📄 বিরক্তি ও অধৈর্য
৭- বিরক্তি ও অধৈর্য: এ বয়সে শিশুকে জাগ্রত করা ও তার অন্তরে কোন কিছু গেঁথে দেয়ার সময় যেন কোনভাবেই নির্ধারিত কয়েক মিনিটের বেশি অতিক্রম না করে। কারণ একটি শিশু এ বয়সে শিক্ষা কিংবা প্রশিক্ষণ কর্ম আরম্ভ করার কিছু সময় পরই বিরক্তি অনুভব করে থাকে। এবং সহজেই তার অভিভাবকের আনুগত্য পরিত্যাগ করে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। যেমন তার খেলনাসামগ্রী নিয়ে খেলা করা, সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে ইত্যাদি।
অতএব অভিভাবকের দীর্ঘ কথার কারণেই শিশুর পক্ষ থেকে বেপরওয়া ভাব ও অমনোযোগী হওয়ার সমস্যা প্রকাশ পেল। সে কারণে উপযোগী হলো কোন বিষয় উপস্থাপনের সময় যেন নির্ধারিত কয়েক মিনিটের বেশী সময় অতিক্রম না করে যায়। এর সঙ্গে আলোচনার মাঝখানে এমন বিষয়ের অবতারণা করতে যত্নবান হতে হবে যা শিশুটিকে তার অভিভাবকের সঙ্গে অটুট বন্ধণে আবদ্ধ রাখতে এবং তার প্রতি আকৃষ্ট হতে সহায়ক হয়। এক পর্যায়ে সে তার চেতনা জাগ্রত, মনোযোগ দেয়া ও সকল অহেতুক বস্তু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়া অথবা খেলা করা ইত্যাদি ত্যাগ করতে যত্নবান হবে।
স্থবিরতা নিরসনের জন্য শিশুদের স্থান পরিবর্তন উপকারী হিসেবে প্রমাণিত। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন ও অবস্থা অনুযায়ী দাঁড়ানো, বসা ও চলা ফেরার স্থানসমূহ পরিবর্তন করে দেয়া। সম্ভব হলে অভিভাবক তার 'পাঠ'কে কয়েকটি প্রিয়ডে বিভক্ত করে নেবেন। যাতে আড়ষ্ট অবস্থা দূর করার জন্য প্রতিটি প্রিয়ড ও পরবর্তি প্রিয়ডের মাঝে শিশু নতুন করে উদ্দীপনা পায়।
কোন সময় এমনও হয় যে, অভিভাবক শিশুর জন্য কোন বিষয়ের প্রতি বিশ্লেষণে মনোনিবেশ করে অথবা তাকে নতুন কোন বিষয় শিক্ষা দিতে চায়; তখন শিশুটি হঠাৎ করে এমন প্রশ্ন করে বসতে পারে, আলোচ্য বিষয়ের সঙ্গে যার কোন সম্পর্ক নেই। এক্ষেত্রে অভিভাবক বা শিক্ষক ভীষণভাবে রেগে যান, অথচ তার এ প্রশ্নের কারণতো অজ্ঞতাও হতে পারে। যেহেতু সে শিশু সুলভ বুদ্ধিমত্তার সঞ্চয় থেকে এমন বিষয় বের করে তার ব্যাখ্যা করেছে, যার সঙ্গে তার বক্তব্য সম্পৃক্ত।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে যেখানে শিশু বেশ আলোচনা করে থাকে শিশুকে ধমকি প্রদান বা তিরস্কার করা অনুচিত। যেহেতু অভিভাবক ও শিক্ষকের আলোচ্য বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কহীন অনেক দূরের বিষয় নিয়ে সে কথা বলছে। যেমন তার প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসাকে অবজ্ঞা করা, উত্তরের অযোগ্য গৌণ বিষয় অথবা সময়ের অপচয় বলে মনে করা সমীচীন নয়। কারণ অভিভাবক ও শিক্ষক যদি এই দিক-যা তার কৌতূহলকে জাগ্রত করেছে- থেকে শিশুর আত্মাকে পরিতৃপ্ত করতে না পারে তাহলে সে পুরোটা সময় ধরে অভিভাবক বা শিক্ষক থেকে বিমুখ হয়ে শুধু ঐ বিষয়টা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা করতে থাকবে। যদিও বাহ্যতঃ তাকে দেখতে 'অনুকরণ করছে' বলে মনে হবে। বরং এক্ষেত্রে প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসার প্রতি তাকে উৎসাহ প্রদান এবং সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মাবলীর প্রতি লক্ষ্য রেখে যে জানে না, তাকে অজানা বিষয়ে প্রশ্ন করার ওপর ধন্যবাদ দেয়া উচিত। এ জাতীয় প্রেক্ষাপটে অভিভাবক ও শিক্ষককে দ্রুত কর্ম সম্পাদনে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ নেহায়েত জরুরি।
৭- বিরক্তি ও অধৈর্য: এ বয়সে শিশুকে জাগ্রত করা ও তার অন্তরে কোন কিছু গেঁথে দেয়ার সময় যেন কোনভাবেই নির্ধারিত কয়েক মিনিটের বেশি অতিক্রম না করে। কারণ একটি শিশু এ বয়সে শিক্ষা কিংবা প্রশিক্ষণ কর্ম আরম্ভ করার কিছু সময় পরই বিরক্তি অনুভব করে থাকে। এবং সহজেই তার অভিভাবকের আনুগত্য পরিত্যাগ করে অন্য কাজে ব্যস্ত হয়ে পড়ে। যেমন তার খেলনাসামগ্রী নিয়ে খেলা করা, সহপাঠীদের সঙ্গে কথা বলে ইত্যাদি।
অতএব অভিভাবকের দীর্ঘ কথার কারণেই শিশুর পক্ষ থেকে বেপরওয়া ভাব ও অমনোযোগী হওয়ার সমস্যা প্রকাশ পেল। সে কারণে উপযোগী হলো কোন বিষয় উপস্থাপনের সময় যেন নির্ধারিত কয়েক মিনিটের বেশী সময় অতিক্রম না করে যায়। এর সঙ্গে আলোচনার মাঝখানে এমন বিষয়ের অবতারণা করতে যত্নবান হতে হবে যা শিশুটিকে তার অভিভাবকের সঙ্গে অটুট বন্ধণে আবদ্ধ রাখতে এবং তার প্রতি আকৃষ্ট হতে সহায়ক হয়। এক পর্যায়ে সে তার চেতনা জাগ্রত, মনোযোগ দেয়া ও সকল অহেতুক বস্তু নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়া অথবা খেলা করা ইত্যাদি ত্যাগ করতে যত্নবান হবে।
স্থবিরতা নিরসনের জন্য শিশুদের স্থান পরিবর্তন উপকারী হিসেবে প্রমাণিত। শিক্ষা ও প্রশিক্ষণের প্রয়োজন ও অবস্থা অনুযায়ী দাঁড়ানো, বসা ও চলা ফেরার স্থানসমূহ পরিবর্তন করে দেয়া। সম্ভব হলে অভিভাবক তার 'পাঠ'কে কয়েকটি প্রিয়ডে বিভক্ত করে নেবেন। যাতে আড়ষ্ট অবস্থা দূর করার জন্য প্রতিটি প্রিয়ড ও পরবর্তি প্রিয়ডের মাঝে শিশু নতুন করে উদ্দীপনা পায়।
কোন সময় এমনও হয় যে, অভিভাবক শিশুর জন্য কোন বিষয়ের প্রতি বিশ্লেষণে মনোনিবেশ করে অথবা তাকে নতুন কোন বিষয় শিক্ষা দিতে চায়; তখন শিশুটি হঠাৎ করে এমন প্রশ্ন করে বসতে পারে, আলোচ্য বিষয়ের সঙ্গে যার কোন সম্পর্ক নেই। এক্ষেত্রে অভিভাবক বা শিক্ষক ভীষণভাবে রেগে যান, অথচ তার এ প্রশ্নের কারণতো অজ্ঞতাও হতে পারে। যেহেতু সে শিশু সুলভ বুদ্ধিমত্তার সঞ্চয় থেকে এমন বিষয় বের করে তার ব্যাখ্যা করেছে, যার সঙ্গে তার বক্তব্য সম্পৃক্ত।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে যেখানে শিশু বেশ আলোচনা করে থাকে শিশুকে ধমকি প্রদান বা তিরস্কার করা অনুচিত। যেহেতু অভিভাবক ও শিক্ষকের আলোচ্য বিষয়ের সঙ্গে সম্পর্কহীন অনেক দূরের বিষয় নিয়ে সে কথা বলছে। যেমন তার প্রশ্ন কিংবা জিজ্ঞাসাকে অবজ্ঞা করা, উত্তরের অযোগ্য গৌণ বিষয় অথবা সময়ের অপচয় বলে মনে করা সমীচীন নয়। কারণ অভিভাবক ও শিক্ষক যদি এই দিক-যা তার কৌতূহলকে জাগ্রত করেছে- থেকে শিশুর আত্মাকে পরিতৃপ্ত করতে না পারে তাহলে সে পুরোটা সময় ধরে অভিভাবক বা শিক্ষক থেকে বিমুখ হয়ে শুধু ঐ বিষয়টা নিয়ে জল্পনা-কল্পনা করতে থাকবে। যদিও বাহ্যতঃ তাকে দেখতে 'অনুকরণ করছে' বলে মনে হবে। বরং এক্ষেত্রে প্রশ্ন ও জিজ্ঞাসার প্রতি তাকে উৎসাহ প্রদান এবং সময়ানুবর্তিতা ও নিয়মাবলীর প্রতি লক্ষ্য রেখে যে জানে না, তাকে অজানা বিষয়ে প্রশ্ন করার ওপর ধন্যবাদ দেয়া উচিত। এ জাতীয় প্রেক্ষাপটে অভিভাবক ও শিক্ষককে দ্রুত কর্ম সম্পাদনে অভ্যস্ত হওয়ার জন্য প্রশিক্ষণ গ্রহণ নেহায়েত জরুরি।