ্জাস্থানের হেফাজত করবে。
কোথায় সেসব মুসলমান! যাদের উদ্দেশ্যে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, চোখও ব্যভিচার করে, আর চোখের ব্যভিচার হলো কুদৃষ্টি।
এসবের আরেকটি ক্ষতিকর দিক হলো, এসবের কারণে দাম্পত্যজীবন দুর্বিষহ হয়ে পড়ে। স্বামী যখন এসবের মাধ্যমে সুন্দরী নারীকে দর্শক এবং পরপুরুষের সামনে কৃত্রিম সাজগোজ ও সৌন্দর্যের প্রদর্শন করতে দেখে, তখন সে পৃথিবীর সব নারীকে এমনটাই কল্পনা করতে শুরু করে। নিজের স্ত্রীর সৌন্দর্য তার ভালো লাগে না এবং তার স্ত্রীকে সে এ জন্য তুচ্ছতাচ্ছিল্য করে। ফলে তাদের মাঝে পারস্পরিক কলহ-বিবাদ সৃষ্টি হয়। এভাবে ধীরে ধীরে স্বামী তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
অন্যদিকে, এসবের মাধ্যমে পুরুষদের কৃত্রিমভাবে ভালো মানুষ সাজিয়ে দর্শকদের সামনে উপস্থাপন করা হয়। এই ভালো মানুষির ছদ্মবেশ দেখে অনেক নারী তাদের প্রতি প্রলুব্ধ হয় এবং প্রতারিত হয়। এ জন্যই অনেক ক্ষেত্রে একজন সতী-সাধ্বী ও চরিত্রবান নারীকে তার সতীত্ব এবং পবিত্রতা বিসর্জন দিয়ে পৃথিবীর সবচেয়ে জঘন্যতম পাপাচারী এই সমস্ত পুরুষদের প্রেমে জড়িয়ে পড়তে দেখা যায়।
আরেকটি খারাপ দিক হলো, এসবে দীর্ঘ রাত পর্যন্ত বিভিন্ন প্রোগ্রাম ও অনুষ্ঠান প্রচারিত হওয়ায় ফজরের নামাজ ছুটে যায়। শেষরাতের কুরআন তেলাওয়াত, জিকির-আজকার, দুআ-দুরুদের আমল ছুটে যায়। এ ছাড়াও এসবের কারণে বাদ্যযন্ত্র শ্রবণ, মনকে বিক্ষিপ্ত করা, দৃষ্টিশক্তি ও স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল করা-সহ মানুষকে এমন পরিণতির দিকে নিয়ে যায়, যা তার দ্বীন ও দুনিয়ার ক্ষতি ছাড়া কিছুই বয়ে আনে না।
কোথায় সে মুসলমান! যাদের সম্পর্কে আল্লাহ তাআলা বলেছেন,
وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ.
অর্থ: আর যারা অযথা কথা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেয়。
এসবের আরও একটি নেতিবাচক দিক হচ্ছে; এতে ইসলামের শিক্ষা, মূল্যবোধ ও নীতির সাথে সাংঘর্ষিক ধ্যান-ধারণা ও চিন্তা-ভাবনার প্রচার করা হয়। ফলে সমাজে নারী-পুরুষের অবাধ মেলামেশা, নারী-পুরুষের সমান উত্তরাধিকার আইন এবং যুবক-যুবতিদের বিয়ের বয়স বৃদ্ধির আওয়াজ তোলা হয়। ওহে মুসলমান ভাই-বোনেরা! তোমরা আল্লাহ তাআলাকে নিজ জীবন, পরিবার-পরিজন এবং সাধারণ মানুষদের সঙ্গে আচার-আচরণের ক্ষেত্রে ভয় করো।
তদুপরি এসবের মাধ্যমে অনর্থক ও অসার কথাবার্তা শোনা হয় এবং সেগুলোর মাধ্যমে মিথ্যা, গোমরাহি, ধোঁকা, অপপ্রচার, প্রতারণার বিস্তার লাভ করে। এমনইভাবে কুৎসিত ও নোংরা বিষয়ের শিক্ষা দেওয়া হয়।
তাই আত্মমর্যাদাশীল মুসলমানের উচিত তার সাথি-সঙ্গী এবং বন্ধু-বান্ধব নির্বাচনের ক্ষেত্রে আল্লাহ তাআলার নির্দেশনা অনুসরণ করে চলা।
আফসোস!! এইসব কুৎসিত দৃশ্য দেখার কারণে মানুষ কত ধরনের গুনাহ এবং অপরাধে যে জড়িয়ে পড়ছে! কত ইজ্জত-সম্মান নষ্ট করা হয়েছে!! এমনকি কত মানুষ তার বোন, তার প্রতিবেশী এবং তার সহকর্মীকে লাঞ্ছিত করেছে!!! তাদের সাথে ব্যভিচারের মতো ধ্বংসাত্মক মহা অপরাধে লিপ্ত হয়েছে সেই সমস্ত অশ্লীল ভিডিও এবং দৃশ্য দেখার কারণে।
তদুপরি এসবের মাধ্যমে জ্ঞানী-গুণীজন, আলেম-ওলামা ও ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তিদের সম্পর্কে মিথ্যা অপপ্রচার ও বিকৃত তথ্য ছড়িয়ে দিয়ে সবচেয়ে ভালো মানুষদের সমাজের চোখে অপরাধী বানানোর চেষ্টা করা হয়।
চরিত্রবান ও সৎ ব্যক্তিদেরকে মূর্খ এবং পশ্চাদ্গামী বলে প্রচার করা হয়। এ সমস্ত মিডিয়ার কারণে মানুষ মন্দকে ভালো আর ভালোকে খারাপ মনে করতে শুরু করে দেয়。
টিকাঃ
২৬২. সুরা আলে ইমরান: ১৫৫।
২৬৩. বুখারি শরিফ: ৩৭৩।
২৬৪. বুখারি শরিফ: ৩৭৪।
২৬৫. সুরা ইসরাইল: ৩৬।
২৬৬. সুরা আহযাব-৫৩।
২৬৭. সুরা নূর: ৩০, ৩১।
২৬৮. সুরা মুমিনুন: ৩。