📘 সৎ সঙ্গে সর্গবাস অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ > 📄 ব্যভিচারীর জন্য ইসলাম দেশান্তরের বিধান রেখেছে

📄 ব্যভিচারীর জন্য ইসলাম দেশান্তরের বিধান রেখেছে


যেমনটা রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন,
وَعَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ - رضي الله عنه - الْبِكْرُ بِالْبِكْرِ جَلْدُ مِائَةٍ, وَنَفْيُ سَنَةٍ
অর্থ: হযরত উবাদা ইবনু সামেত রাযি. হতে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, কুমার-কুমারী ব্যভিচার করলে তাদের শাস্তি হবে একশ বেত্রাঘাত ও এক বছরের জন্য দেশ হতে বহিষ্কার করা।

টিকাঃ
৩৩. মুসলিম শরিফ: ১৬৯০।

📘 সৎ সঙ্গে সর্গবাস অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ > 📄 ব্যভিচারী নারী-পুরুষকে দেশান্তরের শাস্তি দেওয়ার কারণ

📄 ব্যভিচারী নারী-পুরুষকে দেশান্তরের শাস্তি দেওয়ার কারণ


কতক উলামায়ে কেরাম বলেন, সে যেন তার অপরাধস্থলের কথা ভুলে যায়। কেননা অপরাধস্থলের পাশ দিয়ে অতিক্রম করার কারণে তার অপরাধের কথা স্মরণ আসবে এবং এটা তাকে পুনরায় অপরাধের প্রতি উৎসাহিত করে তুলবে। এ জন্য কিছুসংখ্যক ফকিহ উলামায়ে কেরাম বলেন, হজের সফরে স্ত্রীকে সহবাসের স্থান থেকে দূরে রাখবে। অর্থাৎ তারা উভয়ে আগামী বছর যখন হজ করবে, তখন তাদের এই জায়গায় দুজন একত্রিত হবে না। যেন গত বছরের ঘটে যাওয়া ঘটনার স্মরণ তাদের না হয়। কেননা এতে পুনরায় লিপ্ত হওয়ার শঙ্কা থাকে। আল্লাহ তাআলা এ বিষয়ে ভালো জানেন।

📘 সৎ সঙ্গে সর্গবাস অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ > 📄 ফেতনা প্রতিরোধের আরও একটি পন্থা

📄 ফেতনা প্রতিরোধের আরও একটি পন্থা


সৎ ব্যক্তির মেয়ে এবং কাফের মন্দ ব্যক্তির মেয়ে একত্রিত না হওয়া ফেতনা প্রতিরোধের একটি অন্যতম পন্থা। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফেতনার আশঙ্কায় আল্লাহর নবীর মেয়ের সাথে আল্লাহর দুশমনের মেয়েকে এক ব্যক্তির স্ত্রী করাকে নিষেধ করেছেন।

📘 সৎ সঙ্গে সর্গবাস অসৎ সঙ্গে সর্বনাশ > 📄 ফেতনা থেকে পলায়ন এবং ফেতনাস্থল ত্যাগ করার নির্দেশ

📄 ফেতনা থেকে পলায়ন এবং ফেতনাস্থল ত্যাগ করার নির্দেশ


বুখারিসহ অন্যান্য হাদিস গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে, হযরত আবু সায়িদ খুদরি রাযি. বলেন, রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সেদিন দূরে নয়, যেদিন মুসলিমের উত্তম সম্পদ হবে কয়েকটি বকরি, যা নিয়ে সে পাহাড়ের চূড়ায় অথবা বৃষ্টিপাতের স্থানে চলে যাবে। ফেতনা থেকে বাঁচতে সে তার দ্বীন নিয়ে পালিয়ে যাবে।

সহিহ বুখারি ও মুসলিম শরিফে বর্ণিত হয়েছে, হযরত আবু সায়িদ খুদরি রাযি. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রাসুল! মানুষের মধ্যে কে উত্তম? আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, সেই মুমিন যে নিজ জান ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে। সাহাবাগণ বললেন, অতঃপর কে? তিনি বললেন, সেই মুমিন, যে আল্লাহর ভয়ে পাহাড়ের কোনো গুহায় অবস্থান নেয় এবং স্বীয় অনিষ্ট থেকে লোকদের নিরাপদ রাখে।

সহিহ বুখারিতে বর্ণিত হয়েছে,
عَنْ سَلَمَةَ بْنِ الأَكْوَعِ أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى الْحَجَّاجُ فَقَالَ يَا ابْنَ الْأَكْوَعِ ارْتَدَدْتَ عَلَى عَقِبَيْكَ تَعَرَّبْتَ قَالَ لَا وَلَكِنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَذِنَ لِي في الْبَدْوِ.
অর্থ: হযরত সালামা ইবনু আকওয়া রাযি. হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার হাজ্জাজ আমার কাছে এলেন। তখন সে তাকে বলল, হে ইবনু আকওয়া! আপনি আগের অবস্থায় ফিরে গেলেন, নাকি বেদুইনের মতো জীবন কাটাতে শুরু করেছেন? তিনি বললেন, না। বরং রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বেদুইনসুলভ জীবনযাপনের অনুমতি প্রদান করেছেন。

টিকাঃ
৪৭. বুখারি শরিফ: ১৯।
৪৮. বুখারি শরিফ: ২৭৮৬; মুসলিম শরিফ: ১৮৮৮।
৪৯. বুখারি শরিফ: ৭০৮৭।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00