📄 ধর্মীয় জ্ঞানচর্চার মজলিসের প্রতি আগ্রহী থাকা
আপনি যখন ধর্মীয় জ্ঞানচর্চার মজলিসগুলোর প্রতি অনুরাগী হবেন, নিয়মিত যাতায়াত করবেন, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা আপনার জন্য দ্বীনের পথে চলাকে সহজ করে দেবেন। আর যখন অলসতা, অবহেলাবশত এসব এড়িয়ে চলবেন, উপেক্ষা করবেন, ধর্মীয় জ্ঞানচর্চাকে গৌণ জ্ঞান করবেন, মনে রাখবেন, আল্লাহ তাআলাও আপনার থেকে মনোযোগ সরিয়ে নেবেন।
বুখারি ও মুসলিম শরিফে হযরত আবু ওয়াকিদ লাইসি রাযি. থেকে রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে আগত তিনটি দলের ব্যাপারে হাদিস বর্ণিত হয়েছে। আবু ওয়াকিদ লাইসি রাযি. বলেন, আল্লাহর রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে বসা ছিলেন। দ্বীনি বিভিন্ন মাসআলা-মাসায়েল নিয়ে আলোচনা হচ্ছিল। এমতাবস্থায় তিনটি জামাত এল। দুটি জামাত রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দরবারে অবস্থান করল। আর তৃতীয় জামাতটি ফিরে চলে গেল। প্রথম দুটি জামাতের একটি জামাত দ্বিধাদ্বন্দ্ব ছাড়াই মজলিসের এক কোণে জায়গা করে বসে পড়ল। দ্বিতীয় জামাতটি দোদুল্যমান অবস্থায় প্রথম জামাতটির অনুসরণে বসে পড়ল। আর তৃতীয় জামাতটি যেভাবে এসেছিল ঠিক সেভাবেই ফিরে চলে গেল।
নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আলোচনা শেষ করে বললেন, আমি কি তোমাদেরকে এই তিনটি জামাতের অবস্থার কথা বলে দেব না? তাহলে শোনো! প্রথম জামাতটি আল্লাহর কাছেই আশ্রয় গ্রহণ করেছিল, তাই আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাও তাদের আশ্রয় দিয়েছেন। দ্বিতীয় জামাত ইচ্ছা-অনিচ্ছার মধ্য দিয়ে সংকোচে ভুগছিল। আল্লাহ তাআলাও তাদের ব্যাপারে সংকোচবোধই করেছেন। আর তৃতীয় জামাত যখন বিমুখতা প্রদর্শন করে ফিরে চলে গেল, আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলাও তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন।
তাই ইলমে দ্বীন অর্জনের সুযোগপ্রাপ্ত হওয়া নিঃসন্দেহে তোমার প্রতি আল্লাহ তাআলার অনুগ্রহ ও অনুকম্পার বর্হিপ্রকাশ। নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
مَنْ يُرِدِ اللَّهُ بِهِ خَيْرًا يُفَقِّههُ فِي الدِّينِ.
অর্থ: আল্লাহ তাআলা যার কল্যাণ চান, তাকে ধর্মীয় জ্ঞানের গভীরতা ও সক্ষমতা দান করেন。
টিকাঃ
২১০. উদ্ধৃতি সামনে আসবে ইনশাআল্লাহ।
২১১. বুখারি শরিফ: ৭১; মুসলিম শরিফ: ১০৩৭।
📄 ঝগড়া-ফ্যাসাদ মীমাংসার মজলিসও কল্যাণময়
মানুষের পারস্পরিক মনোমালিন্য ও ঝগড়া-ফ্যাসাদ মীমাংসা এবং কল্যাণের পথে আহ্বানকারী মজলিসে অংশগ্রহণ-অত্যন্ত উপকারী ও কল্যাণকর মজলিস এগুলো। পবিত্র কুরআনে আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
لَا خَيْرَ فِي كَثِيرٍ مِنْ نَجْوَاهُمْ إِلَّا مَنْ أَمَرَ بِصَدَقَةٍ أَوْ مَعْرُوفٍ أَوْ إِصْلَاحِ بَيْنَ النَّاسِ وَمَنْ يَفْعَلْ ذَلِكَ ابْتِغَاءَ مَرْضَاتِ اللَّهِ فَسَوْفَ نُؤْتِيهِ أَجْرًا عَظِيمًا.
অর্থ: তাদের গোপন পরামর্শের অধিকাংশে কোনো কল্যাণ নেই। তবে (কল্যাণ আছে) যে নির্দেশ দেয় সদকা কিংবা ভালো কাজ অথবা মানুষের মধ্যে মীমাংসার। আর যে তা আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের উদ্দেশ্যে করবে, অচিরেই আমি তাকে মহাপুরস্কার দান করব。
এ ছাড়াও যারা নিজেদের কথাবার্তায় সততা বজায় রাখে, পরিবার-পরিজন এবং অধীনস্তদের ব্যাপারে সুবিচার করে, তারা কেয়ামত দিবসে অবস্থান করবে আলোকিত বিশাল বিশাল উঁচু অট্টালিকায়। যেমনটি হযরত আবদুল্লাহ ইবনু আমর থেকে মুসলিম শরিফের হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ন্যায়বিচারকগণ কেয়ামতের দিন আল্লাহর নিকটে নুরের মিম্বরসমূহে মহামহিম দয়াময় প্রভুর ডানপাশে উপবিষ্ট থাকবেন। তাঁর উভয় হাতই ডান হাত। যারা তাদের শাসনকার্যে তাদের পরিবারের লোকদের ব্যাপারে এবং তাদের ওপর ন্যস্ত দায়িত্বসমূহের ব্যাপারে সুবিচার করে。
টিকাঃ
২১২. সুরা নিসা: ১১৪।
২১৩. মুসলিম শরিফ: ১৮২৭।
📄 অসুস্থদের খোঁজ-খবর নেওয়াও বরকতময়
যে মজলিসে অসুস্থ ব্যক্তির খোঁজ-খবর নেওয়া হয় এবং তাদের প্রতি সহানুভূতি ও সহমর্মিতা প্রদর্শন করা হয়, তা অত্যন্ত বরকতময় এবং উত্তম মজলিস। ইমাম মুসলিম রহ. হযরত আবু হুরায়রা রাযি.-এর সূত্রে বর্ণনা করেন, নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেন, কঠিন পরিস্থিতির সেই কেয়ামত দিবসে আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা সমগ্র মানবজাতির প্রতি লক্ষ করে বলবেন, আদমসন্তানেরা! দুনিয়াতে আমি অসুস্থ হয়েছিলাম; তোমরা তো আমার সেবা-শুশ্রূষা করোনি!
বান্দা বলবে, হে আমার প্রতিপালক! এটা কী করে সম্ভব? আমি কীভাবে আপনার সেবা করতে পারি? আল্লাহ তাআলা বলবেন, আমার অমুক বান্দা অসুস্থ ছিল। তোমরা কি জানতে না? তা সত্ত্বেও তোমরা তার সেবা করোনি। তোমাদের কি জানা ছিল না যে তোমরা তার সেবার মধ্যে দিয়েই আমাকে কাছে খুঁজে পেতে? আল্লাহ তাআলা আরও বলবেন, হে আদমসন্তান! আমি তো ক্ষুধার তাড়নায় কাতর হয়ে তোমার কাছে আহার চেয়েছিলাম, কিন্তু তুমি আমাকে আহার দান করোনি। মানুষ অবাক হয়ে জানতে চাইবে, হে আমার প্রতিপালক! আমি কীভাবে আপনাকে আহার দান করব? আপনিই তো সমগ্র সৃষ্টিজীবের রিজিকদাতা। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা জিজ্ঞেস করবেন, আমার এক ক্ষুধার্ত বান্দা তোমার কাছে আহার চেয়েছিল। তুমি তাকে আহার দান করেছিলে? সেদিন যদি তাকে আহার দান করতে, তাহলে আজ আমার কাছে সেটার প্রতিদান পেয়ে যেতে। এমনইভাবে আল্লাহ তাআলা আরও জিজ্ঞেস করবেন, হে মানবজাতি! আমি তো পিপাসায় কাতর অবস্থায় তোমার কাছে পানি চেয়েছিলাম, তুমি আমাকে পানি পান করাওনি। মানুষ বলবে, হে আমাদের রব! আপনাকে আমরা কীভাবে পানি পান করাব? অথচ আপনি মহান প্রতিপালক। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলা তখন বান্দাকে বলবেন, মনে আছে? আমার অমুক বান্দা তৃষ্ণার্থ অবস্থায় তোমার কাছে পানি চেয়েছিল; কিন্তু তুমি তাকে পানি পান করাওনি। সেদিন তাকে পানি পান করালে আজ আমার কাছে তার প্রতিদান পেতে。
এ জন্য একজন ন্যায়-নিষ্ঠাবান সৎ চরিত্রের মুমিনের জন্য উচিত, দরিদ্র, অসহায় ও নিঃস্ব মানুষের সুখে-দুঃখে এগিয়ে যাওয়া। তাদের খোঁজখবর নেওয়া। তাদের যেকোনো সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা। কেউ অসুস্থ হলে তাদের সেবা করা। পাশাপাশি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নেয়ামতের কথাও স্মরণ করা। এতে আল্লাহর কৃতজ্ঞতায় অন্তর থাকবে কৃতজ্ঞ। আর অসহায় দরিদ্র মানুষের সেবার ফলে তাদের নেক দুআ ও ভালোবাসায় অন্তর হবে সিক্ত।
'শিফাউল কুলুব' গ্রন্থে উল্লেখ করেছি, মানুষের দুঃখ-দুর্দশা আর যন্ত্রণা- ভোগান্তির অন্যতম কারণ হচ্ছে মানুষ কেবল বিত্তশালী প্রভাব-প্রতিপত্তির অধিকারী ক্ষমতাবানদের পেছনে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। তাদের সাথে উঠাবসা করতে পারাটা নিজের জন্য বিশাল অর্জন বলে মনে করে। এতে ধীরে ধীরে তার অন্তর হয়ে ওঠে উচ্চবিলাসী, উচ্চাকাঙ্ক্ষী আর চরম ভোগবাদী। ফলে সে কখনই অল্পে তুষ্ট থাকতে পারে না।
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
إِذَا نَظَرَ أَحَدُكُمْ إِلَى مَنْ فُضِلَ عَلَيْهِ فِي الْمَالِ وَالْخَلْقِ، فَلْيَنْظُرُ إِلَى مَنْ هُوَ أَسْفَلَ مِنْهُ مِمَّنْ فُضِلَ عَلَيْهِ.
অর্থ: তোমাদের কারও দৃষ্টি যদি এমন লোকের ওপর পড়ে, যাকে ধন- সম্পদ ও দৈহিক গঠনে অধিক মর্যাদা দেওয়া হয়েছে, তাহলে সে যেন এমন লোকের দিকে দৃষ্টি দেয়, যে তার চেয়ে নিম্নস্তরে রয়েছে。
মুসলিম শরিফের এক বর্ণনায় এভাবে এসেছে যে, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,
انْظُرُوا إِلَى مَنْ هُوَ أَسْفَلَ مِنْكُمْ، وَلَا تَنْظُرُوا إِلَى مَنْ هُوَ فَوْقَكُمْ؛ فَإِنَّهُ أَجْدَرُ أَنْ لَا تَزْدَرُوا نِعْمَةَ اللَّهِ عَلَيْكُمْ.
অর্থ: তোমরা নিজেদের তুলনায় নিম্ন অবস্থার লোকের প্রতি তাকাও। এমন ব্যক্তির দিকে তাকিয়ো না, যে তোমাদের চেয়ে উচ্চ পর্যায়ের। তাহলে এটাই হবে আল্লাহর নেয়ামতকে অবজ্ঞা না করার এক উত্তম পন্থা।
এ জন্যই কেউ যদি উচ্চপদস্থ এবং সম্পদশালীদের সাথে চলাফেরা করতে অধিক আগ্রহী হয়, তাহলে এই অভ্যাস তাকে সর্বক্ষণ তাদের দানের প্রত্যাশী বানিয়ে দেয়। এতে সে নিজের প্রতি আল্লাহর দেওয়া নেয়ামতকে ছোট মনে করতে থাকে। ফলে সে কখনই আল্লাহর কৃতজ্ঞতা স্বীকার করে না। এমনকি এর প্রয়োজনীয়তাও অনুভব করে না。
পক্ষান্তরে একজন মানুষের উঠাবসা যখন অল্পে তুষ্ট ব্যক্তিদের সাথে হবে, তখন অন্তর থাকবে শান্ত, শীতল এবং মন থাকবে নম্র ও বিনয়ী। এর অর্থ এই নয় যে, নিজের কাজকর্ম, আয়-রোজগার আর ব্যবসা-বাণিজ্য ছেড়ে দিয়ে অলস বসে থাকতে হবে। বরং কথা হলো, মানুষ সদাসর্বদা হালাল উপার্জন, উত্তম রিজিকের অন্বেষণের চেষ্টা করবে। এটাই তার দায়িত্ব। এতে ভাগ্যে কিছু জুটে গেলে সেটা যেমন আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার অনুগ্রহ ও দয়া মনে করতে হবে, অপরদিকে কাঙ্ক্ষিত ফলাফল অর্জন না হলে সেটাও তাকদির হিসেবে মেনে নিতে হবে। এ বিষয়ে হযরত আবু হুরায়রা রাযি. বলেন,
شَرُّ الطَّعَامِ طَعَامُ الْوَلِيمَةِ يُدْعَى لَهَا الْأَغْنِيَاءُ وَيُتْرَكُ الْفُقَرَاءُ.
অর্থ: যে ওলিমায় কেবল ধনীদের দাওয়াত করা হয় এবং গরিবদের দাওয়াত করা হয় না, সেই ওলিমা সবচেয়ে নিকৃষ্ট。
তাই কেউ ওলিমার দাওয়াত-আয়োজন ইত্যাদি করলে বিত্তবান ধনাঢ্য লোকদের পাশাপাশি গরিব-দুঃখী অসহায় মানুষদেরকেও শরিক করা উচিত। কত অসহায় গরিব মানুষ আছে যারা বেশ-ভূষণে গরিব, কিন্তু আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তাআলার নিকট অতি প্রিয়। যাদের দুআ আল্লাহ তাআলার কাছে মকবুল। তাদের দুআ ও আপ্যায়নের বদৌলতে আল্লাহ তাআলা মেজবানকে মর্যাদা-সম্মানের অধিকারী করেন。
টিকাঃ
২১৪. মুসলিম শরিফ: ১২০৬।
২১৫. বুখারি শরিফ: ৬৪৯০; মুসলিম শরিফ: ২৯৬৩।
২১৬. ইমাম তিরমিজি রহ. বলেন, হযরত আউন ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনে উতবা রহ. থেকে বর্ণিত। তিনি নিজের সম্পর্কে বলেন, যখন আমি ধনীদের সাথে মেলামেশা করেছি, তখন তাদের মাঝে আমার থেকে দুঃখী কাউকে দেখিনি। কেননা তাদের বাহন আমার বাহনের চেয়ে ভালো হতো। তাদের পোশাক-পরিচ্ছেদ আমার চেয়ে ভালো থাকত। আর যখন আমি গরিবদের সাথে মিশতাম, তখন আমি তাদের মাঝে সবচে' সুখী মানুষ থাকতাম।-তুহফাতুল আহওয়াজি: ৫/৪৭৭
লেখক বলেন। আমি মনে করি হযরত আউন রহ. যথার্থই বলেছেন। কেননা একজন মধ্যবিত্ত যদি পাঁচশ টাকা দিয়ে নতুন ভালো কোনো পোশাক পরিধান করে তারচে' ধনী কারও পাশে বসে, যার গায়ের পোশাকের দাম হাজার টাকা, তাহলে অবশ্যই নিজের নতুন পোশাককেও তার নিকট ধনীর হাজার টাকার পোশাকের সামনে তুচ্ছ মনে হবে। ফলে সে আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া এবং তার প্রশংসার কথা ভুলে যাবে। বিপরীতে এই ব্যক্তিই যখন তার চেয়ে দরিদ্র কারও পাশে বসবে, যার গায়ের পোশাকের দাম দুইশ টাকা; তখন সে অন্যের তুলনায় নিজের পোশাককে মূল্যবান মনে করবে এবং মনে মনে খুশি হবে। এর জন্য আল্লাহর নেয়ামতের শুকরিয়া আদায় করবে।
২১৭. বুখারি শরিফ: ৫১৭৭; মুসলিম শরিফ: ১৪৩২।
📄 কল্যাণকর কাজে অংশগ্রহণ আল্লাহর সন্তুষ্টির মাধ্যম
সাধারণত ভালো ও কল্যাণকর কাজের মজলিসের আয়োজন করা এবং দলবদ্ধভাবে তাতে মুসলমানদের অংশগ্রহণ করাকে আল্লাহ তাআলা পছন্দ করেন। উম্মে আতিয়া রাযি. থেকে বর্ণিত; নবীজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন, যুবতি, পর্দানশীন ও ঋতুবতী নারীরা বের হবে এবং ভালো স্থানে ও মুমিনদের দাওয়াতে অংশগ্রহণ করবে। তবে ঋতুবতী নারীরা ঈদগাহ হতে দূরে থাকবে。
টিকাঃ
২১৮. বুখারি শরিফ: ৩২৪।