📘 সন্তান আল্লাহর ওলী হয় কীভাবে > 📄 শিশুর জন্য লাইব্রেরি গড়ে তুলুন

📄 শিশুর জন্য লাইব্রেরি গড়ে তুলুন


শিশুদের জন্য আপনার ঘরে একটি 'সুন্দর লাইব্রেরি' অবশ্যই বানাবেন। সেখানে শিশুরা তাদের পড়ার মতো বিভিন্ন বই পাবে। এতে করে একটি শিশু অহেতুক খেলাধুলায় না গিয়ে, সে একটি বই নিয়ে পড়ায় লেগে থাকবে। এতে তার জ্ঞানের পরিধি দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাবে। সে আগামির জন্য একটি আদর্শ-মডেল হয়ে গড়ে উঠবে। কারণ, একটি আদর্শ বই একটি আদর্শ জীবনের জন্ম দেয়।

ছোটদের উপযোগী গল্পের বই। আল্লাহর ওলীদের সুন্দর সুন্দর ঘটনার বই। সাহাবায়ে কেরামের বিভিন্ন গল্পের বই তার জন্য রাখবেন। হ্যাঁ, বাজারের মিথ্যা গল্প-কাহিনি, ভূত-দৈত্যের মিথ্যা বানানো বই দিয়ে শিশুর সুন্দর জীবনটা নষ্ট করবেন না। এ ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন।

শিশুদের জন্য আপনার ঘরে একটি 'সুন্দর লাইব্রেরি' অবশ্যই বানাবেন। সেখানে শিশুরা তাদের পড়ার মতো বিভিন্ন বই পাবে। এতে করে একটি শিশু অহেতুক খেলাধুলায় না গিয়ে, সে একটি বই নিয়ে পড়ায় লেগে থাকবে। এতে তার জ্ঞানের পরিধি দিন দিন আরো বৃদ্ধি পাবে। সে আগামির জন্য একটি আদর্শ-মডেল হয়ে গড়ে উঠবে। কারণ, একটি আদর্শ বই একটি আদর্শ জীবনের জন্ম দেয়।

ছোটদের উপযোগী গল্পের বই। আল্লাহর ওলীদের সুন্দর সুন্দর ঘটনার বই। সাহাবায়ে কেরামের বিভিন্ন গল্পের বই তার জন্য রাখবেন। হ্যাঁ, বাজারের মিথ্যা গল্প-কাহিনি, ভূত-দৈত্যের মিথ্যা বানানো বই দিয়ে শিশুর সুন্দর জীবনটা নষ্ট করবেন না। এ ব্যাপারে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন।

📘 সন্তান আল্লাহর ওলী হয় কীভাবে > 📄 শিশুকে সময়ের গুরুত্ব শিক্ষা দেওয়া

📄 শিশুকে সময়ের গুরুত্ব শিক্ষা দেওয়া


মানুষের জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত খুবই দামি। তাই আল্লাহর নেক বান্দা ও জ্ঞানীরা কখনো সময়কে নষ্ট হতে দেন না। 'সময়ের অনেক মূল্য' এ (Concept) ধারণাটি ছোট থেকেই শিশুর যেহেনে শক্ত করে বসিয়ে দেবেন।

শিশুর প্রতিটি মুহূর্তের প্রতি লক্ষ রাখবেন। এবং তাকে সর্বদা ইতিবাচক কোনো না কোনো কাজে লিপ্ত রাখবেন। অবসর বা অলস সময় কাটানোর কোনো মানসিকতা তার ভেতরে আসতে দিবেন না। এ ব্যাপারে সকল জ্ঞানীদের মত হলো, অবসর-অলসতার দ্বারা জীবন বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। পরে এরকম শিশুকে কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়ে।

আর কখনো যদি ভাগ্যবশত কোনো কাজ জুটেও যায়, তবু এরকম শিশুর কাজের প্রতি আত্মনিবিষ্ট হওয়া বা মন দিয়ে কাজ করার মানসিকতা আর থাকে না। ফলে এক সময় কাজের প্রতি তার অনিহা ভাব সৃষ্টি হয়। এবং কাজ থেকে ছিটকে যায়।

এটা বাস্তব ও শতসিদ্ধ বিষয়, অলস ও অবকাশ জীবন-যাপনের দ্বারা উৎফুল্লতা ও বিচক্ষণতার পরিবর্তে জীবনে অক্ষমতা ও ব্যর্থতাই বেশি আসে।

মানুষের জীবনের প্রতিটি মুহূর্ত খুবই দামি। তাই আল্লাহর নেক বান্দা ও জ্ঞানীরা কখনো সময়কে নষ্ট হতে দেন না। 'সময়ের অনেক মূল্য' এ (Concept) ধারণাটি ছোট থেকেই শিশুর যেহেনে শক্ত করে বসিয়ে দেবেন।

শিশুর প্রতিটি মুহূর্তের প্রতি লক্ষ রাখবেন। এবং তাকে সর্বদা ইতিবাচক কোনো না কোনো কাজে লিপ্ত রাখবেন। অবসর বা অলস সময় কাটানোর কোনো মানসিকতা তার ভেতরে আসতে দিবেন না। এ ব্যাপারে সকল জ্ঞানীদের মত হলো, অবসর-অলসতার দ্বারা জীবন বিক্ষিপ্ত হয়ে যায়। পরে এরকম শিশুকে কাজে লাগানো কঠিন হয়ে পড়ে।

আর কখনো যদি ভাগ্যবশত কোনো কাজ জুটেও যায়, তবু এরকম শিশুর কাজের প্রতি আত্মনিবিষ্ট হওয়া বা মন দিয়ে কাজ করার মানসিকতা আর থাকে না। ফলে এক সময় কাজের প্রতি তার অনিহা ভাব সৃষ্টি হয়। এবং কাজ থেকে ছিটকে যায়।

এটা বাস্তব ও শতসিদ্ধ বিষয়, অলস ও অবকাশ জীবন-যাপনের দ্বারা উৎফুল্লতা ও বিচক্ষণতার পরিবর্তে জীবনে অক্ষমতা ও ব্যর্থতাই বেশি আসে।

📘 সন্তান আল্লাহর ওলী হয় কীভাবে > 📄 সন্তানের সামনে পিতা-মাতার ঝগড়া করা থেকে বিরত থাকতে হবে

📄 সন্তানের সামনে পিতা-মাতার ঝগড়া করা থেকে বিরত থাকতে হবে


আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শিশুর সামনে পিতা-মাতাকে অবশ্যই ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। আর তার সহজ উপায় একটাই তা হলো, স্বামী-স্ত্রী উভয়ে পরামর্শ করে সকল কাজের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শিশুরা যদিও ছোট কিন্তু তাদের স্মরণশক্তি খুবই প্রখর হয়। স্বামী-স্ত্রী যখন পরস্পর বিবাদে লিপ্ত হন, একে অপরকে বিভিন্ন কটু বাক্যে আঘাত করেন। এতে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শিশু সে কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পারে না ঠিক; কিন্তু সে নীরব দর্শকের মতো শুধু শুনতে থাকে। আর পিতা-মাতার এ বিবাদের পূর্ণ চিত্র তার স্মৃতিপটে প্রিন্ট হতে থাকে। এতে করে তার জীবনে এর বিরাট প্রভাব পড়ে। শিশু নিজে সর্বদা এ ভাবনাতেই অস্থির থাকে, আম্মুর সম্মান পাওয়ার কোনো অধিকার নেই। আব্বুর সম্মানের কোনো যোগ্যতা নেই। তারা একে অপরকে কোনো সম্মান'ই দিতে জানে না। সবসময় তাদের মাঝে ঝগড়া লেগেই থাকে আর আমাদের উপর অহেতুক এর বিষ ঢালতে থাকে। পরে কখনো মা যখন তার সন্তানকে নসীহতও করেন, সে তখন মনে মনে ভাবে, আব্বু কথা রাখেনি আর সেই রাগ আমাদের উপর ঢালছে।

এতে করে সন্তানের লালন-পালন কোনোভাবেই আর সম্ভব হয় না। এভাবে সন্তান অবাধ্য হয়ে যায়।

আল্লাহ তায়ালা যখন কোনো পরিবারে সন্তান লাভের এ নেয়ামত দান করেন, তখনই পিতা-মাতার উচিত জ্ঞান খাটিয়ে পরবর্তী জীবনের সিলেবাস তৈরি করা। কারণ, তখন তাদেরও দায়িত্ব অনেক গুণ বেড়ে যায়। পরিবারের এ নতুন মেহমান, যে কিনা একদিন নিজেই হবে এই বংশের কর্ণধার, তাই তার সুষ্ঠু লালন-পালনের দায়িত্ব তো প্রথমত পিতা-মাতাকেই নিতে হবে।

তাই সন্তানের সামনে কখনো স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া করা উচিত নয়।

যে স্বামী তার সন্তানের সামনে নিজের স্ত্রীকে বকে বা মারপিট করে। তিনি যেন অবশ্যই মনে রাখেন, সন্তানকে অবাধ্য ও দুশ্চরিত্র বানাতে নিজেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

কারণ, সন্তানকে ট্রেনিং দিয়ে এবং প্রয়োজনে শাসন করে মানুষ করে গড়ে তোলার বেশিরভাগ দায়িত্ব মায়ের। এখন যখন সে মায়ের উপরই লাঠি পেটা হচ্ছে তখন বাচ্চার দৃষ্টিতে মায়ের গুরুত্ব আর বাকি থাকে না। মায়ের শাসন সে আর মানতে চায় না।

এ জন্য স্বামীদের কর্তব্য এবং উচিত হবে সন্তানের সামনে নিজের বিবিকে গুরুত্ব দেয়া এবং তার মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ না করা। আর অপরদিকে স্ত্রীর উপর দায়িত্ব হলো, সন্তানের সামনে স্বামীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা। এভাবে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে শিশুর মানবিক গুণ উন্নত করতে তাকে সাহায্য করবে।

বাবা যখনই শিশুকে নিয়ে বসবে তাকে বুঝাবে, আব্বু! আম্মুর কথা মেনে চলবে। সর্বদা আম্মু যা বলে তা শুনবে। এভাবে শিশুর যেহেনে তার মায়ের গুরুত্ব সৃষ্টি করতে হবে। মায়ের মর্যাদা তার ভেতরে পয়দা করতে হবে। আবার মা যখন তার সন্তানকে নিয়ে ঘরে থাকবেন। তখন তিনিও বুঝাবেন, বেটা! আব্বুর কথা মেনে চলবে। আব্বুকে সম্মান করবে। আব্বু তোমার জন্য কতই না কষ্ট করেন।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, শিশুর সামনে পিতা-মাতাকে অবশ্যই ঝগড়া-বিবাদে লিপ্ত হওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে। আর তার সহজ উপায় একটাই তা হলো, স্বামী-স্ত্রী উভয়ে পরামর্শ করে সকল কাজের সিদ্ধান্ত নিতে হবে। শিশুরা যদিও ছোট কিন্তু তাদের স্মরণশক্তি খুবই প্রখর হয়। স্বামী-স্ত্রী যখন পরস্পর বিবাদে লিপ্ত হন, একে অপরকে বিভিন্ন কটু বাক্যে আঘাত করেন। এতে সামনে দাঁড়িয়ে থাকা শিশু সে কোনো প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে পারে না ঠিক; কিন্তু সে নীরব দর্শকের মতো শুধু শুনতে থাকে। আর পিতা-মাতার এ বিবাদের পূর্ণ চিত্র তার স্মৃতিপটে প্রিন্ট হতে থাকে। এতে করে তার জীবনে এর বিরাট প্রভাব পড়ে। শিশু নিজে সর্বদা এ ভাবনাতেই অস্থির থাকে, আম্মুর সম্মান পাওয়ার কোনো অধিকার নেই। আব্বুর সম্মানের কোনো যোগ্যতা নেই। তারা একে অপরকে কোনো সম্মান'ই দিতে জানে না। সবসময় তাদের মাঝে ঝগড়া লেগেই থাকে আর আমাদের উপর অহেতুক এর বিষ ঢালতে থাকে। পরে কখনো মা যখন তার সন্তানকে নসীহতও করেন, সে তখন মনে মনে ভাবে, আব্বু কথা রাখেনি আর সেই রাগ আমাদের উপর ঢালছে।

এতে করে সন্তানের লালন-পালন কোনোভাবেই আর সম্ভব হয় না। এভাবে সন্তান অবাধ্য হয়ে যায়।

আল্লাহ তায়ালা যখন কোনো পরিবারে সন্তান লাভের এ নেয়ামত দান করেন, তখনই পিতা-মাতার উচিত জ্ঞান খাটিয়ে পরবর্তী জীবনের সিলেবাস তৈরি করা। কারণ, তখন তাদেরও দায়িত্ব অনেক গুণ বেড়ে যায়। পরিবারের এ নতুন মেহমান, যে কিনা একদিন নিজেই হবে এই বংশের কর্ণধার, তাই তার সুষ্ঠু লালন-পালনের দায়িত্ব তো প্রথমত পিতা-মাতাকেই নিতে হবে।

তাই সন্তানের সামনে কখনো স্বামী-স্ত্রীর ঝগড়া করা উচিত নয়।

যে স্বামী তার সন্তানের সামনে নিজের স্ত্রীকে বকে বা মারপিট করে। তিনি যেন অবশ্যই মনে রাখেন, সন্তানকে অবাধ্য ও দুশ্চরিত্র বানাতে নিজেই চেষ্টা করে যাচ্ছেন।

কারণ, সন্তানকে ট্রেনিং দিয়ে এবং প্রয়োজনে শাসন করে মানুষ করে গড়ে তোলার বেশিরভাগ দায়িত্ব মায়ের। এখন যখন সে মায়ের উপরই লাঠি পেটা হচ্ছে তখন বাচ্চার দৃষ্টিতে মায়ের গুরুত্ব আর বাকি থাকে না। মায়ের শাসন সে আর মানতে চায় না।

এ জন্য স্বামীদের কর্তব্য এবং উচিত হবে সন্তানের সামনে নিজের বিবিকে গুরুত্ব দেয়া এবং তার মর্যাদাকে ক্ষুণ্ণ না করা। আর অপরদিকে স্ত্রীর উপর দায়িত্ব হলো, সন্তানের সামনে স্বামীর মর্যাদা ও গুরুত্ব বজায় রাখা। এভাবে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে শিশুর মানবিক গুণ উন্নত করতে তাকে সাহায্য করবে।

বাবা যখনই শিশুকে নিয়ে বসবে তাকে বুঝাবে, আব্বু! আম্মুর কথা মেনে চলবে। সর্বদা আম্মু যা বলে তা শুনবে। এভাবে শিশুর যেহেনে তার মায়ের গুরুত্ব সৃষ্টি করতে হবে। মায়ের মর্যাদা তার ভেতরে পয়দা করতে হবে। আবার মা যখন তার সন্তানকে নিয়ে ঘরে থাকবেন। তখন তিনিও বুঝাবেন, বেটা! আব্বুর কথা মেনে চলবে। আব্বুকে সম্মান করবে। আব্বু তোমার জন্য কতই না কষ্ট করেন।

📘 সন্তান আল্লাহর ওলী হয় কীভাবে > 📄 শিশুকে পিতার নামে ভয় দেখানো উচিত নয়

📄 শিশুকে পিতার নামে ভয় দেখানো উচিত নয়


এভাবে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে যখন শিশুর পেছনে মেহনত করবেন, ইনশাআল্লাহ দেখা যাবে, শিশু এখন মাকেও মানছে, বাবাকেও মানছে। আর শিশুর জন্য এটা একটা ভালো প্রশিক্ষণও হয়ে যাচ্ছে।

পিতা যখন বাহির থেকে ঘরে ফিরবেন, তখন তার জন্য উচিত হবে প্রয়োজনীয় কাজ থেকে ফারেগ হয়ে শিশুদের একটু সময় দেয়া। তাদের নিয়ে ভিন্নভাবে বসা। আদর-সোহাগ করা এবং বিভিন্ন উপদেশমূলক বাক্য শুনিয়ে দেয়া।

শিশু যখন বাবা থেকে তারবিয়াত পাবে এবং মা থেকেও তারবিয়াত পাবে। তখন তার মনের গভীরে দ্বীনদারী মজবুত হতে থাকবে।

কিন্তু এখন অবস্থা উল্টো। ঘরে মা তো শিশুকে বকা-ঝকা করেনই, আবার বাবা যখন বাহির থেকে আসেন তিনিও তখন শিশুর সাথে ধমক ও চোখ রাঙ্গানি শুরু করেন। এতে একটি শিশু এটাই ভেবে স্থির করে নেয় যে, এ দুনিয়াটা এরকম بকা-ঝকা, ধমক আর চোখ রাঙ্গানিরই জায়গা। এখানে এ ছাড়া আর কিছু নেই। অতঃপর এক সময় দেখা যায় কোনো ভালো উপদেশ আর তার কাজে আসে না। ভালো উপদেশও তার কাছে তখন বিষাক্ত ও তিক্ত মনে হতে থাকে।

এ ব্যাপারটিও বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন, শিশুকে এ বলে কখনো শাসাবেন না, বা ধমক দিবেন না, 'আচ্ছা ঠিক আছে, তোমার আব্বু আসুক, তোমার আব্বুকে দিয়ে পেটা খাওয়াব।'

স্মরণ রাখবেন, এ কয়েকটি বাক্য যদিও ছোট কিন্তু খুবই মারাত্মক।

মা যদি কখনো তার শিশুকে একথা বলেই দেন, তোমার আব্বুকে দিয়ে তোমাকে ঠিক করাব। তবে এর অর্থ দাঁড়ালো, আমি কোনো মর্যাদাবান বা গুরুত্বপূর্ণ লোক নই। তাই আমার কোনো গুরুত্ব তোমার কাছে থাকারও দরকার নেই। যা করার তোমার পিতা করবে।

সন্তান মায়ের মুখ থেকে এ স্বীকারোক্তি নেয়ার পর মায়ের কোনো কথার গুরুত্ব তার কাছে আর থাকবে না। বরং সে মাকে আল্লাহর এক অসহায় বান্দী হিসেবে দেখতে থাকবে। মায়ের শাসনের ভয় তার মনে আর থাকে না। আর এদিকে মা কপালে হাত মেরে মেরে বলতে থাকেন, ছেলে আমার কথা শুনে না। যাই হোক, মা হিসেবে সন্তানের লালন-পালন আপনাকে শিখতে হবে। আপনি আল্লাহর অসহায় বান্দী না হয়ে বরং দরদি ও সচেতন মা হোন।

শিশুকে ধমক দেয়ার প্রয়োজন হলে আপনি নিজে ধমক দেন। যদি কখনো শাসনের জন্য থাপ্পর দেয়ার প্রয়োজন হয়, আপনিই তাকে এ শাসনটুকু করে ফেলেন। এতে শিশুর মনে আপনার গুরুত্ব জন্মাবে, না আম্মু জানতে পারলে আমাকে পেটাই করবে। এবং আম্মু কষ্ট পাবে।

এ জন্য এ কথাটি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, যদি শিশুকে শাসন করার প্রয়োজন হয়, তবে মা হিসেবে নিজেই শাসনের কাজ সেরে নিবেন। সন্তানের পিতার জন্য রেখে দিবেন না। আর যদি কখনো মুখ দিয়ে এ কথা বলে ফেলেন, তোমার আব্বু আসুক, তারপর তোমাকে শায়েস্তা করব।

এতে করে শিশুর মনে তখন একথা স্থির হয়ে যায় যে, আব্বু থাকলে ঠিক-ঠাক চলতে হবে। আব্বু চলে গেলে আর কি, যার ভয় ছিল সেই নেই ঘরে। এখন যা খুশি তা করো।

এ ক্ষেত্রে বাপের অনুপস্থিতিতে এরকম শিশুরা ঘরে মায়ের শাসন মানে না। যত রকমের দুষ্টামি আছে সে করতে থাকে। আর এদিকে মা অভিযোগ করেন, সন্তান আমার কথা শুনে না। আমাকে মানে না। বাস্তবতা হলো, মা নিজেই নিজের গুরুত্ব শিশুর মন থেকে বের করে দিয়েছেন। এ জন্য এ বিষয়টি একজন আদর্শ মাকে অবশ্যই বুঝতে হবে।

এভাবে স্বামী-স্ত্রী উভয়ে যখন শিশুর পেছনে মেহনত করবেন, ইনশাআল্লাহ দেখা যাবে, শিশু এখন মাকেও মানছে, বাবাকেও মানছে। আর শিশুর জন্য এটা একটা ভালো প্রশিক্ষণও হয়ে যাচ্ছে।

পিতা যখন বাহির থেকে ঘরে ফিরবেন, তখন তার জন্য উচিত হবে প্রয়োজনীয় কাজ থেকে ফারেগ হয়ে শিশুদের একটু সময় দেয়া। তাদের নিয়ে ভিন্নভাবে বসা। আদর-সোহাগ করা এবং বিভিন্ন উপদেশমূলক বাক্য শুনিয়ে দেয়া।

শিশু যখন বাবা থেকে তারবিয়াত পাবে এবং মা থেকেও তারবিয়াত পাবে। তখন তার মনের গভীরে দ্বীনদারী মজবুত হতে থাকবে।

কিন্তু এখন অবস্থা উল্টো। ঘরে মা তো শিশুকে বকা-ঝকা করেনই, আবার বাবা যখন বাহির থেকে আসেন তিনিও তখন শিশুর সাথে ধমক ও চোখ রাঙ্গানি শুরু করেন। এতে একটি শিশু এটাই ভেবে স্থির করে নেয় যে, এ দুনিয়াটা এরকম بকা-ঝকা, ধমক আর চোখ রাঙ্গানিরই জায়গা। এখানে এ ছাড়া আর কিছু নেই। অতঃপর এক সময় দেখা যায় কোনো ভালো উপদেশ আর তার কাজে আসে না। ভালো উপদেশও তার কাছে তখন বিষাক্ত ও তিক্ত মনে হতে থাকে।

এ ব্যাপারটিও বিশেষভাবে খেয়াল রাখবেন, শিশুকে এ বলে কখনো শাসাবেন না, বা ধমক দিবেন না, 'আচ্ছা ঠিক আছে, তোমার আব্বু আসুক, তোমার আব্বুকে দিয়ে পেটা খাওয়াব।'

স্মরণ রাখবেন, এ কয়েকটি বাক্য যদিও ছোট কিন্তু খুবই মারাত্মক।

মা যদি কখনো তার শিশুকে একথা বলেই দেন, তোমার আব্বুকে দিয়ে তোমাকে ঠিক করাব। তবে এর অর্থ দাঁড়ালো, আমি কোনো মর্যাদাবান বা গুরুত্বপূর্ণ লোক নই। তাই আমার কোনো গুরুত্ব তোমার কাছে থাকারও দরকার নেই। যা করার তোমার পিতা করবে।

সন্তান মায়ের মুখ থেকে এ স্বীকারোক্তি নেয়ার পর মায়ের কোনো কথার গুরুত্ব তার কাছে আর থাকবে না। বরং সে মাকে আল্লাহর এক অসহায় বান্দী হিসেবে দেখতে থাকবে। মায়ের শাসনের ভয় তার মনে আর থাকে না। আর এদিকে মা কপালে হাত মেরে মেরে বলতে থাকেন, ছেলে আমার কথা শুনে না। যাই হোক, মা হিসেবে সন্তানের লালন-পালন আপনাকে শিখতে হবে। আপনি আল্লাহর অসহায় বান্দী না হয়ে বরং দরদি ও সচেতন মা হোন।

শিশুকে ধমক দেয়ার প্রয়োজন হলে আপনি নিজে ধমক দেন। যদি কখনো শাসনের জন্য থাপ্পর দেয়ার প্রয়োজন হয়, আপনিই তাকে এ শাসনটুকু করে ফেলেন। এতে শিশুর মনে আপনার গুরুত্ব জন্মাবে, না আম্মু জানতে পারলে আমাকে পেটাই করবে। এবং আম্মু কষ্ট পাবে।

এ জন্য এ কথাটি অবশ্যই খেয়াল রাখবেন, যদি শিশুকে শাসন করার প্রয়োজন হয়, তবে মা হিসেবে নিজেই শাসনের কাজ সেরে নিবেন। সন্তানের পিতার জন্য রেখে দিবেন না। আর যদি কখনো মুখ দিয়ে এ কথা বলে ফেলেন, তোমার আব্বু আসুক, তারপর তোমাকে শায়েস্তা করব।

এতে করে শিশুর মনে তখন একথা স্থির হয়ে যায় যে, আব্বু থাকলে ঠিক-ঠাক চলতে হবে। আব্বু চলে গেলে আর কি, যার ভয় ছিল সেই নেই ঘরে। এখন যা খুশি তা করো।

এ ক্ষেত্রে বাপের অনুপস্থিতিতে এরকম শিশুরা ঘরে মায়ের শাসন মানে না। যত রকমের দুষ্টামি আছে সে করতে থাকে। আর এদিকে মা অভিযোগ করেন, সন্তান আমার কথা শুনে না। আমাকে মানে না। বাস্তবতা হলো, মা নিজেই নিজের গুরুত্ব শিশুর মন থেকে বের করে দিয়েছেন। এ জন্য এ বিষয়টি একজন আদর্শ মাকে অবশ্যই বুঝতে হবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00