📘 সন্তান লালন পালন ও তালীম তরবিয়ত > 📄 تلقين বা দীক্ষা

📄 تلقين বা দীক্ষা


একটি শিশুকে তার এ বয়োঃস্তরে মৌলিক জ্ঞান শিখানো সহজ। কারণ তাকে যা শিক্ষা দেয়া হবে তা-ই সে স্মরণ রাখতে পারবে। আর যখন কোন বিদ্যা উত্তমরূপে শিখানো হবে সেটা তার মনে দৃঢ়ভাবে অঙ্কিত হয়ে থাকবে। বহুকাল অতিক্রম হলেও তা আর সে ভুলতে পারবে না। বিশেষত সে বিষয়টি অন্যটার সঙ্গে পুনরাবৃত্তির সময়। অতএব এ সময় শিশুকে কুরআনুল কারীম পাঠ দানের প্রতি বিশেষভাবে যত্নবান হওয়া উচিত। ছোট সূরাগুলো হেজ করার মাধ্যমে সূচনা করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আধুনিক উপকরণের সাহায্য নেয়া যায়। যেমন: ক্যাসেট ও কম্পিউটার ইত্যাদি ব্যবহারের মাধ্যমে। এ সময় শিশুকে আকীদা-বিশ্বাস, দোয়া ও আদাব বিষয়ক অনতিদীর্ঘ হাদীসগুলোও শিক্ষা দিতে হবে।
সমাজে এমন অনেক পরিবার দেখা যায়, যারা লেখা পড়া অথবা অন্য কোন বিদ্যা শিক্ষা দেওয়ার জন্য শিশুকে একেবারে ছোট্টবয়সে তথাকথিত কিন্ডারগার্টেনে নিয়ে যায়। যদিও এক্ষেত্রে দু-একটা উপকারিতা যে কখনো পরিলক্ষিত হয় না; তা নয়। তবে এখানে ক্ষতির পরিমাণটা এত বড় যে, উপকারিতার সাথে তার কোন তুলনা চলে না। কারণ এতে একটি শিশুকে তার ভিত্তিমূল প্রতিপালন আলয় থেকে টেনে আনা হয়। ফলশ্রুতিতে শিশু একেবারে অল্প বয়সে সাধারত ৩ বছর বয়সে তার স্বভাবজাত প্রকৃতি, মা ও তার স্নে structurally ুলভ পরিচর্যা থেকে দূরে সরে যায়। তখন শিশুর পরিচর্যা নিজ গৃহে পূর্ণ হওয়ার পূর্বে বহিরাগত প্রভাব তার পরিচর্যার ক্ষেত্রে ত্বরান্বিত হয়। ফলশ্রুতিতে কিন্ডারগার্টেনের পরিবেশ এবং গৃহে শিশুর প্রতিপালনের মধ্যে একটা সাংঘর্ষিক অবস্থার সৃষ্টি হয়। বিশেষত পাশ্চাত্য শিক্ষার দূষিত বায়ু প্রবাহের পর। যদ্বারা এমন অপসংস্কৃতির সয়লাব ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রসার ঘটে- যা অনেক দিক থেকে বিশেষ করে শিক্ষা কারিকুলামের দিক থেকে আমাদের ইসলামী সমাজের বিরোধী। তবে কখনো বা নেহায়েত প্রয়োজনে পরিস্থিতির শিকার হয়ে একটি পরিবার বাধ্য হয়ে এমনটি করে থাকে। যেমন: মা ঘরের বাইরে চাকুরী করেন। সাংসারিক প্রয়োজন মেটাতে হলে তার এছাড়া অন্য কোন উপায়ও নেই। এহেন পরিস্থিতে অভিভাবকের কর্তব্য হবে, এমন একটি কিন্ডারগার্টেন খুঁজে নেওয়া যেখানে থাকবে সন্ত ান প্রতিপালনের ক্ষেত্রে তার আশা-আকাংক্ষার বাস্তব প্রতিফলন। যদিও সে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাগত মান সর্বোচ্চ পর্যায়ের বা উঁচু মানের না-ও হয়। এ অবস্থায়ও শিক্ষাগত দিকটাকে প্রতিপালনের বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেয়া উচিত হবে না।

একটি শিশুকে তার এ বয়োঃস্তরে মৌলিক জ্ঞান শিখানো সহজ। কারণ তাকে যা শিক্ষা দেয়া হবে তা-ই সে স্মরণ রাখতে পারবে। আর যখন কোন বিদ্যা উত্তমরূপে শিখানো হবে সেটা তার মনে দৃঢ়ভাবে অঙ্কিত হয়ে থাকবে। বহুকাল অতিক্রম হলেও তা আর সে ভুলতে পারবে না। বিশেষত সে বিষয়টি অন্যটার সঙ্গে পুনরাবৃত্তির সময়। অতএব এ সময় শিশুকে কুরআনুল কারীম পাঠ দানের প্রতি বিশেষভাবে যত্নবান হওয়া উচিত। ছোট সূরাগুলো হেজ করার মাধ্যমে সূচনা করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে আধুনিক উপকরণের সাহায্য নেয়া যায়। যেমন: ক্যাসেট ও কম্পিউটার ইত্যাদি ব্যবহারের মাধ্যমে। এ সময় শিশুকে আকীদা-বিশ্বাস, দোয়া ও আদাব বিষয়ক অনতিদীর্ঘ হাদীসগুলোও শিক্ষা দিতে হবে।
সমাজে এমন অনেক পরিবার দেখা যায়, যারা লেখা পড়া অথবা অন্য কোন বিদ্যা শিক্ষা দেওয়ার জন্য শিশুকে একেবারে ছোট্টবয়সে তথাকথিত কিন্ডারগার্টেনে নিয়ে যায়। যদিও এক্ষেত্রে দু-একটা উপকারিতা যে কখনো পরিলক্ষিত হয় না; তা নয়। তবে এখানে ক্ষতির পরিমাণটা এত বড় যে, উপকারিতার সাথে তার কোন তুলনা চলে না। কারণ এতে একটি শিশুকে তার ভিত্তিমূল প্রতিপালন আলয় থেকে টেনে আনা হয়। ফলশ্রুতিতে শিশু একেবারে অল্প বয়সে সাধারত ৩ বছর বয়সে তার স্বভাবজাত প্রকৃতি, মা ও তার স্নে structurally ুলভ পরিচর্যা থেকে দূরে সরে যায়। তখন শিশুর পরিচর্যা নিজ গৃহে পূর্ণ হওয়ার পূর্বে বহিরাগত প্রভাব তার পরিচর্যার ক্ষেত্রে ত্বরান্বিত হয়। ফলশ্রুতিতে কিন্ডারগার্টেনের পরিবেশ এবং গৃহে শিশুর প্রতিপালনের মধ্যে একটা সাংঘর্ষিক অবস্থার সৃষ্টি হয়। বিশেষত পাশ্চাত্য শিক্ষার দূষিত বায়ু প্রবাহের পর। যদ্বারা এমন অপসংস্কৃতির সয়লাব ও সামাজিক অবক্ষয়ের প্রসার ঘটে- যা অনেক দিক থেকে বিশেষ করে শিক্ষা কারিকুলামের দিক থেকে আমাদের ইসলামী সমাজের বিরোধী। তবে কখনো বা নেহায়েত প্রয়োজনে পরিস্থিতির শিকার হয়ে একটি পরিবার বাধ্য হয়ে এমনটি করে থাকে। যেমন: মা ঘরের বাইরে চাকুরী করেন। সাংসারিক প্রয়োজন মেটাতে হলে তার এছাড়া অন্য কোন উপায়ও নেই। এহেন পরিস্থিতে অভিভাবকের কর্তব্য হবে, এমন একটি কিন্ডারগার্টেন খুঁজে নেওয়া যেখানে থাকবে সন্ত ান প্রতিপালনের ক্ষেত্রে তার আশা-আকাংক্ষার বাস্তব প্রতিফলন। যদিও সে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষাগত মান সর্বোচ্চ পর্যায়ের বা উঁচু মানের না-ও হয়। এ অবস্থায়ও শিক্ষাগত দিকটাকে প্রতিপালনের বিষয়টির ওপর গুরুত্ব দেয়া উচিত হবে না।

📘 সন্তান লালন পালন ও তালীম তরবিয়ত > 📄 চঞ্চলতা ও জীবনী শক্তির বিকাশ

📄 চঞ্চলতা ও জীবনী শক্তির বিকাশ


শিশুর মধ্যে একটি প্রগলভ ও চঞ্চল মন রয়েছে। সে যতক্ষণ সজাগ থাকে সারাটা সময় জুড়ে চঞ্চলমুখর থাকে। এটা তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থ্যতার আলামত। একটি শিশুর এই চঞ্চলমুখর শক্তিকে অভিভাবক যদি যথার্থ মূল্যায়ন করতে না পারে তাহলে এটাই অভিভাবকের অবাধ্যতা ও বিরক্তির অন্যতম কারণ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু শিশুকে তা হতে সম্পূর্ণররূপে নিষেধ করাও সমীচীন হবে না। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকের কর্তব্য শিশুটিকে এমন কিছুতে ব্যস্ত রাখা যা তার এ অপতৎপরতাকে নিঃশেষ করে দেবে এর মধ্যে ব্যাপৃত হওয়ার পূর্বেই। উদ্দীপনা ও চঞ্চলতার প্রকাশ শুধু একটি প্রকারেই সীমিত না রেখে বিভিন্ন প্রকরণে হওয়া উচিত। যেমন: ফুটবল খেলা, বাইসাইকেল চালানো ইত্যাদি।
উল্লেখ থাকে যে, শিশুর বিকাশের এ স্তরে এসে তাকে কোন কাজে ব্যস্ত না রেখে শুধুমাত্র আদেশ-নিষেধের নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর করা অভিভাবকের কাছে কাম্য নয়। যেহেতু শিশুটি নির্দিষ্ট কিছু ধীর-স্থীরতা থেকে শিক্ষাকে আঁকড়ে ধরে থাকবে ও সে খুব দ্রুত নিজ দায়িত্বের দিকে ফিরে যাবে যেন কিছুই ঘটেনি। কখনো কখনো উক্ত অবস্থার পুনরাবৃত্তিও ঘটতে পারে যখন কোন অভিভাবক শিশুকে শাস্তি প্রদান কিংবা ভীতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এমন কিছু বিষয়ের অবতারণা করে, যার কু-প্রভাব সুদূর প্রসারী। যথা: ভূত-প্রেত বা জ্বীনের ভয় দেখানো। যা তার ব্যক্তিত্বকে বিশেষ করে অন্ধকার স্থানসমূহে কাপুরুষতা ও দুর্বলতায় কলুষিত করে দেয়। শিশুর চঞ্চলতা, উচ্ছাস যে তার বয়সের বৈশিষ্ট্য, একজন অভিভাবকের এটা বুঝতে হবে। তখন তার কর্তব্য হবে, এমন পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা যা একটি শিশুর জীবনে উত্তরোত্তর কল্যাণ বয়ে আনবে। যেমন: শিশুকে এমন কাজে ব্যাপৃত রাখা যেখানে সে তার শক্তির চর্চা করতে পারে। সাথে সাথে সে ওখান থেকে লাভবানও হবে। যথা: শারীরিক-মানসিক বিকাশে সহায়ক খেলাধুলা অথবা তার সাধ্য ও সামার্থ্য অনুযায়ী কোন হালকা কাজের দায়িত্ব দেওয়া।

শিশুর মধ্যে একটি প্রগলভ ও চঞ্চল মন রয়েছে। সে যতক্ষণ সজাগ থাকে সারাটা সময় জুড়ে চঞ্চলমুখর থাকে। এটা তার শারীরিক ও মানসিক সুস্থ্যতার আলামত। একটি শিশুর এই চঞ্চলমুখর শক্তিকে অভিভাবক যদি যথার্থ মূল্যায়ন করতে না পারে তাহলে এটাই অভিভাবকের অবাধ্যতা ও বিরক্তির অন্যতম কারণ হয়ে যেতে পারে। কিন্তু শিশুকে তা হতে সম্পূর্ণররূপে নিষেধ করাও সমীচীন হবে না। এ ক্ষেত্রে অভিভাবকের কর্তব্য শিশুটিকে এমন কিছুতে ব্যস্ত রাখা যা তার এ অপতৎপরতাকে নিঃশেষ করে দেবে এর মধ্যে ব্যাপৃত হওয়ার পূর্বেই। উদ্দীপনা ও চঞ্চলতার প্রকাশ শুধু একটি প্রকারেই সীমিত না রেখে বিভিন্ন প্রকরণে হওয়া উচিত। যেমন: ফুটবল খেলা, বাইসাইকেল চালানো ইত্যাদি।
উল্লেখ থাকে যে, শিশুর বিকাশের এ স্তরে এসে তাকে কোন কাজে ব্যস্ত না রেখে শুধুমাত্র আদেশ-নিষেধের নিয়ন্ত্রণের ওপর নির্ভর করা অভিভাবকের কাছে কাম্য নয়। যেহেতু শিশুটি নির্দিষ্ট কিছু ধীর-স্থীরতা থেকে শিক্ষাকে আঁকড়ে ধরে থাকবে ও সে খুব দ্রুত নিজ দায়িত্বের দিকে ফিরে যাবে যেন কিছুই ঘটেনি। কখনো কখনো উক্ত অবস্থার পুনরাবৃত্তিও ঘটতে পারে যখন কোন অভিভাবক শিশুকে শাস্তি প্রদান কিংবা ভীতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে এমন কিছু বিষয়ের অবতারণা করে, যার কু-প্রভাব সুদূর প্রসারী। যথা: ভূত-প্রেত বা জ্বীনের ভয় দেখানো। যা তার ব্যক্তিত্বকে বিশেষ করে অন্ধকার স্থানসমূহে কাপুরুষতা ও দুর্বলতায় কলুষিত করে দেয়। শিশুর চঞ্চলতা, উচ্ছাস যে তার বয়সের বৈশিষ্ট্য, একজন অভিভাবকের এটা বুঝতে হবে। তখন তার কর্তব্য হবে, এমন পদ্ধতিতে সমস্যার সমাধান খুঁজে বের করা যা একটি শিশুর জীবনে উত্তরোত্তর কল্যাণ বয়ে আনবে। যেমন: শিশুকে এমন কাজে ব্যাপৃত রাখা যেখানে সে তার শক্তির চর্চা করতে পারে। সাথে সাথে সে ওখান থেকে লাভবানও হবে। যথা: শারীরিক-মানসিক বিকাশে সহায়ক খেলাধুলা অথবা তার সাধ্য ও সামার্থ্য অনুযায়ী কোন হালকা কাজের দায়িত্ব দেওয়া।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00