📘 সন্তান লালন পালন ও তালীম তরবিয়ত > 📄 চঞ্চলতা ও জীবনী শক্তির বিকাশ

📄 চঞ্চলতা ও জীবনী শক্তির বিকাশ


শিশুর মধ্যে একটি প্রগলভ ও চঞ্চল মন রয়েছে। সে যতক্ষণ সজাগ থাকে সারাটা সময় জুড়ে চঞ্চলমুখর থাকে। এটা তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থ্যতার আলামত। একটি শিশুর এই চঞ্চলমুখর শক্তিকে অভিভাবক যদি যথার্থ মূল্যায়ন করতে না পারে তাহলে এটাই অভিভাবকের অবাধ্যতা ও বিরক্তির অন্যতম কারণ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু শিশুকে তা হতে সম্পূর্ণররূপে নিষেধ করাও সমীচীন হবে না। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকের কর্তব্য শিশুটিকে এমন কিছুতে ব্যস্ত রাখা যা তার এ অপতৎপরতাকে নিঃশেষ করে দেবে এর মধ্যে ব্যাপৃত হওয়ার পূর্বেই। উদ্দীপনা ও চঞ্চলতার প্রকাশ শুধু একটি প্রকারেই সীমিত না রেখে বিভিন্ন প্রকরণে হওয়া উচিত। যেমন: ফুটবল খেলা, বাইসাইকেল চালানো ইত্যাদি।
উল্লেখ থাকে যে, শিশুর বিকাশের এ স্তরে এসে তাকে কোন কাজে ব্যস্ত না রেখে শুধুমাত্র আদেশ-নিষেধের নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর করা অভিভাবকের কাছে কাম্য নয়। যেহেতু শিশুটি নির্দিষ্ট কিছু ধীর-স্থীরতা থেকে শিক্ষাকে আঁকড়ে ধরে থাকবে ও সে খুব দ্রুত নিজ দায়িত্বের দিকে ফিরে যাবে যেন কিছুই ঘটেনি। কখনো কখনো উক্ত অবস্থার পুনরাবৃত্তিও ঘটতে পারে যখন কোন অভিভাবক শিশুকে শাস্তি প্রদান কিংবা ভীতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এমন কিছু বিষয়ের অবতারণা করে, যার কু-প্রভাব সুদূর প্রসারী। যথা: ভূত-প্রেত বা জ্বীনের ভয় দেখানো। যা তার ব্যক্তিত্বকে বিশেষ করে অন্ধকার স্থানসমূহে কাপুরুষতা ও দুর্বলতায় কলুষিত করে দেয়। শিশুর চঞ্চলতা, উচ্ছাস যে তার বয়সের বৈশিষ্ট্য, একজন অভিভাবকের এটা বুঝতে হবে। তখন তার কর্তব্য হবে, এমন পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা যা একটি শিশুর জীবনে উত্তরোত্তর কল্যাণ বয়ে আনবে। যেমন: শিশুকে এমন কাজে ব্যাপৃত রাখা যেখানে সে তার শক্তির চর্চা করতে পারে। সাথে সাথে সে ওখান থেকে লাভবানও হবে। যথা: শারীরিক-মানসিক বিকাশে সহায়ক খেলাধুলা অথবা তার সাধ্য ও সামার্থ্য অনুযায়ী কোন হালকা কাজের দায়িত্ব দেওয়া।

শিশুর মধ্যে একটি প্রগলভ ও চঞ্চল মন রয়েছে। সে যতক্ষণ সজাগ থাকে সারাটা সময় জুড়ে চঞ্চলমুখর থাকে। এটা তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থ্যতার আলামত। একটি শিশুর এই চঞ্চলমুখর শক্তিকে অভিভাবক যদি যথার্থ মূল্যায়ন করতে না পারে তাহলে এটাই অভিভাবকের অবাধ্যতা ও বিরক্তির অন্যতম কারণ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু শিশুকে তা হতে সম্পূর্ণররূপে নিষেধ করাও সমীচীন হবে না। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকের কর্তব্য শিশুটিকে এমন কিছুতে ব্যস্ত রাখা যা তার এ অপতৎপরতাকে নিঃশেষ করে দেবে এর মধ্যে ব্যাপৃত হওয়ার পূর্বেই। উদ্দীপনা ও চঞ্চলতার প্রকাশ শুধু একটি প্রকারেই সীমিত না রেখে বিভিন্ন প্রকরণে হওয়া উচিত। যেমন: ফুটবল খেলা, বাইসাইকেল চালানো ইত্যাদি।
উল্লেখ থাকে যে, শিশুর বিকাশের এ স্তরে এসে তাকে কোন কাজে ব্যস্ত না রেখে শুধুমাত্র আদেশ-নিষেধের নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর করা অভিভাবকের কাছে কাম্য নয়। যেহেতু শিশুটি নির্দিষ্ট কিছু ধীর-স্থীরতা থেকে শিক্ষাকে আঁকড়ে ধরে থাকবে ও সে খুব দ্রুত নিজ দায়িত্বের দিকে ফিরে যাবে যেন কিছুই ঘটেনি। কখনো কখনো উক্ত অবস্থার পুনরাবৃত্তিও ঘটতে পারে যখন কোন অভিভাবক শিশুকে শাস্তি প্রদান কিংবা ভীতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এমন কিছু বিষয়ের অবতারণা করে, যার কু-প্রভাব সুদূর প্রসারী। যথা: ভূত-প্রেত বা জ্বীনের ভয় দেখানো। যা তার ব্যক্তিত্বকে বিশেষ করে অন্ধকার স্থানসমূহে কাপুরুষতা ও দুর্বলতায় কলুষিত করে দেয়। শিশুর চঞ্চলতা, উচ্ছাস যে তার বয়সের বৈশিষ্ট্য, একজন অভিভাবকের এটা বুঝতে হবে। তখন তার কর্তব্য হবে, এমন পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা যা একটি শিশুর জীবনে উত্তরোত্তর কল্যাণ বয়ে আনবে। যেমন: শিশুকে এমন কাজে ব্যাপৃত রাখা যেখানে সে তার শক্তির চর্চা করতে পারে। সাথে সাথে সে ওখান থেকে লাভবানও হবে। যথা: শারীরিক-মানসিক বিকাশে সহায়ক খেলাধুলা অথবা তার সাধ্য ও সামার্থ্য অনুযায়ী কোন হালকা কাজের দায়িত্ব দেওয়া।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00